নিজের স্বার্থেই পারুলকে সাপোর্ট করল রায়ান! জলে গেল শিরিনের সমস্ত প্ল্যান!

প্রতিদিনই একটু একটু করে নিজের জায়গাটা দর্শকের কাছে আরো উঁচুতে নিয়ে যাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিক। রাত আটটা বাজলেই টেলিভিশনের পর্দার (Bengali Television) সামনে দর্শক বসে পড়েন এই ধারাবাহিক (Bengali Serial) দেখার জন্য। ধারাবাহিকের একটি এপিসোডও চট করে মিস করতে চান না কেউ। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, প্রফেসরেরা ক্লাসে এসে সকলের সাথে তাদের আগামী প্রজেক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়। তিনদিনের একটা ইন্টার্নশিপ হবে, এক একটা টিমে পাঁচজন করে থাকবে। আর ঘটনাচক্রে শিরিন, রায়ান, পারুল আবারো একই টিমে থাকে। তবে এই ইন্টার্নশিপ শুরু হওয়ার আগেই শিরিনকে সাবধান করে দেয় প্রফেসররা। জানিয়ে দেয় এই ইন্টার্নশিপ এর সময় যদি শিরিন কোনরকম গন্ডগোল করে তাহলে শিরিনকে সারা জীবনের মতো ইউনিভার্সিটি থেকে বের করে দেওয়া হবে। ওদিকে রায়ান মনে মনে চায় এটাই তার কাছে সুযোগ তাকে হারাতেই হবে। তার থেকে বেশি নম্বর পেয়ে সবাইকে দেখিয়ে দিতে হবে।

বাড়িতে এসে তো শিরিন আবারো চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করে দেয়। পারুলকে সে আর এক মুহূর্ত সহ্য করতে পারছে না। ঘরে বাইরে সব জায়গায় পারুল তার জীবনটা একেবারে নষ্ট করে দিয়েছে। ঠিক তখনই শিরিনের বাড়িতে আসে পারুল তার বাবার সঙ্গে দেখা করতে। শিরিনের বাবাই পারুলকে বলেছিল হাসপাতালে থেকে ফেরার পর তাদের বাড়িতে আসতে। তাই পারুল তার বাবার সাথে ফুলের তোড়া নিয়ে দেখা করতে আসে। কিন্তু পারুলকে দরজায় দাঁড় করিয়েই অপমান করতে শুরু করে শিরিন। পারুলকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার হুমকি দেয়। শিরিন যখন পারুলকে অপমান করে বের করে দিতে যাবে তখনই সেখানে এসে উপস্থিত হয় শিরিনের বাবা। তিনি নিজে পারুলকে বাড়ির ভেতরে নিয়ে আসে। শিরিনের এই ব্যবহারের জন্য পারুলের কাছে ক্ষমা চায়। এসব কিছু একেবারেই সহ্য করতে পারছে না শিরিন।

শিরিন জানায় তাদের কলেজ থেকে নতুন ইন্টার্নশিপ শুরু হচ্ছে যে কোম্পানিতে সেখানেও পারুল যাবে। কোম্পানির নাম শুনে শিরিনের মা বলে সেখানকার সিইও তার মায়ের বান্ধবী। আর তিনি ভীষণ সময় মেপে চলেন। এবারে পারুলকে যেভাবেই হোক আটকাতে হবে। পরের দিন রায়ান এবং পারুল দুজনেই নতুন ইন্টার্নশিপ করতে বের হয়। কিন্তু রাস্তায় বেরিয়ে অটোওয়ালা-পারুলকে ভুল রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল পারুল বলার পরও থামাচ্ছিল না। আসলে ওই অটোওয়ালা শিরিনের ঠিক করা। তাকে টাকা দিয়েই পারুলকে ভুল রাস্তা নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। পারুল কিছুটা দূর যাওয়ার পরে বুঝতে পারে সে অফিসের লোকেশন থেকে অনেকটা ভেতরে চলে এসেছে। কি করবে বুঝতে না পেরে পারুল বাধ্য হয়ে চলন্ত অটো থেকে রাস্তায় লাফ দেয় আর তার সামনে একটা বড় গাড়ি এসে পড়ে।

আরও পড়ুনঃ ভেঙে গিয়েছে সহ্যের বাঁধ! মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত আ’ত্মহত্যার পথ বেছে নিল কমলিনী কমলিনী!

রায়ান, শিরিন সকলেই সময়মতো অফিসে ইন্টার্নশিপ করতে পৌঁছে যায়। আর নানান বাধা পেরিয়ে পারলের অফিসে পৌঁছাতে একটু দেরি হয়ে যায়। ওই ম্যাডাম তো পারুলকে গেট থেকেই বাইরে বের করে দিতে চায়। পারুলের কোনো কথাই তিনি শোনেন না। তাকে অফিস থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। কিন্তু রায়ান এসে শেষ মুহূর্তে অনুরোধ করে পারুলকে বের করে না দেওয়ার জন্য। কারণ পারুল ব্রাইট মাইন্ডস্-এর টপার। রায়ানের কথার উপর ভরসা করে পারুলকে আরেকটা সুযোগ দেওয়া হয়। পারল রায়ানকে ধন্যবাদ জানায়। রায়ান জানায় সে নিজের জন্যই পারুলকে সাহায্য করেছে। কারণ পারুল না থাকলে এই কম্পিটিশনটা তার কাছে নুন ছাড়া তরকারির মত। এবারে দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button