মৃ’ত্যুর সাথে লড়াই করছে দাদু! দাদুর প্রাণ বাঁচাতে বড় ঝুঁকি নিলো পারুল!

পরিণীতা (Parineeta) জি বাংলার (Zee Bangla) এমন একটি ধারাবাহিক যা বরাবর নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। প্রতি সপ্তাহেই ভালো ফলাফল করছে। এমনকি ধারাবাহিকটি (Bengali Serial) প্রতিদিনই একটু একটু করে দর্শকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। একটি এপিসোডও দর্শকদের নিরাশ করে না এই ধারাবাহিকের। তাইতো বাংলার মেগা গুলির মধ্যে এর জনপ্রিয়তা ব্যাপক।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ইউনিভার্সিটিতে পা মুচকে পড়ে যায় পারুল। রায়ান তো ছুটে আসে তাকে সাহায্য করতে। সকলে পারুলের অবস্থা দেখে হাসাহাসি করছিল কিন্তু রায়ান পারুলকে পায়ে বরফ লাগিয়ে দেয়, পারলকে যত্ন করতে থাকে। রায়ান এরকম যত্ন করলে পারুলের মনের ভিতর অন্য অনুভূতি তৈরি হয়। কারণ রায়ান তো পারুলকে ভালোবাসে না জানিয়ে দিয়েছে। কিন্তু পারুল তো রায়ান ভালোবাসে তাই এভাবে রায়ান তার সামনে এলে পারুলের খুবই কষ্ট হয়। তারপর রায়ান পারুলকে বাইকে করে বাড়ি নিয়ে যায়।

ওইদিকে শিরিনের মা পারুলের মায়ের থেকে সব সত্যি বের করতে তাকে চাপ দিতে থাকে। পারুলের মা জানায় পারুলের বাবা একবার দক্ষিণ ভারতে নিয়ে গিয়েছিল সেখানে একজন মহিলা ডাক্তার নিজের সন্তান তুলে দিয়েছিল তাদের হাতে। আর শিরিনের মা এই কথা শুনেই বুঝতে পারে পারুল এই শিরিন এখনই বাবার সন্তান। ওইদিকে সকলে পারুলের পা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। চোট জায়গায় আরও আঘাত পেয়েছে। মৈনাক দাদুকে ফোন করে জানিয়ে দেয় পারুলের পা ভেঙে গেছে। দাদু ছুটে ছুটে চলে আসে পারুলকে দেখার জন্য। দাদু ব্যস্ত হয়ে পড়ে পারুলকে নিয়ে, ডাক্তার দেখানোর জন্য বলতে থাকে।
ওদিকে শিরিনের মা প্ল্যান করতে থাকে যদি পারুলকে তাদের রাস্তা থেকে সরাতে হয় তাহলে আগে আশুতোষ বসু অর্থাৎ রায়ানের দাদুকে রাস্তা থেকে সরাতে হবে। কারণ তিনি হল পারুলের আসল শক্তি। তাই নিজের লোক ফিট করে রায়ানের দাদুকে মারার প্ল্যান করে ফেলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ তীরে এসে ডুবলো তরী! মন্ত্রী মশাইকে অপহরণ করতে গিয়ে দুষ্কৃতিদের মুখোমুখি রোহিত ফুলকি!
পরের দিন সকালে উঠে পারুল পড়াশোনা করছিল আর সেই সময় দাদু মর্নিং ওয়াকে বেরোনোর জন্য রওনা দেয়। পারুলকে আশীর্বাদ করে সকালে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বেরিয়ে পড়েন। কিন্তু কুয়াশার মধ্যে দাদু মাফলার নেয়নি বেরিয়ে গেছে দেখে পারুল সেটা দেওয়ার জন্য ছুটে যায়। আর তখনই শিরিনের মায়ের লোক গাড়ি নিয়ে রেডি আছে। শিরিনের মা বলে দেয় এমন ভাবে মারতে হবে যেন মনে হয় ব্রেক ফেল হয়ে গেছিল গাড়ির তাতেই ঘটেছে দুর্ঘটনা। গাড়িটা দাদুর দিকে একেবারে ফুল স্পিডে ছুটে আসে আর পারুল ও ঠিক সেই সময় মাফলার দিতে যাচ্ছিল দাদুকে, পারুল কিছু করে ওঠার আগেই দাদুকে সেই গাড়িটা মেরে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকে দাদু। তড়িঘড়ি করে দাদুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তার জানিয়ে দাদুর এখনো জ্ঞান ফেরেনি তাই তার অবস্থা কেমন আছে সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

