ষ’ড়যন্ত্রের শিকার পারুল! মাথায় মিথ্যে খু’নের অভিযোগ! পারুলকে বাঁচাতে ছুটে এলো রায়ান!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে পারুল রায়ানের একসাথে থাকা নিয়ে শুরু হয়েছে বিরাট সমস্যা। তারা যে করেই হোক একে অপরের থেকে ডিভোর্স চায়। কিন্তু দাদু সেটা প্রথমে কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি। তবে এবারে দাদু নিজে রায়ান আর পারুলের ডিভোর্স দিতে চায়। কিন্তু দাদুর একটা বিশেষ শর্ত আছে। দাদু রায়ান পারুলকে জানিয়ে দেয় ডিভোর্স হওয়ার ৬ মাস পর্যন্ত তাদের একসাথে থাকতে হবে আর এই ৬ মাস একে অপরের কোনো বিপদে সাহায্য করতে পারবে না।

Parineeta, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Ishani Chatterjee, Uday Pratap Singh, Dron Mukherjee, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, দ্রোণ মুখার্জি, ঈশানি চ্যাটার্জী, উদয় প্রতাপ সিং

পারুল রায়ান দাদুর এই শর্তেই রাজি হয়ে যায়। কিন্তু এদিকে শিরিনের মা তো পারুলকে ফাঁসানোর জন্য নতুন প্ল্যান করছে। পারুলের গ্রামের এক লোককে পারুলের বিরুদ্ধে উস্কে দিয়েছে। সে পারুলের বাড়িতে এসে হুমকি দিচ্ছে ভয় দেখাচ্ছে। ২ লক্ষ টাকা পায়নি বলে পারুলের কাছে সেই টাকা চেয়ে বসে। পারুল দিতে অস্বীকার করে তাই পারুলের বাবার উপর হামলা করে। তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। আর তাতেই মাথা ফেটে যায় পারুলের বাবার। এদিকে রায়ানের প্রচণ্ড পরিমাণে রাগ হওয়া সত্ত্বেও রায়ান দাদুর শর্ত মেনে কিছুই করতে পারে না।

তবে পারুল অন্যায়ের প্রতিবাদ করে ওঠে। পারুল বটি নিয়ে তেড়ে আসে মারার জন্য। পারুলের রুদ্রমূর্তি দেখে সবাই ভয় পেয়ে যায়। কিন্তু শম্ভুর দোষ আছে, পারুলের বাবা গুরুজন তার গায়ে হাত তোলা একেবারে উচিত হয়নি। আসলে এই সব শিরিনের মায়ের প্ল্যান। শিরিনের মায়ের প্ল্যান মতন সবটা হচ্ছে। সকলেই শিরিনের মায়ের সাথে হাত মিলিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ডিএনএ টেস্ট করাতে গিয়ে শত্রুকে চিনে ফেলল ফুলকি! সঙ্গে সঙ্গে পেতে ফেললো নতুন ফাঁদ! অজান্তেই ফাঁদে পা দিল শয়তান রুদ্র!

কিন্তু রায়ান সেইসময় শম্ভুকে শাস্তি দিতে না পারলেও ঠিক বাড়ির বাইরে শম্ভুকে বস্তা বন্ধি করে মারে। আর সেটা আড়াল থেকে দেখে নেয় দাদু। তিনি ভালো মতনই জানেন রায়ান পারুল একে অপরের বিপদ দেখলে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাই ইচ্ছে করেই তিনি অমন শর্ত রেখেছিলেন। এদিকে পরেরদিন পারুল শম্ভুদের বাড়ি গেলে শম্ভু মাটিতে পড়ে আছে দেখে ভয় পেয়ে যায় পারুল। পারুলের উপর মিথ্যে খুনের দায় চাপায় সকলে। রায়ান সেই সময় এসে পারুলকে উদ্ধার করে নিয়ে পালায়।

Back to top button