তূর্য নয়, পারুলের জীবনে আসছে বড় ঝড়! গুরুদেবের সতর্কবার্তা শুনে দুশ্চিন্তায় পারুল! নিজের আসল পরিচয় কি জানতে পারবে সে?

যারা প্রতিদিন বিকালে বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলি (Bengali Serial) দেখেন তাদের কাছে পছন্দের একটি মেগা ধারাবাহিক হল পরিণীতা (Parineeta)। ধারাবাহিকটি শুরুর সময় থেকে কটাক্ষের সম্মুখীন হলেও বর্তমানে এই ধারাবাহিকটি দর্শকের খুব পছন্দের একটি ধারাবাহিক। তাইতো সাপ্তাহিক টিআরপি তালিকায় তার ফলাফল প্রমাণ পাওয়া যায়।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রায়ান পারুল এটাও বুঝতে পারে তুর্যর প্রথম টার্গেট হলো দাদু। সঙ্গে সঙ্গে দাদুকে বাঁচানোর জন্য রওনা দেয় দুজনে। ওইদিকে তুর্য দাদুকে মারার জন্য বন্দুক নিয়ে এগিয়ে আসে। তুর্য নিজের পরিচয় দেয় জানায় সে তপন জানার নাতি। তার দাদুর খুনের বদলা নিতে এসেছে সে। বসু পরিবারে সবাইকে সে শেষ করে দেবে। দাদু তো তুর্যর হুমকিতে ভয় পায় না। দাদু বলে তার শত্রুতা যখন দাদুর সাথে তখন দাদুকেই গুলি করুক, কিন্তু তার পরিবারের যেন কোনো ক্ষতি না করে। আর ঠিক সেই মুহূর্তে পারুল রায়ান সেখানে এসে উপস্থিত হয়।

Zee Bangla Parineeta episode 13 August

তুর্য দাদুর উপর গুলি চালানোর আগেই পারুল ভর্তি করে একটি দড়ির সাহায্যে তুর্যর হাত থেকে সেই বন্দুক টেনে ফেলে দেয়। তারপর ছুটেছে দাদুর কাছে কিন্তু আবারো চেষ্টা করে সে বন্দুক তুলে দাদুকে আক্রমণ করার তারা মারতে শুরু করে। কিন্তু দুজন তো এখানেই থেমে থাকে না তার কাছে থাকা ধারালো ছুড়ি দিয়ে রায়ানের দিকে এগিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে পারুল ভারী জিনিস দিয়ে তুর্যর মাথায় আঘাত করে, তূর্য সেখানে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যায় এরপর সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ এসে দুচোখে সেখান থেকে নিয়ে যায়।

এরপর বাড়িতে গিয়ে দাদু তো পারুল এবং রায়ানকে নিয়ে খুব গর্ববোধ করতে থাকে যেন আজ এই দুজনের জন্যই দাদুর প্রাণে বেঁচে ফিরেছে না হলে দাদু আর কোনদিনও ফিরতে পারতেন না তাই জন্য দাদুর রাহান এবং পাটুলের কাছে অনুরোধ করে তারা যখন একসাথে থাকে তখন বসে পড়ে কেউ ক্ষতি করতে পারে না তাই তারা যেন তার মাথা থেকে সরিয়ে ফেলে। কিন্তু রায়ান পারুল কিছুতেই দাদুর এই শর্ত রাজি হয় না পারুলকে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেয় পারুল ছাড়াও এই বস্তুর উপরে রক্ষা করতে পারে সাথে তর্ক করতে শুরু করে দেয়। কিছুতেই তাদের থামানো যায় না তাই সকলে মিলে ঠিক করে রায়ান পারুলকে এক করতে একটা ছোট অনুষ্ঠান এর আয়োজন করা হবে দাদুর থেকে অনুমতি নিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানের আয়োজন।

আরও পড়ুনঃ বাবার অপহরণকারীদের খুঁজে বের করার প্রতিশ্রুতি দিল ফুলকি, বড় রাজাকে অপহরণ করে নিজেই বিপদে পড়লো ছোট রাজকুমার! নায়িকার হাতে এল বিরাট প্রমাণ!

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পারুল এবং পিসিমণির দুর্ধর্ষ নাচ দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান রায়ন্ত পারুলের নাস্তা থেকে একেবারে মুক্ত হয়ে যায় কিন্তু মুখে প্রকাশ করে না কিছু এরপরেই সকলে ইচ্ছা প্রকাশ করে কাপল ডান্স করবে কিন্তু দাদু প্রথমে এই সমস্ত কিছুই পছন্দ করেনা এরপরে ঠাম্মি বলে রায়হান পারুলকে একসাথে করতেই এই প্ল্যান করেছে তারা তারপর দাদু সবটা বুঝিয়ে রাজি হয়ে যায় এরপর সকলে মিলে একসাথে নেচার জন্য প্রস্তুত হয় কিন্তু একসাথে কিছুতেই ম্যাচ করতে চায়না। শুনিনি তখন ইচ্ছে করে রাইয়ান কে খুঁচিয়ে দেয় বলে পারুল ভালো নাচে বলে রায়হান হয়তো ভয় পাচ্ছে নাচ করতে তার সাথে আর এই কথাটা রায়ানের ইগোতে লেগে যায় তাই জন্য পাগলের সাথে নাচ করতে রাজি হয়ে যায় রায়ান। অসাধারণ পারফরমেন্সের মাধ্যমে জমে ওঠে অনুষ্ঠানের সন্ধান। বসু পরিবারের সবাইকে একসাথে আনন্দ করতে দেখে তো পারুলের খুবই ভালো লাগছে। তবে তার যে বড় বিপদের কথা বলেছিলেন গুরুদেব সেটা নিয়ে চিন্তা হতে থাকে তার। কিন্তু তুর্য তো ধরা পড়েছে তবে তো বিপদ কেটে গেছে, কিন্তু নিজের পরিচয় নিয়ে এখনো পারুলের মনে অনেক প্রশ্ন ভিড় করেছে।

Back to top button