ফিনিক্স ০০৭-এর নতুন ধামাকা! অপরাধীদের জব্দ করতে পারুলের তুরুপের তাস ‘ব্রাজিলিয়ান হিরে’! নতুন মিশনে নেমে কোন বিপদ ডেকে আনলো তারা?

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বুদ্ধিমান নাড়ু দা এক দারুণ ফন্দি এঁটে রায়ান আর পারুলকে দুটি বস্তার ভেতরে লুকিয়ে সরাসরি বসু বাড়িতে নিয়ে আসে। বাড়ির লোকজনের মনে যাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ না জাগে, তাই সে বেশ মজার ছলে সবাইকে সাবধান করে বলে যে, বস্তার মধ্যে ডাল রয়েছে। তাই এগুলোকে খুব সাবধানে ধরতে হবে, একটু ফেটে গেলেই কিন্তু মস্ত বড় বিপদ! আপাতদৃষ্টিতে পুরো বিষয়টা বেশ হাসির মনে হলেও, এর পেছনে লুকিয়ে ছিল রায়ান আর পারুলকে নিরাপদে বাড়ির ভেতরে পৌঁছে দেওয়ার এক দুর্দান্ত ও গোপন পরিকল্পনা।

বাড়ির ভেতরে নিরাপদে ঢোকার পর বস্তা থেকে বেরিয়েই পারুল এক মুহূর্তও সময় নষ্ট করতে রাজি হয় না। সে সবাইকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, তাদের আসল মিশন এখন থেকেই শুরু করতে হবে। কারণ দেশের অমূল্য সম্পদকে শত্রুদের হাত থেকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনতে পারলেই কেবল তার বাবা-মায়ের নির্দোষ হওয়ার সত্যটি সবার সামনে প্রমাণ করা সম্ভব। আর সেই সত্য প্রকাশের হাত ধরেই অবশেষে তার মা সসম্মানে নিজের ঘরে ফিরে আসতে পারবে।

কিন্তু পারুলের এই দৃঢ় সংকল্পের মাঝেই হঠাৎ করে পুরো পরিস্থিতি এক লহমায় বদলে যায়। ঠিক তখনই বসু বাড়ির সদর দরজায় প্রচণ্ড জোরে ধাক্কার শব্দ শোনা যায় এবং বাইরে থেকে কেউ গম্ভীর গলায় চিৎকার করে হুঁশিয়ারি দেয়, “দরজা খুলুন… আমরা পুলিশ!” পুলিশের এই অতর্কিত আগমন ও গমগমে কণ্ঠস্বর শুনে বাড়ির ভেতরে থাকা প্রত্যেকে এক মুহূর্তের জন্য একেবারে স্তব্ধ ও হতবাক হয়ে যায়।

তবে এই টানটান উত্তেজনার মাঝেই আগামী পর্বে দেখা যাবে এক দারুণ মজার ও মিষ্টি দৃশ্য। মিশনের কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ করেই বাথটাবে পড়ে যায় রায়ান। আর তাকে সামলাতে গিয়ে পারুলও ভারসাম্য হারিয়ে ঠিক তার ওপর গিয়ে পড়ে। পরিস্থিতি যেমন হাসির, ঠিক তেমনই এই আকস্মিক ঘটনায় দুজনের মিষ্টি রসায়নও আরও একবার দর্শকদের নজর কাড়বে।

আরও পড়ুনঃ সব কষ্ট ভুলে পল্লবীকে আগলে রাখার অঙ্গীকার আদিত্যর! সব শুনে কি বলল পল্লবী? শেষ পর্যন্ত কি এক হতে পারবে তারা? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

অবশ্য এই মজার মুহূর্তটি খুব বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয় না। পারুল দ্রুত নিজেকে সামলে নিয়ে রায়ানকে মনে করিয়ে দেয় যে, দেশের অপরাধীদের ধরতে হলে এবার তাদের কাজটা শেষ করতেই হবে। এরপর পারুল তাদের আইডি কোড জানতে চাইলে রায়ান জানায়, তাদের কোড হলো “ফিনিক্স ০০৭”। আর সেই কোড শোনা মাত্রই পারুল মনে নতুন জোর পেয়ে তার পরবর্তী পরিকল্পনা শুরু করে দেয়; তার মুখে এখন একটাই জেদ, “এবার হবে মিশন ব্রাজিলিয়ান হিরে।”

Back to top button