ফুলকির ঘুষির ভয়ে মুখ খুলল প্রীতম কুমার! ফাঁস রুদ্রর ছদ্মবেশ!

জি বাংলার (Zee Bangla)h জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক দর্শকদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। টিআরপি তালিকাতেও এই ধারাবাহিকে সবসময় প্রথম পাঁচে দেখা যায়। ধারাবাহিকটিতে প্রতিদিনই টানটান উত্তেজনা পর্ব দেখানো হয়। বর্তমানে প্রতিটি এপিসোডেই বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, রুদ্র ফুলকি এবং রোহিতের খোঁজ নেওয়ার জন্য লাবণ্যর অফিসে আসে। এসেই লাবণ্যকে ইমোশানালভাবে খোঁচা দিতে থাকে। তার মনে রোহিত ফুলকিকে নিয়ে ভয়ে ঢুকিয়ে দেয়। ফুলকির ক্ষতি করে দেবে এই সমস্ত বলে ভয় দেখাতে থাকে। তারপর ছলে বলে লাবণ্যের মুখ থেকে বের করার চেষ্টা করে রোহিতরা কোথায় গিয়েছে। লাবণ্য ইমোশনাল হয়ে পড়ে ছদ্দবেশী রুদ্রকে সব কথা বলে দেয়।

পরের দিন রোহিত তাদের জন্য সমস্ত জামা কাপড় নিয়ে আসে যে জামা কাপড় পড়ে ছদ্মবেশে তারা ওই ভান্ডারগঞ্জে যাবে। এসব নিয়ে যখন আলোচনা করছিল ঠিক তখনই দরজায় কেউ কড়া নাড়ে। ফুলকি রোহিত দুজনই খুব সাবধান হয়ে দরজা খোলে। হঠাৎ করে তাদের সামনে উপস্থিত হয় ছদ্দবেশী রুদ্র। অর্থাৎ যাকে তারা অভিরূপ নামে চেনে। অভিরূপকে দেখে প্রথমে ফুলকিরা ভীষণই ঘাবড়ে যায়। তারপরে সে জানায় লাবণ্যের কাছ থেকে খোঁজখবর নিয়ে এসে এতদূর পর্যন্ত ফুলকিদের সাহায্য করতে এসেছে। ফুলকির প্রথম একটু খটকা লাগলো, কিন্তু অভিরূপ ভালো বলে বিশ্বাস করে যায়। আসলে যে ছদ্মবেশে রুদ্র এসে দাঁড়িয়েছে সেটা তো আর কেউ ধরতে পারে না।
এরপর ছদ্মবেশী রুদ্র ফুলকিদের মন জয় করার জন্য তাদেরকে সাহায্য করবে বলে জানায়। তাদের সাবধান করে দেয় বারবার। ফুলকিরাও অত কিছু ভাবনা চিন্তা না করে অভিরূপকে বিশ্বাস করে। রাতে যখন ফুলকিরা খাবার খেতে যাবে তখন অভিরূপকে ডাকতে আসে তারা। কিন্তু তখন রুদ্র তো নিজের ভোল বদল করছিল। চোখে লেন্স পরতে গিয়ে তার লেন্স হারিয়ে যায়, এদিকে রোহিত অনেকবার করে ডাকা সত্ত্বেও যখন অভিরূপ দরজা খুলছিল না তখন ফুলকিদের ভয় হয়। তাদের মনে হয় অভিরূপের কোন ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। তাই দরজা ভেঙে তারা ভেতরে ঢুকে আসে। কিন্তু রুদ্র ঠিক সময়ে নিজেকে রক্ষা করে নেয়। তারপর রোহিত এবং ফুলকি পরের দিন ভান্ডারগঞ্জে যাওয়ার জন্য নিজেদের ছদ্মবেশে তৈরি হয়ে যায়। ওদিকে অভিরূপ অর্থাৎ ছদ্মবেশী রুদ্র গিয়ে প্রীতম কুমারের সাথে সমস্ত প্ল্যান করে ফুলকি এবং রোহিতকে মেরে ফেলার ফন্দি এঁটে ফেলে।
আরও পড়ুনঃ ‘বাবা মায়েরা মনে করে আমার মেয়েই নায়িকা, ওদের জন্য আবার আলাদা রুম চাই! এদেরকেই এক সময় ছুঁড়ে ফেলে দেয় ইন্ডাস্ট্রি!’ বর্তমান সময়ের নবাগতা অভিনেত্রীদের নিয়ে মুখ খুললেন তনিমা সেন!
ভান্ডারগঞ্জ বেরোনোর আগে রোহিত বারবার অভিরুপকে ফোন করেছিল কিন্তু কিছুতেই ফোন তুলছিল না। সেই জন্য তারা চিন্তা করতে থাকে কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই তাদের সামনে এসে দাঁড়ায় অভিরূপ। অভিরূপ জানায় সে ভান্ডারগঞ্জ সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে গিয়েছিল আশেপাশে। তারপর যখন অভিরূপ ঘর থেকে বেরিয়ে যায় তখন ফুলকি একটা সুন্দর সুগন্ধি পায় অভিরূপের জামা থেকেই আসছিল সেটা ।এরপর তারা ছদ্মবেশে পৌঁছায় সেই ভান্ডারগঞ্জের এলাকায়। এখানে তো রুদ্র আগে থেকেই সমস্ত কিছু সেটিং করে রেখেছে। সেখানে প্রীতম কুমারও হাজির থাকে। একটি নাইট ক্লাবের মধ্যে ফুলকি রোহিত এবং রুদ্র ছদ্মবেশে উপস্থিত হয়। আর ওই নাইট ক্লাবে গিয়ে ফুলকি ওই একই গন্ধ পায় যেটা অভিরূপের জামা থেকে সে পেয়েছিল। ফুলকির মনে একটু খটকা লাগে, কিন্তু অতটা গুরুত্ব দেয় না ফুলকি। তারপরই প্ল্যান মতন ফুলকিদের উপর আক্রমণ হয় কিন্তু ফুলকি রোহিত লড়াই করে ওই প্রীতম কুমারকে ধরে নেয় এবং ফুলকি প্রীতম কুমারকে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে পাকড়াও করে। এই প্রীতম কুমারের মতই হাতে ধাতব অস্ত্র পরে তাকে ঘুষি মেরে ভয় দেখায়। ভয়ে প্রীতম কুমার মুখ খুলতে বাধ্য হয়। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

