মায়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেল পারুল! শেষ মুহুর্তে বাধা হয়ে দাঁড়ালো শিরিন আর তার মা! পারুলকে খু’ন করার সিদ্ধান্ত নিলো তারা!

পারুলের মাথা উঁচু করে বাঁচার গল্প নিয়ে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে পরিণীতা (Parineeta)। দর্শকমহলে এই ধারাবাহিকের (Bengali Serial) জনপ্রিয়তা অনেক। তার প্রমাণ পাওয়া যায় টিআরপি তালিকায় বারবার। নিজের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে পরিণীতা। যত দিন যাচ্ছে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা আরো বাড়ছে। বর্তমানে তো ধারাবাহিকে টানটান উত্তেজনা পর্ব চলছে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পারুলের পাশাপাশি রায়ানও এই কথা জানতে পারে। পারুল রায়ানকে বলে সে নিজের মায়ের খোঁজ করতে চায়, একবার তাকে দেখতে চায়। সেজন্য রায়ানের সাহায্য লাগবে। রায়ান তো কথা দিয়েছে পারুলকে সাহায্য করবে তাই সব রকম ভাবে খোঁজখবর নিতে শুরু করে তারা। শিরিন বুঝতে পারে পারুল ইতিমধ্যে খোঁজখবর শুরু করে দিয়েছে।
পারুল প্রথম দিন রায়ানের সাথে চারিদিকে খোঁজ খবর করার পরেও সেরকম কোন তথ্য হাতে পায়নি। তাই একটু মন খারাপ। কিন্তু পারুলকে ভরসা দেয় রায়ান। তারপরে পারুলকে নিয়ে চলে যায় একটি ক্যাফেতে। ওদিকে পারুলও বাড়িতে ফিরছে না দেখে রায়ানের মা চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দিয়েছে। পারুল ঘরের কাজ করে তারপরে বাইরে বেরোবে এই শর্ত দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে পারুল ঘরের কাজ করার পরেও তাকে দিনরাত কিভাবে বিপদে ফেলা যায় সেই প্ল্যান করছে।
তারপর রায়ান যখন পারুলকে নিয়ে একটা ক্যাফেতে গিয়ে ওই ডাকাত দলকে নিয়ে আলোচনা করতে থাকে তখনই পারুলের সামনে এসে হাজির হয় শিরিনের বাবা। তিনি জানান ওই ডাকাত দলের সর্দারকে তিনি চেনেন। পারুল শিরিনের বাবাকে ভরসা করে সবটা বলে। শিরিনের বাবা তখন তাদের দুজনকে বাড়িতে নিয়ে যায়। ওদিকে শিরিন তো পারুলকে কিভাবে আটকাবে সেটাই বুঝতে পারে না। মায়ের সাথে প্ল্যান করতে থাকে। শিরিনের মা বলে পারুল কোনভাবে তার মাকে খুঁজে পাবে না। আর ঠিক তখনই রায়ানের মা ফোন করে শিরিনকে।
আরও পড়ুনঃ ‘আলমারি থেকে গড়িয়ে পড়ছে মধু…চেখে দেখি অমৃত!’- মমতা শঙ্করের বাড়িতেই সাইবাবার অবস্থান! অলৌকিক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অভিনেত্রী!
পারুলের ক্ষতি করতে গিয়ে পুরো ব্যাপারটা ঘেঁটে দিয়েছেন তিনি। এই নিয়ে রায়ানের মায়ের উপর বেশ কড়া ভাবে কথা বলেছিল। আর ঠিক তখনই পারুল রায়ানকে নিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয় শিরিনের বাবা। শিরিন তো রায়ান পারুলকে তার বাবার সাথে দেখে একেবারে অবাক হয়ে যায়। হাজার একটা প্রশ্ন করতে থাকে তাদের। কেন এসেছে, তার বাবার সাথে কি দরকার এইসব। নিজের মেয়েকে থামিয়ে পারুল এবং রায়ানকে নিয়ে ভিতরে ঢোকে শিরিনের বাবা। তিনি জানায় পারুল নিজের আসল মা বাবার খোঁজ করছে। তাই সেই সম্পর্কে কিছু তথ্য পারলকে জানাতে চায় তিনি। এ কথা শুনে খুব ভয় পেয়ে যায় শিরিন আর তার মা। শিরিনের বাবা বেশ কিছু তথ্য তুলে দেয় পারুলের হাতে। আর বলে পারুল যখন একবার সত্যির সন্ধানে নেমেছে তখন যেন মাঝ পথে থেমে না যায়। এদিকে শিরিনের মা এবং শিরিন প্ল্যান করতে থাকে পারুলকে আটকানোর একটাই উপায় তাকে একেবারে মেরে ফেলতে হবে। দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

