পদে পদে বিপদ! রায়ানের ষড়য’ন্ত্রে ইন্টার্নশিপের প্রথমদিনই গাড়ির তলায় চাপ পড়ল পারুল!

এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে টানটান উত্তেজনা পর্ব হচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক প্রতি সপ্তাহে দর্শকদের জন্য নিয়ে আসে নতুন নতুন চমক। ধারাবাহিকের টানটান উত্তেজনা পর্বগুলি তাই একটিও মিস করতে চান না দর্শক। তাইতো টিআরপি তালিকায় সব সময় ভালো ফলাফল করে নিজেদের জায়গায় তৈরি করে নেয় পরিণীতা।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রাস্তায় একটি গাড়ি বেপরোয়া ভাবে পারুলের দিকে ধেয়ে আসে। কোনো রকমে পারুল প্রাণে বাঁচে। কিন্তু সে গাড়ি গিয়ে একটি ল্যাম্পপোস্টে ধাক্কা মারে। পারুল ছুটে গিয়ে দেখে গাড়ির ভেতরে রয়েছে শিরিনের বাবা। পারুল সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিয়ে হাসপাতালে যায় এবং যাওয়ার পথে শিরিনকে ফোন করে জানিয়ে দেয় হাসপাতালে আসার জন্য তার বাবার অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে।

Zee Bangla Parineeta episode 4 August

পারুল হাসপাতালে নিয়ে এলে ডাক্তার সঙ্গে সঙ্গে শিরিনের বাবার চিকিৎসা শুরু করে। পারুল খুবই চিন্তা করতে থাকে, আর ভগবানের কাছে প্রার্থনা করতে থাকে। ওইদিকে রায়ান কলেজের প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছিল আর তখনই পারুল ফোন করে সবটা জানায়। রায়ানও সবটা শুনে চমকে ওঠে। ওইদিকে শিরিনের বাবার অনেকটা রক্ত ঝরে গেছে তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাকে রক্ত দিতে হবে, আর তারজন্য বাড়ির লোক প্রয়োজন। কারণ শিরিনের বাবার ব্লাড গ্রুপের রক্ত সচরাচর পাওয়া যায়না। কিন্তু অবিশ্বাস্য ভাবে পারুল আর তার রক্তের গ্রুপ এক। তাই পারুলই রক্ত দেওয়ার জন্য তৈরি হয়।

তারপর শিরিন আর শিরিনের মা এসে হাসপাতালে। ডাক্তার আগে থেকেই শিরিনের চেনা। তিনি সবটাই বলে শিরিনদের। পারুলের অবদানের কথাও বলে। শিরিন আর তার মা পারুলকে ধন্যবাদ জানায়। কিন্তু শিরিনের মা ভাবতে থাকে পারুলের রক্তের গ্রুপের সাথে শিরিনের বাবার রক্তের গ্রুপ কি করে মিলে গেলো। তারপর তো সাত দিন কেটে যায় সকলেই নিজের মতো ইউনিভার্সিটি জয়েন করে। আর ইউনিভার্সিটিতে সেদিনই গোপাল পারুলের বন্ধুদের জন্য গ্রাম থেকে পাটিসাপটা নিয়ে আসে। পারুলের মা পারুলের জয়ের খুশিতে তার বন্ধুদের জন্য নিজের হাতে বানিয়ে পাঠিয়েছে। সকলের মধ্যেই সেই মিষ্টি ভাগ করে দেয় পারুল। বন্ধুবান্ধবরা সবাই মিলে হই হই করে আনন্দ করে ভাগ করে খায়। শিরিনের বন্ধুরাও নিজেদের লোভ সামলাতে না পেরে এসে পাটিসাপটার উপর হামলে পরে।

আরও পড়ুনঃ ফুলকির সন্দেহের নিশানায় অভিরূপ! ভান্ডারগঞ্জ গিয়ে আসল অপরাধীর পর্দা ফাঁস করলো ফুলকি!

তার কিছুক্ষণ পরেই ইউনিভার্সিটি এসে উপস্থিত হয় শিরিন। বাকি বন্ধুদের মতো পারুল শিরিনকেও পাটিসাপটা দেওয়ার জন্য টিফিন বক্স এগিয়ে দেয়। কিন্তু শিরিন সেই খাবার ছুঁড়ে ফেলে দেয় সকলের সামনে। আর পারুল তো এসব সহ্য করবে না। তার মা কষ্ট করে বানিয়েছে, তার দাদা কষ্ট করে এতদূর নিয়ে এসেছে। সেটা নষ্ট করে দিল শিরিন, খাবার কে অপমান করল। পারুল তো ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নয়। শিরিনকে পাটিসাপটা তুলে খেতে বলে। কিন্তু সোজা কথার মেয়ে নয় শিরিন। পারল নিজেই তারপর ওই পাটিসাপটা তুলে শিরিনের মুখে ঠুসে দেয়। আবার শুরু হয় ঝামেলা। সেই ঝামেলায় শুনে প্রফেসররা নিজেরাই আসে এবং পারুল অভিযোগ করে শিরিনের নামে। শিরিনকে শেষবারের মতো সাবধান করে দেয় প্রফেসাররা। এদিকে পরের দিন রায়ান এবং পারুল দুজনেই নতুন ইন্টার্নশিপ করতে বের হয়। কিন্তু রাস্তায় বেরিয়ে অটোওয়ালা-পারুলকে ভুল রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল পারুল বলার পরও থামাচ্ছিল না। তাই পারুল বাধ্য হয়ে চলন্ত অটো থেকে রাস্তায় লাফ দেয় আর তার সামনে একটা বড় গাড়ি এসে পড়ে। এবারে দেখার অপেক্ষা পারুলের কোন বিপদ হলো কিনা।

Back to top button