‘এখনই চাননি দ্বিতীয় সন্তান!’ এমন অপ্রীতিকর সংবাদ সামনে আসতেই ক্ষুব্ধ শ্রীময়ী! ‘দয়া করে হলুদ সাংবাদিকতা করবেন না…’ বিভ্রান্তিকর শিরোনাম নিয়ে সংবাদমাধ্যমের একাংশকে কড়া বার্তা শ্রীময়ী চট্টরাজের!

সম্প্রতি দ্বিতীয়বারের জন্য বাবা-মা হয়েছেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক ও অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ। মেয়ে কৃষভির পর তাঁদের পরিবারে এসেছে পুত্রসন্তান কৃশিব। নতুন সদস্যকে ঘিরে পরিবারে খুশির আবহ থাকলেও, এর মধ্যেই একটি সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত শিরোনাম নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শ্রীময়ী। সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, তাঁর বক্তব্যকে ভুলভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
একটি প্রতিবেদনের শিরোনামে বলা হয়েছিল, কৃষভি ছোট থাকায় নাকি এই মুহূর্তে দ্বিতীয় সন্তান চাননি শ্রীময়ী। সেই শিরোনাম দেখেই আপত্তি জানান অভিনেত্রী। তাঁর অভিযোগ, বেশি পাঠক ও ভিউ পাওয়ার আশায় অনেক সময় এমন সব শিরোনাম তৈরি করা হয়, যা বাস্তবে তিনি কখনও বলেননি। এতে পাঠকদের মধ্যেও ভুল ধারণা তৈরি হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নিজের পোস্টে শ্রীময়ী আরও লেখেন, কোনও খবর প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করা উচিত। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ার নেতিবাচক মন্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে খবর তৈরি না করারও আবেদন জানান তিনি। তাঁর মতে, পরিবারে নতুন সদস্যের আগমনের আনন্দের সময়ে এমন বিভ্রান্তিকর প্রচার একেবারেই অনভিপ্রেত।
তবে সব সংবাদমাধ্যমকে একসঙ্গে দোষারোপ করেননি শ্রীময়ী। তিনি জানান, বহু সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যম তাঁদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং সুন্দরভাবে খবরও প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, কিছু ক্লিকবেট শিরোনামের জন্য পুরো পেশাকে বিচার করা ঠিক নয়। একই সঙ্গে তিনি অনুরোধ করেন, সামান্য জনপ্রিয়তার জন্য ভুল তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকা উচিত।
আরও পড়ুনঃ ‘মিথ্যাচারের একটা সীমা আছে, পার পাওয়া যাবে না!’ ‘বাম-অতিবামদের শিক্ষা শিক্ষা খেলা ধরা পড়ে গেছে!’ ‘প্রধানমন্ত্রীর ছবিতে কুরুচিকর পোস্টার দিয়ে কিসের ছাত্র আন্দোলন?’ শ্রীলেখা-সহ বামেদের একযোগে নিশানা রুদ্রনীল ঘোষের!
আসলে এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল শ্রীময়ীর একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টকে কেন্দ্র করে। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, দ্বিতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর জানার পর কিছুটা দোটানায় ছিলেন, কারণ তখনও মেয়ে কৃষভি খুব ছোট। সেই সময় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত তাঁকে সাহস জুগিয়ে বলেছিলেন, ঈশ্বরের দেওয়া আশীর্বাদকে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করতে। শ্রীময়ীর দাবি, তাঁর এই ব্যক্তিগত অনুভূতিকেই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে বিভ্রান্তিকর শিরোনাম তৈরি করা হয়েছে।

