দক্ষিণ ভারতে গিয়েও পিছু ছাড়লো না বিপদ! পারুলের বাবাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্ল্যান করলো শিরিনের মা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বিনোদন জগতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ধারাবাহিক (Bengali Serial)। আর এই ধারাবাহিক হলো সাধারণ মানুষের ভালো থাকার অন্যতম মাধ্যম। আর এই ধারাবাহিকগুলোর জন্যই বিকেল বেলাটা জমজমাট হয়ে ওঠে। ধারাবাহিকতে প্রতিদিন থাকে নতুন নতুন চমক। আর দর্শক তা ভালোভাবে উপভোগ করেন। টেলিভিশনের পর্দায় (Bengali Television) এখন নানান ধরনের ধারাবাহিক হয়। এই ধারাবাহিকগুলোর মধ্যে দর্শকদের অন্যতম পছন্দের ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta)।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ঠাকুরমশাইকে সম্মানে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে তারা আবারও তাদের কুলো দেবতার পূজা শুরু করে। বারবার ঠাকুর মশাইকে অনুরোধ করে তাদেরকে কুলো দেবতাকে তুষ্ট করার জন্য। এরপর আবারো ছদ্মবেশে হাজির হয় পারুল আর সোনা ফিরিয়ে আনার উপায় বলে দেয়। পারুলকে ছদ্মবেশে দেখে তার বাবা তো চিনতে পারে। কিন্তু আর কেউ বুঝতে পারেনি। তারপর তো বসু বাড়িতে হইহই করে আনন্দ অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যায়।

পারুল রায়ানের ডাকে সাড়া গিয়ে বসু বাড়িতে হাজির হয়েছে সকলে। নাচে গানে মেতে উঠেছিল বাড়ির সকলে। কিন্তু পারুলের উপর থেকে তো বিপদের কালো ছায়া এখনো যায়নি। পারুলকে বিপদে ফেলতে সব রকম চেষ্টা করছে শিরিনের মা। একটার পর একটা বিপদের মুখে পড়ছে পারুল। কখনো তার প্রাণের ঝুঁকি হচ্ছে আবার কখনো তার প্রিয়জনদের বিপদে ফেলে শিরিনের মা তাকে আটকানোর চেষ্টা করছে।
এদিকে একমাত্র পারুলের পালিত বাবা পারুলের আসল মাকে চেনে। তাই দক্ষিণ ভারতে যেতে হলে তার বাবাকে সাথে লাগবে। কিন্তু শিরিনের মা সব জায়গায় নিজের সমস্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করছে। পরের দিন পারুল, রায়ান এবং পারুলের বাবা বেরিয়ে পড়ে দক্ষিণ ভারতের উদ্দেশ্যে। সেখানে শিরিনের মা পারুলের ক্ষতি করার জন্য লোক ঠিক করে রেখেছে। দক্ষিণ ভারতে যাওয়া মাত্রই তাদের ফলো করতে থাকে কিছু গুন্ডা। শিরিনের মা তাদের ফোনে সমস্ত কিছু বুঝিয়ে দেয়।
আরও পড়ুনঃ ফুলকিকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে ভয়ানক প্ল্যান করলো তাইজি! সন্তানের প্রাণ রক্ষা করতে ফুলকির জীবনে মায়ের আগমন? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
এদিকে একমাত্র রায়ানের ঠাকুরমা জানে পারুল যখনই নিজের জীবনের আসল সত্যি খুঁজে বার করতে যাবে তখনই তার সামনে বিপদ আসবে। পারুলও সাবধান থাকে। নতুন শহর কত রকম বিপদ তাদের জন্য অপেক্ষা করছে কেউ জানে না। আর পারুলের সেই ভয়টাই সত্য হলো। শিরিনের মায়ের কথা অনুযায়ী গুন্ডারা পারুলদের উপর নজর রাখছিল। আর যখনই পারুলের বাবা রাস্তা পারাপার করতে যাবে ঠিক তখনই একটা গাড়ি এসে ছুটে আসে পারুলের বাবাকে মারার জন্য। রায়ানও তাকে বাঁচাতে ছুটে আসে। এবারে দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

