পূর্ণ হল দাদুর মনস্কামনা! ফের সাত পাকে বাঁধা পড়লো পারুল রায়ান! মৃ’ত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেন দাদু!

প্রতিদিনই একটু একটু করে নিজের জায়গাটা দর্শকের কাছে আরো উঁচুতে নিয়ে যাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিক। রাত আটটা বাজলেই টেলিভিশনের পর্দার (Bengali Television) সামনে দর্শক বসে পড়েন এই ধারাবাহিক (Bengali Serial) দেখার জন্য। ধারাবাহিকের একটি এপিসোডও চট করে মিস করতে চান না কেউ। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক ধারাবাহিকের আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পারুল গাড়ির সমস্ত ব্যাটারি এক জায়গায় করে সেই পাওয়ার জেনারেট করে নার্সিংহোমের ইলেকট্রিসিটি ফিরিয়ে আনে। সবাই পারুলের হাতে হাত লাগিয়ে কাজ করে। পারুল সমানে বাবা ভুবনেশ্বরকে ডাকতে থাকে।

Parineeta, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Ishani Chatterjee, Uday Pratap Singh, Parineeta New Episode, Parineeta Today's Episode 18 August, Today's Episode, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, পরিণীতা আজকের পর্ব, ঈশানি চ্যাটার্জী, উদয় প্রতাপ সিং, পরিণীতা ১৮ অগাষ্ট আজকের পর্ব

পারুলের এইসব কাজ তো শিরিন মাকে ছবি তুলে দেখাতে থাকে। শিরিনের মা এত চেষ্টা করেও কোনো লাভ হলো না। সকলেই পারুলের বুদ্ধির প্রশংসা করতে থাকে। তারপর ডাক্তাররা সকলে মিলে আবার দাদুর অপারেশন শুরু করে। অনেকক্ষণ অপারেশন চলার পর অবশেষে ডাক্তাররা বেরিয়েছে জানায় অপারেশন সফল হয়েছে। এই খবর পেয়ে সকলেই তো নিশ্চিন্ত হয়। শিরিন আবারো পারুলকে শায়েস্তা করতে পারল না দেখে সেখান থেকে চলে যায়। সকলেই দাদুর অপারেশন ভালোভাবে হবার খবর পেয়ে নিশ্চিন্তে হয় ঠিক তখনই নার্স ডাক্তারদের ডেকে আনে। ডাক্তাররা তড়িঘড়ি এসে আবার দাদুকে পরীক্ষা করে। তারপর জানায় অপারেশন সফল হলেও দাদুর অবস্থার অবনতি হয়েছে।

অপারেশনের পরেও দাদুর অবস্থার উন্নতি হয় না। দাদুর অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। এবারে রায়ানের ঠাকুমা কোনো কথাই শুনতে চায় না, তার আবেগ ধরে রাখতে না পেরে দাদুর কেবিনে ঢুকে পড়েন তিনি। তাকে আটকাতে সকলেই কেবিনের ভেতরে জড়ো হয়। ডাক্তার জানায় অনেক সময় মেডিকেল সাইন্স কাজ না করলেও পরিবারের মানুষজন কাছাকাছি থাকলে মিরাক্কেল ঘটতে পারে। ডাক্তার বলেন এমন কিছু কথা দাদুর সামনে বলতে হবে যাতে তিনি উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।

আরও পড়ুনঃ মুখোশের আড়ালে থাকা অভিরূপের আসল চেহারা ফাঁস! সফল হলো ফুলকির অভিযান!

বাড়ির সকলে মিলে নানান রকম কথা বলে দাদুর প্রাণ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে। শিরিনও আবার ফিরে এসেছে দাদুর অবস্থা দেখার জন্য। সে তো মনে মনে চাইছে যাদের দাদু মারা যায়, তাহলেই সে পারুলকে রাস্তা থেকে সরাতে পারবে। তখনই মল্লার দাদুকে বলে পারুল রায়ানের মধ্যে সব সমস্যা ঝামেলা মিটে গেছে, রায়ান আবার পারুলকে স্বেচ্ছায় বিয়ে করছে। কিন্তু রায়ান আর পারুলের তো এই বিয়েতে মত নেই। কিন্তু দাদু এই কথা শোনার পর এই সব থেকে বেশি উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং তার উন্নতি হতে থাকে। ডাক্তার জানায় দরকার পড়লে পারুল এবং রায়ানের বিয়ে এই নার্সিংহোমের কেবিনে দিতে হবে। যাতে দাদু কোমায় না চলে যায়, রায়ান পারুল প্রথমে রাজি না হলেও দাদুর প্রাণের কথা ভেবে রাজি হয়ে যায়। রীতিমতো তাদের সব নিয়ম মেনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। আবারো পারুলের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেয় রায়ান। দাদুও দুজনের বিয়ের খবর পেয়ে একটু একটু করে ফিরে আসে। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

Back to top button