পারুলকে জব্দ করতে গিয়ে শাশুড়ি নিজেই কুপোকাত! সবার বিরুদ্ধে গিয়ে পারুলের পাশে রায়ান! এবার জমবে আসল খেলা!

পারুলের মাথা উঁচু করে বাঁচার গল্প নিয়ে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে পরিণীতা (Parineeta)। দর্শকমহলে এই ধারাবাহিকের (Bengali Serial) জনপ্রিয়তা অনেক। তার প্রমাণ পাওয়া যায় টিআরপি তালিকায় বারবার। নিজের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে পরিণীতা। যত দিন যাচ্ছে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা আরো বাড়ছে। বর্তমানে তো ধারাবাহিকে টানটান উত্তেজনা পর্ব চলছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শিরিন ফোন করে রায়ানের মাকে জানিয়ে দেয় কম্পিটিশনের কথা। রায়ানের মা শিরিনকে মল্লারের বিয়ের কথা জানিয়ে দেয়। ওদিকে রায়ান পারুল যখন কম্পিটিশন নিয়ে কথা বলছিল তখন মল্লার এসে জানায় সে একদম ভালো পরীক্ষা দেয়নি। সাদা খাতা জমা করে এসেছে। এই কথা শুনে তো রায়ান পারুল অবাক। তাহলে এতক্ষণ ধরে মল্লার কি করলো জানতে চায় তারা। মল্লার প্রথমে বলতে একটু লজ্জা পাচ্ছিল। কিন্তু তারপর দুজনে মিলে জোর করায় মল্লার বলে তার বারবার টগরের কথা মনে পড়ছিল।

মল্লারের মুখে এই কথা শুনে অবাক হয়ে যায় রায়ান পারুল। তারা ভাবতেও পারেনি। এদিকে রায়ানের মা এসে টগরকে জানায় পারুলের ইউনিভার্সিটিতে সামনে পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষায় পাশ করলে পারুল বিদেশে চলে যাবে। যেভাবেই হোক পারুলকে বিদেশ যাওয়া থেকে আটকাতে হবে। রায়ানের মা এবারে টগরের সাথে প্ল্যান করে পারুলের মনোযোগ নষ্ট করার প্ল্যান করে। টগর নিজের শয়তানি বুদ্ধি কাজে লাগায়।

Zee Bangla Parineeta episode 31 August

ওইদিকে পারুল তো পড়াশোনা করতে ব্যস্ত। তখনই হঠাৎ করে রায়ানের মা এসে পারুলকে জানায় তার বোনের অনেক জ্বর সে যেন এক্ষুনি যায় টগরের কাছে। বোনের জ্বর শুনে তো পারুল ছুটে যায়। গিয়ে দেখে টগরের অনেক জ্বর, সঙ্গে সঙ্গে বোনের সেবায় লেগে পড়ে পারুল। টগর ভাবে তার দিদি হয়তো সবাইকে দেখানোর জন্য সবার কাছে ভালো হওয়ার জন্য এই নাটকগুলো করছে। কিন্তু পারুল যে মন থেকে করছে সেটা কোনদিনও বুঝতেই পারল না টগর। এদিকে আসলে তো টগরের জ্বর হয়নি। টগর রসুনের সাহায্যে জ্বরের নাটক করছে। টগরের জ্বরের কথা শুনে মল্লার রায়ান সকলেই ছুটে আসে তাকে দেখতে। মল্লারের মায়ের তো এসব আদিখ্যেতা একেবারেই পছন্দ হয় না। জোর করে তিনি টানতে টানতে নিয়ে যায় মল্লারকে।

পারুল সবাইকেই যে যার কাজে চলে যেতে বলে। সারারাত ধরে পারুল বোনের পাশে থাকে। তার সেবা করে। টগর ঘুমিয়ে পড়েছে দেখে পারুল যেই একটু পড়াশুনা করতে বসেছে অমনি টগর আবার নাটক করতে শুরু করে। বোনের নাটক তো ধরেই পারে না পারুল। কিন্তু টগরের গা থেকে বিদঘুটে গন্ধ ছাড়তে থাকে। পারুল অত পাত্তা দেয় না। সকালবেলায় টগর আবার নাটক শুরু করে। বোনের জন্য তাই গরম জল নিয়ে আসার ব্যবস্থা করে পারুল। আর রান্নাঘরে যেতে গিয়েই শোনে মল্লারের মা চিৎকার চেঁচামেচি করছে রসুন নেই বলে। এদিকে বাজার থেকে গতকাল রসুন আনা হয়েছে। এই কথা শুনেই পারুলের সব সন্দেহ কেটে যায়। পারুল প্রথমে তো বুঝতেই পারেনি। কিন্তু টগরের গা দিয়ে উটকো গন্ধ পাচ্ছিল। পারুল বুঝতে পারে টগর তার পড়াশোনার ক্ষতি করতেই এই নাটক করেছে।

আরও পড়ুনঃ মুখোমুখি ফুলকি-শিনা! প্রতিপক্ষের ঘুষির আঘাতে কুপোকাত ফুলকি! শেষ মুহূর্তে উল্টে গেল বাজি!

তারপর ঘরে এসে পারুল বিছানা থেকে টগরকে টেনে তোলে। তারপরে টানতে টানতে সকলে সামনে নিয়ে এসে জানায় টগর পুরোটাই নাটক করছে সকলকে বিভ্রান্ত করার জন্য। এরপর সকলের সামনে দেখায় টগর নিজের শরীরে রসুন রেখে জ্বরের নাটক করছিল। এ কথা শুনে তো সকলেই অবাক হয়ে যায়। কেউ বুঝতে পারেনি টগর এরকম। এরপরে পারুল জানায় শুধু টগর নয় রায়ানের মাও এই কাজে টগরের পাশে ছিল। পারুলের ক্ষতি করার জন্য তিনি এবং টগর মিলে এই কাজ করেছে। এই কথা শুনে মল্লারের রেগে যায়। তারপর দুজনের মধ্যে শুরু হয় ঝগড়া। সেই সুযোগে পারুল পড়াশোনা করতে চলে যায়। রায়ান এসে পারুলকে বলে সে ইচ্ছে করেই ঝগড়া লাগালো যাতে সে পড়াশোনা করতে পারে। কিন্তু রায়ানের মা তো হাল ছাড়ার পাত্রী নয়। সেও পারুলকে জব্দ করার জন্য একগাদা বাসন মাজতে বলে। কিন্তু পারুলের বিপদে পারুলের পাশে এসে দাঁড়ায় রায়ান। সেও পারুলকে সাহায্য করে দেয়। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button