ফুলকিকে সিংহাসনচ্যুত করতে ভয়ংকর কান্ড ঘটালো ছোট রাণী! সত্যি-মিথ্যে প্রমাণের লড়াইয়ে নতুন রূপে ফুলকি!

প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় (TRP List) বাজিমাত করছে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি (Phulki)। ধারাবাহিকে প্রতিদিনই থাকছে টানটান উত্তেজনা পর্ব। বর্তমানে তো প্রতিদিনই ধারাবাহিকের দুর্ধর্ষ পর্ব দেখতে পাচ্ছেন দর্শক। ধারাবাহিকে দেখানো হয়েছে কিছুদিন আগেই প্রমাণ হয়ে গেছে যে রাজমহলের উত্তরাধিকারী ফুলকি এবং ওই সাধক শ্যামাচরণই আসলে স্টেটের বড় রাজা। ফুলকির বুদ্ধির কাছে হার মানতে হয়েছে ছোট রাণীকে। কিন্তু বিপদ এখনো কাটেনি। ফুলকিকে দমন না করা পর্যন্ত থামবেন না ছোট রাণী। তাই ধারাবাহিকের আগামী পর্বগুলো আরো উত্তেজনাপূর্ণ হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, পরের দিন যখন ধুমধাম করে নৃসিংহ দেবের পুজো করা হচ্ছিল তখন সিংহাসনে বসে থাকা বড় রাজার দিকে একজন সাধক আঙ্গুল তুলে তাকে শ্মশানচারীর তকমা দেয়। তার জন্য নৃসিংহ দেবের মন্দির অপবিত্র হয়ে গেছে বলে দাবি করেন। তিনি জানিয়ে যান নৃসিংহ দেব জাগ্রত হয়েছেন, এবারে এই রাজ্য শ্মশানে পরিণত হবে মৃত্যু হবে একের পর এক রাজ্যবাসীর।

ওই সাধকের বলে যাওয়া কথাতে প্রত্যেকেই ভয় পেয়ে যান। সত্যি যদি নৃসিংহ দেব অসন্তুষ্ট হন তাহলে রাজ্যের বড় বিপদ। ছোট রাণী তো এই ঘটনাকে আরও উস্কে দেয়, সকলের মনে ভয় ধরিয়ে দেয়। কিন্তু রাজমহলের বহু পুরনো গুরুদেব জানান একটি বিশেষ পুজোর মাধ্যমে নৃসিংহ দেবকে সন্তুষ্ট করতে হবে। তাহলে এসব বিপদ কেটে যাবে। নৃসিংহ দেব কখনোই নিজের সন্তানদের ক্ষতি চায় না। ফুলকির মনে সন্দেহ হয় ছোট রাণীকে নিয়ে। বড় রাজা এবং ফুলকিকে এই রাজ্য থেকে তাড়ানোর জন্যই ছোট রাণী হয়তো নতুন কোন চালাকি করছেন।
রাজমহলের গুরুদেব যখন আশ্রমে ফিরে যাচ্ছিলেন পুজোর সামগ্রী আনার জন্য তখনই সেখানে অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করেন। তিনি নৃসিংহ দেবের নাম নিতে নিতেই এগোচ্ছিলেন সামনের দিকে। কিন্তু ঘন জঙ্গলে তিনি কিছুই ঠিকমতন ঠাওর করতে পারছিলেন না। এরপর হঠাৎ তার উপরে আক্রমণ করা হয়। আর সেই রাতেই ফুলকি জঙ্গলের দিক থেকে সিংহের গর্জন শুনতে পায়। আর সেই আওয়াজে ফুলকির ঘুম ভেঙে যায়। ফুলকি রোহিতকে ঘুম থেকে টেনে তোলে তারপর সবটাই জানায়। কিন্তু রোহিত ফুলকির মনের ভুল বলে ফুলকিকে আটকে রাখে। পরের দিন সকালে ধানু এসে জানায় জঙ্গলে কোন বড় বিপদ হয়েছে। তারা সবাই সেখানেই যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ‘ওরা নামেই বাঙালি…টলিউডের চ্যাটার্জি হলো দুর্নীতির স্তম্ভ! ওর জন্যই বাংলা ইন্ডাস্ট্রি নষ্ট হচ্ছে!’— এবার প্রসেনজিতের দিকে সরাসরি তোপ দাগলেন শ্রীলেখা মিত্র!
এরপর জঙ্গলে গিয়ে দেখা যায় ওই গুরুদেব কাল রাতেই মারা গিয়েছেন। সেখানে পুলিশ জায়গাটা ঘিরে রেখেছে। পুলিশের লোকজন আন্দাজ করছে কোন হিংস্র জন্তু ওই গুরুদেবের উপরে আক্রমণ করেছিল। কিন্তু ওই জঙ্গলে কিভাবে হিংস্র কোন পশু আসবে সেটাই বুঝতে পারছে না কেউ। ছোট রাজা, ফুলকি সকলে এসে গুরুদেবকে আইডেন্টিফাই করে। ছোট রাণী তো এই ঘটনাকে ঘিরেই সকলের মনে আরো ভয় ধরিয়ে দেয়। কিন্তু ফুলকি গ্রামবাসীদের শান্ত করে বোঝায় নৃসিংহ দেব কখনো কারো ক্ষতি করতে পারে না। এর পেছনে বড় কোন রহস্য রয়েছে। আর সেই রহস্য ভেদ করবে ফুলকি। এদিকে পরের দিন আবারো ওই রাতের অন্ধকারে আরও একটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ফুলকিকে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেয় স্বাগতা ম্যাডাম। ফুলকি বুঝতে পারে এই সমস্তটাই ষড়যন্ত্র। ফুলকি এবং বড় রাজা যাতে মাথা তুলে এই রাজ্যে দাঁড়াতে না পারে, তার জন্যই এই এত কাণ্ড ঘটাচ্ছে ছোট রাণী। কিন্তু ফুলকিও প্রতিজ্ঞা করে সে বা তার বাবা কেউই এই বদনাম নিয়ে বাঁচবে না।

