বিপদের মুখে পারুল-রুকু! কিডন্যাপারদের নতুন চালে থমকে গেল পারুলের জীবন! স্ত্রীকে বাঁচাতে কি করবে রায়ান?

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, জেল থেকে বাড়ি ফিরে শিরিন তার জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি পায়। বিপদের দিনে তার মা তার পাশে দাঁড়ায়নি এবং জেলে থাকার সময় একবারও খোঁজ নেয়নি। উল্টো বাড়ি ফেরার পর নিজের মায়ের কাছ থেকেই তাকে চরম অপমান ও থাপ্পড় সহ্য করতে হয়। মায়ের এই নিষ্ঠুর আচরণের পর সে বুঝতে পারে যে, যাকে সে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করেছিল সে-ই তাকে বিপদের দিনে একা ফেলে দিয়েছে, আর যাদের বিরুদ্ধে এতদিন লড়াই করে এসেছে তারাই কঠিন সময়ে সাহায্য করেছে।

অন্যদিকের বসু পরিবারে আনন্দের হাওয়া বয়ে আনে টগর, কারণ সে সাপোর্ট নিয়ে আবার হাঁটা শুরু করেছে। কিন্তু এরই মাঝে পারুল ও রায়ানের মধ্যে নতুন এক দূরত্ব তৈরি হয়। চেকআপে যাওয়ার সময় পারুল রায়ানকে সঙ্গে যেতে বারণ করে এবং জানিয়ে দেয় যে, সন্তানের বিষয়ে সে কোনো বন্ধুকে জড়াতে চায় না কেবল বাবা হলে ভেবে দেখত। পারুলের এই একটি কথাই রায়ানকে ভেতর থেকে নাড়িয়ে দেয়, কারণ এতদিন ধরে নিজের সত্যি ও আসল অনুভূতি চেপে রাখার কঠিন মাশুল সে এবার টের পেতে শুরু করেছে।

ঘটনার নেপথ্যে সংযুক্তা তার নতুন চাল চালতে শুরু করেছে। সে শিঞ্জিনীকে স্পষ্ট নির্দেশ দেয়, পারুল যেন কোনোভাবেই শিরিনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে সে শিঞ্জিনীকে পরামর্শ দেয়, ঠান্ডা মাথায় শিরিনকে বুঝিয়ে যেন নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজে লাগানো হয়।

এরই মাঝে টগরের শারীরিক উন্নতি সত্যিই চোখ পড়ার মতো সে এখন নিজের চেষ্টায় হাঁটছে এবং সুন্দরভাবে কথা বলছে। তবে রায়ান নিজের অনুভূতি মেনে না নিয়ে পারুলের কেবল ‘বন্ধু’ হয়েই থাকতে চাওয়ায়, পারুল বাধ্য হয়ে রুকুকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যায়। আল্ট্রাসোনোগ্রাফির পর ডাক্তার জানান মা ও সন্তান দুজনেই ভালো আছে, তবে সাথে একটি রহস্য উস্কে দিয়ে বলেন যে তাদের জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে, যা কেবল ডেলিভারির দিনই জানা যাবে।

আরও পড়ুনঃ হাসপাতালে কান্নায় ভেঙে পড়ল গুহ পরিবার! রাজু-ঝিনুকের সম্পর্ক মেনে নিতে পারছে না সম্রাট! ‘কমলা নিবাস’-এ ঝড়ের পূর্বাভাস!

আগামী পর্বে পরিস্থিতি এক ভয়ংকর মোড় নেয়, যখন রুকু ও পারুল বুঝতে পারে যে তারা অপহৃত হয়েছে। প্রথমে পারুল ভেবেছিল টাকার জন্য এই অপহরণ, কিন্তু আসল সত্যিটা সামনে আসতেই সবাই চমকে ওঠে অপহরণকারীরা তাদের দুজনকেই নিলামে তোলার পরিকল্পনা করেছে। অন্যদিকে রায়ান বুঝতে পারে পারুল নিশ্চয়ই বিপদে পড়ে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। এখন পারুলকে খুঁজে বের করে বাঁচানোর জন্য রায়ান কতটা দ্রুত এগোতে পারে, সেটাই দেখার বিষয়।

Back to top button