দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়ে ফিরে এলো অতীতের শত্রু! পুরোনো পাপের শাস্তি দিতে নতুন ফন্দি আঁটলো ফুলকি! পাশে আছে অরণ্যকে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

দর্শকদের মাঝে বাংলার জনপ্রিয় কিছু ধারাবাহিকের (Bengali Serial) মধ্যে অন্যতম একটি হল ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই রমরমিয়ে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। শুরুর প্রথম দিন থেকেই নিজের এই জায়গা তৈরি করে রেখেছিল ধারাবাহিকটি। সেই জায়গা আজও ধরে রেখেছে ফুলকি। কখনো নিজের জায়গা ছাড়েনি।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ফুলকির বিশ্বাস মেদিনীপুরে কোথাও একটা লুকিয়ে রয়েছে রুদ্র। রুদ্রর ডেরাগুলোতে এবং রুদ্রর কাছের মানুষজনদের জিজ্ঞাসা করলেই সব কথা জানা যাবে। এদিকে পরের দিন মা কালীর কাছে পুজো দিতে যায় ফুলকি। ফুলকি জানে আর কেউ জানুক না জানুক মা কালী ঠিকই ফুলকিকে পথ দেখাবে। ফুলকি কখনো মা কালীর কাছে গিয়ে খালি হাতে ফিরে আসে না। তাই এবার মা কালী ফিরিয়ে দেবেনা।

এদিকে মা কালীর থানে এসে উপস্থিত হয় রিকি। তার দাদা জেলে যাওয়ার পর থেকে রিকি সাধিকা হিসেবে নিজের নতুন জীবন বেছে নিয়েছে এবং একটি নতুন আশ্রম খুলেছে। সেখানেই নানান মহিলা সাধিকাদের নিয়ে থাকে রিকি। আর পাশাপাশি আড়ালে অসাধু কাজও চালায়। রুদ্র রিকির কাছে আশ্রয় নিয়েছে ধরা পড়ার পর। রুদ্রকে পুলিশের লোকজন ও ফুলকি খুঁজে বেড়াচ্ছে হন্যে হয়ে। তাই জন্য বাধ্য হয়ে রিকির কাছে আশ্রয় নিতে এসেছে সে। রিকি কথা দিয়েছে দাদাকে সম্পূর্ণভাবে সাহায্য করবে। রুদ্রকে এখন দেশ ছেড়ে পালাতে হবে। তাই তার জন্য প্রয়োজন অনেক টাকা। আর সেই মায়ের থানে লুকানো টাকায় আনতে গিয়েছে রিকি।
এদিকে সকলেই জানে ওই মায়ের থান কতটা জাগ্রত, রুদ্র সেখানে মানত করতে যেত। তাই ফুলকি জানে ওইখানে গেলেই সে কোন না কোন সূত্র ঠিকই পাবে। তারপর সেই থানে পুজো দেওয়ার পরেই ফুলকির মুখোমুখি হয় রিকি। একেবারে সাধিকা বেশে ফুলকির সামনে হাজির সে। ফুলকি তো রিকিকে দেখে ঠিকই চিনতে পারে। কিন্তু রিকির আশেপাশে শিষ্যরা তাকে মা অভয়াশ্বরী বলে পরিচয় দেয়। কিন্তু ফুলকির কিছুতেই বিশ্বাস হয় না। অংশু তমাল সবাইকে ফুলকি জানায় এক্ষুনি রিকিরকে ফলো করে ওই আশ্রমে যেতে হবে। তাহলেই রুদ্রকে খুঁজে পাবে তারা। ফুলকির বিশ্বাসমা কালী সঠিক দিকে ইঙ্গিত দিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘উত্তম কুমার খুব ভালো সময় চলে গিয়েছেন…’- মহানায়ক সম্পর্কে হঠাৎ কেন এমন দাবি করলেন অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী?
কিন্তু অংশু জানায় তার কাছে কোন ওয়ারেন্ট নেই তাই এভাবে কোথাও গিয়ে আচমকা তারা উপস্থিত হতে পারেনা। কিন্তু ফুলকি কোন কথাই শোনে না। তমাল, পিয়াল অরণ্যকে নিয়ে চলে যায় রিকির আশ্রমে। তারপর সেখানে গিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করে রুদ্রকে খুঁজে বার করার চেষ্টা করে। কিন্তু আশ্রমের সাধিকারা সেখানে ভিডিও বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করে দেয়। যার ফলে ফুলকির ব্যক্তিত্বের ওপর একটা প্রশ্ন ওঠে। ফুলকি একজন ক্রীড়া মন্ত্রী সে কিভাবে এই ধরনের কাজ করতে পারে সেই নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু ফুলকির সম্পূর্ণ বিশ্বাস রুদ্রকে রিকি লুকিয়ে রেখেছে। তাই খুব তাড়াতাড়ি রুদ্র অবধি পৌঁছাতে পারবে তারা। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

