দাদুর মাস্টারপ্ল্যান! সত্যবচন সিদ্ধি খেয়ে একি বলল রায়ান! মনের কথা বলাতে গিয়ে উল্টো বিপত্তি? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, সংযুক্তার বাড়ির ওপর কড়া নজর রাখতে গিয়ে পারুল ও রায়ান এক অভাবনীয় সত্যের মুখোমুখি হয়। তারা লক্ষ্য করে, ডাকাতির সময় সক্রিয় থাকা এক গুন্ডা সেখানে মালির ছদ্মবেশে কাজ করছে। পারুল দ্রুত অনিরুদ্ধ স্যার ও রায়ানকে তার সন্দেহের কথা জানায়। রায়ানের প্রাথমিক সংশয় দূর করে পারুল প্রমাণ করে দেয় যে, চোর আসলে ঘরের ভেতরেই অর্থাৎ ‘সর্ষের মধ্যেই ভূত’ লুকিয়ে ছিল। গয়না চুরির আসল হোতা যে এই মালি, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রায়ান পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে বিচলিত হয়ে পড়ে।

এরপর পারুলরা বাগানে তল্লাশি শুরু করলে একটি অদ্ভুত বিষয় নজরে আসে। মালির হাত থেকে একটি টব পড়ে গেলেও সেটি ভাঙেনি। পারুলের সন্দেহ হওয়ায় টবের ওপরের রঙ তুলে দেখা যায় সেটি আসলে সোনার তৈরি। পারুল তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বুঝতে পারে যে, লোকটির পায়ে চোট থাকায় সে বেশি দূরে যেতে পারবে না এবং সে নিশ্চয়ই কামারশালায় সোনা গলাতে যাবে। পারুলের নির্দেশে সবাই আলাদা দলে ভাগ হয়ে অপরাধীকে ধরার অভিযানে নামে।

Parineeta, New promo, Zee Bangla, Bengali Television, Bengali Serial, পরিণীতা, নতুন প্রোমো, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল

সঠিক সময়ে নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে পারুল ও রায়ান সেই অপরাধী মালিকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। মালিটি তাদের ওপর আক্রমণ করার চেষ্টা করলেও রায়ানের তৎপরতায় পারুল রক্ষা পায়। অবশেষে তারা হারানো গয়না উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং অপরাধীকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পারুলের বিচক্ষণতা আর রায়ানের সাহসিকতায় একটি বড় রহস্যের সমাধান ঘটে।

ঘটনার পরদিন দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে দাদু সবার সঙ্গে মিলে রায়ানকে সিদ্ধি খাওয়ানোর এক মজার পরিকল্পনা করেন। তবে দাদু স্পষ্ট করে দেন যে, সাধারণ সিদ্ধি রায়ানের ওপর কাজ করবে না। তার এই রহস্যময় মন্তব্যের পেছনে আসলে একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য লুকিয়ে ছিল। দাদু চাননি কেবল মজা করতে, বরং এর মাধ্যমে তিনি গভীর কোনো সত্য বের করে আনতে চেয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ ‘চাহিদা ভগবানও মেটাতে পারেন না!’ ‘হাতে টাকা এলেই গাড়ি-বাড়ি, তারপর আ’ত্মহত্যা…’ ‘এদের মধ্যে ধৈর্যের অভাব!’ বর্তমান সমাজ নিয়ে বি’স্ফোরক অর্পিতা মুখার্জি!

রুক্মিণীর প্রশ্নের জবাবে দাদু জানান, রায়ানকে ‘সত্যবচন সিদ্ধি’ খাওয়াতে হবে। এই সিদ্ধি খেলে মানুষ শৈশব থেকে জমিয়ে রাখা সব গোপন কথা অবলীলায় বলে দেয়। অন্যদিকে, পারুল সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় রায়ানকে অভিমানী স্বরে জানায় যে, রায়ান তার গায়ে রঙ দিলে সে আর দোল খেলবে না। হাসিকৌতুক আর এই মিষ্টি অভিমানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সত্য ও আবেগগুলো প্রকাশের মাধ্যমেই গল্পটি এক নতুন মোড় নেয়।

Back to top button