রায়ানের মায়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ পারুল! মনের জোরে ঘর বাইরে দুইদিক সামলানোর চ্যালেঞ্জ নিল নায়িকা!

এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে টানটান উত্তেজনা পর্ব হচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিকে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক প্রতি সপ্তাহে দর্শকদের জন্য নিয়ে আসে নতুন নতুন চমক। ধারাবাহিকের টানটান উত্তেজনা পর্বগুলি তাই একটিও মিস করতে চান না দর্শক। তাইতো টিআরপি তালিকায় সব সময় ভালো ফলাফল করে নিজেদের জায়গায় তৈরি করে নেয় পরিণীতা।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ডাক্তার বলে পারুল এবং রায়ানের বিয়ে এই নার্সিংহোমের কেবিনে দিতে হবে। যাতে দাদু কোমায় না চলে যায়, রায়ান পারুল প্রথমে রাজি না হলেও দাদুর প্রাণের কথা ভেবে রাজি হয়ে যায়। এরপর রায়ান পারুল দুজনকেই তৈরি করতে নিয়ে যায় সকলে। পারুল আবার কনে বেশে সেজে ওঠে। কিন্তু পারুলের মনে যে ঝড় উঠেছে সেটা কাউকে বলতে পারছে না সে। আগের বার অনিচ্ছায় রায়ানকে ভালো না বেসে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছিল পারুল। কিন্তু এবারে পরিস্থিতি আলাদা। কিন্তু আবারো বাধ্য হয়ে তাদের বিয়েটা করতে হচ্ছে।

অনেক লড়াই করে তারপর নিজের মনকে শক্ত করেছে পারুল। কারণ দাদুকে যে করেই হোক ফিরিয়ে আনতে হবে কোমা থেকে। এরপর রায়ান এসে পারুল সাথে কথা বলে। পারুলের মনে এই বিয়ে নিয়ে স্বপ্ন তৈরি হচ্ছে কিনা বা অন্য কিছু ভাবছে কিনা পারুল সেইটাই জানতে আসে সে। পারুল রায়ানকে জানিয়ে দেয় ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই, পারুল এসব নিয়ে আর ভাবেনা। আসলে পারুল তো মনে মনে খুব কষ্ট পাচ্ছে, কিন্তু সেটা বুঝতে দেয় না।
এরপর শুরু হয়ে যায় বিয়ের আয়োজন। রীতিমতো তাদের সব নিয়ম মেনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। শুভদৃষ্টি, মালা বদল, সাতপাকে ঘুরে সবই হয় নিয়ম মেনে। মল্লার পাশ থেকে দাদুকে সব খবর দিতে থাকে, একটু একটু করে দাদু আবারও ফিরে আসতে থাকে। কিন্তু এরই মাঝে শিরিন ঘটায় বিপদ। সে ঠিক করেই রেখেছিল কিছুতেই পারুল রায়ানের এই বিয়ে হতে দেবে না। তাই আবারও নিজের শয়তানি বুদ্ধি দিয়ে বিয়েতে বাধা তৈরি করে। রায়ান পারুলের বিয়ে না হলে দাদু সুস্থ হবে না আর তাদেরও শাস্তি দেওয়া যাবে।
আরও পড়ুনঃ সকলের আড়ালে শুভশ্রীর হাত ধরে টানাটানি! সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে অসভ্য আচরণ করে নিন্দার মুখে পড়লেন অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা!
শেষ মুহূর্তে যখন রায়ান পারুলের সিঁদুর দান হবে তখন সিঁদুরের কৌটা পাওয়া যায় না। অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও কোথাও মেলে না সিঁদুর কৌটো। আসলে শিরিন ইচ্ছে করে এই সিঁদুরের কৌটো সরিয়ে দিয়েছে, যাতে বিয়েতে বাধা পড়ে। আর এই পরিস্থিতিতে আবারো দাদু একটু একটু করে কোমায় চলে যেতে থাকে। তখন কে কি করবে কিছুই বুঝতে পারে না। আর রায়ান সেই মুহূর্তেই নিজের হাত কেটে সেই রক্ত দিয়ে পারুলের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেয়। দাদুও দুজনের বিয়ের খবর পেয়ে একটু একটু করে ফিরে আসে। এদিকে রায়ান ভাবতে থাকে দাদু তো তাদের বিয়ে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখছে এরপরে কি হবে তারা নিজেরাও জানে না। পারুল কথা দেয় তারা যেতে চায় সেটাই হবে। এদিকে রায়ানের মা এই বিয়ে একেবারেই পছন্দ করে না। তাই পারুলকে বাড়ির সমস্ত কাজ করার দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়। পারুল রায়ানের মায়ের চ্যালেঞ্জ একসেপ্ট করে এবং জানিয়ে দেয় বাড়ির সমস্ত কাজ করে সে নিজের স্বপ্ন পূরণ করবে। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

