ফুলকিকে চিরনিদ্রায় পাঠাতে ছোটরাণীর নতুন ষ’ড়যন্ত্র! ফুলকিকে সাবধান করতে গিয়ে ভয়ংকর সত্যির সম্মুখীন রোহিত!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক দর্শকদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। টিআরপি তালিকাতেও এই ধারাবাহিকে সবসময় প্রথম পাঁচে দেখা যায়। ধারাবাহিকটিতে প্রতিদিনই টানটান উত্তেজনা পর্ব দেখানো হয়। বর্তমানে প্রতিটি এপিসোডই বেশ জমজমাট হয়ে উঠেছে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়, বড় রাজা এবং বড় রাণী মিলে ফুলকির মাথায় মুকুট পরিয়ে দেয়। ফুলকি বুঝতে পারছিলো ছোট রাণী এসব পছন্দ করছে না। কিন্তু ফুলকি এবার ছোট রাণীকে সবদিক থেকে দমন করার প্রতিজ্ঞা নিয়েছে। ফুলকির অভিষেক হয়ে যাবার পর সকলেই তো ভীষণ খুশি। প্রত্যেকে ফুলকিকে নিয়ে মেতে ওঠে। ওদিকে দূরে দাঁড়িয়ে ইন্দ্র এবং ছোট রাণী সবকিছুই লক্ষ্য করছিল। ফুলকি হঠাৎ করে এসে সবকিছু দখল করে নিল সেটা কিছুতেই মানতে পারছে না ইন্দ্র।
ফুলকির বাবা-মা মানে যারা এতদিন ফুলকিকে বড় করেছে তারাও ফুলকির জন্য ভীষণ খুশি। অবশেষে ফুলকি নিজের আসল বাবা-মাকে খুঁজে পেয়েছে। ফুলকি তো নিজেও এখনো বিশ্বাস করতে পারছে না যে সে রাজমহলের রাজকুমারী। ওদিকে ছোট রাণী আড়াল থেকে সমস্ত কিছু দেখছিল বলে ফুলকি ছোট রাণীকে গিয়ে জবাব দিয়ে আসে, এবার থেকে ছোট রাণীর সমস্ত বেআইনি কাজ অন্যায় ফুলকি দমন করবে। আর ছোটরাণীর থেকে এমএলএ পদও ছিনিয়ে নেবে।
এদিকে ঘরে গিয়ে ফুলকি আয়নায় নিজেকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়। তার কপালে এত সুখ আছে সে এখনো বিশ্বাস করতে পারছে না। নিজেকে ভালো মতো আয়নায় দেখতে থাকে ফুলকি। আর ফুলকির এসব পাগলামি দেখে ফেলে রোহিত। রোহিত এবং ফুলকির মধ্যে মিষ্টি মুহূর্ত তৈরি হয়। রোহিত ফুলকিকে নিয়ে গর্বিত সে কথাও বলে। আর ফুলকির যে কোন কাজে রোহিত সব সময় তার পাশে থাকবে। পরেরদিন ফুলকির মা-বাবার রাজমহল থেকে বিদায় নেওয়ার সময় তাদেরকে রাজমহলের খাবার টেবিলে দেখে ছোটরাণী তো ভীষণ বিরক্ত হয়। বিশেষ করে ফুলকির বাবার চা খাওয়ার ধরন দেখে তাকে অপমান করে ইন্দ্র। কিন্তু ইন্দ্রর অপমানের জবাব দিতে ফুলকি, তমাল, পিয়াল, রোহিত এমনকি ছোট রাজা পর্যন্ত ফুলকির বাবার পদ্ধতিতে চা খায় যার ফলে সেখান থেকে অপমানিত হয়ে চলে যান ছোট রাণী এবং ইন্দ্র।
আরও পড়ুনঃ ‘কিছুই তো জানিস না, কি সেবা দিবি? কোন হরিদাস পাল তোরা?’ রাজনীতিবিদ অভিনেতাদের সরাসরি আক্রমণ শুভাশিস মুখোপাধ্যায়ের!
তারপর বড় রাণী এসে ফুলকির মা-বাবাকে অনেক করে ধন্যবাদ জানায় এতদিন ফুলকিকে যত্ন করে বড় করার জন্য। ফুলকি যে কখনো তাদেরকে ভুলে যাবে না সেই কথাও দেয়। এদিকে পরের দিন যখন ধুমধাম করে নৃসিংহ দেবের পুজো করা হচ্ছিল তখন সিংহাসনে বসে থাকা বড় রাজার দিকে একজন সাধক আঙ্গুল তুলে তাকে শ্মশানচারীর তকমা দেয়। তার জন্য নৃসিংহ দেবের মন্দির অপবিত্র হয়ে গেছে বলে দাবি করেন। আর ফুলকি স্বপ্নে নৃসিংহ দেবের মন্দির নিয়ে রহস্যজনক স্বপ্ন দেখে। এবার দেখা অপেক্ষা ফুলকি এই রহস্য সমাধান করতে পারে কিনা।

