শ্রীনিবাসের জীবনে ঘোর অন্ধকার! সবার আড়ালে কি করতে চলেছে কমলা? গুহু পরিবারে বড় বিপর্যয়!

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পুলিশের হঠাৎ আগমনে সম্রাটের অফিসে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একটি দুর্ঘটনার ঘটনা নিয়ে পুলিশ তাকে একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকলে সে জানায়, এক বন্ধুর মাধ্যমে খবরটি তার কানে এসেছে। তবে তার এই অসঙ্গতিপূর্ণ ও হালকা উত্তরে পুলিশের মনে সন্দেহের দানা আরও ঘনীভূত হতে থাকে। অন্যদিকে, পরিবারের খুদে সদস্য মিঠি পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি লক্ষ্য করে সত্যিটা টের পায় এবং কোনো ভণিতা না করেই আদিত্যকে সোজা প্রশ্ন করে বসে সে পল্লবীকে ভালোবাসে কি না।
পরের দিন সকালে দেখা যায় এক পারিবারিক মেলবন্ধনে। কমলা, শ্রীনিবাস, ঠাকুরমা ও রাজু সকলে মিলে একসাথে হাজির হয় ঝিনুক ও সম্রাটের বাড়িতে। দরজায় এতজন মানুষকে হঠাৎ উপস্থিত হতে দেখে সম্রাট প্রথমে নিজের বিরক্তি ও অসন্তোষ একেবারেই চেপে রাখতে পারেনি। তবে শেষ পর্যন্ত ঝিনুকের মুখের দিকে তাকিয়ে ও তার কথা ভেবে সে অনিচ্ছা সত্ত্বেও সবাইকে নিজের ঘরে স্বাগত জানায়।
সম্রাট ও ঝিনুকের বাড়িতে প্রবেশ করার পর ঘরের পরিবেশ খানিকটা হালকা হয়ে ওঠে। কথা বিনিময়ের মাঝে শ্রীনিবাস তার মেয়ে ও জামাইকে আসন্ন রাখিপূর্ণিমার উৎসবে তাদের বাড়িতে আসার আন্তরিক নিমন্ত্রণ জানায়। মুখে রাজি হওয়ার ভান করলেও সম্রাটের বিকৃত ও জটিল মনের গভীরে তখন অন্য কোনো অন্ধকার চিন্তাভাবনা হতে শুরু করে।
একই সময়ে পারিবারিক আনন্দের অন্তরালে ঘনিয়ে আসে এক চরম আর্থিক ও মানসিক সংকট। শ্রীনিবাসের অফিসের এক যুবক সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে ক্রমাগত হুমকি দিতে থাকে। বারবার তাকে ভয় দেখানো হয় যে, চাকরি হারানোর খবরটি তার পরিবারের কাছে ফাঁস করে দেওয়া হবে। শ্রীনিবাস এখনো পর্যন্ত এই নির্মম সত্যটি নিজের ভালোবাসার মানুষদের কাছ থেকে লুকিয়ে রেখেছিলেন, যা তাকে প্রবল মানসিক চাপে ফেলে দেয়।
আরও পড়ুনঃ মাঝরাস্তায় হাঁটু গেড়ে পারুলকে বিয়ের প্রস্তাব! রায়ানের হাতে হাত রেখে ‘হ্যাঁ’ বলল পারুল! এটাই কি নায়িকার পরিণতি? নাকি নায়কের মনে লুকিয়ে রয়েছে অন্য কিছু?
ঘটনাচক্রে শ্রীনিবাসের প্রাক্তন কর্মক্ষেত্রের মালিকের ছেলে ঠিক সেই মুহূর্তেই তার হাতে চাকরি হারানোর চূড়ান্ত চিঠিটি তুলে দিতে আসে। দূর থেকে কমলা পুরো দৃশ্যটি দেখতে পেলেও তাদের মধ্যকার কথোপকথন শুনতে পায় না। ফলে পারিবারিক এই গভীর সংকট ও শ্রীনিবাসের চাকরি হারানোর বিষয়টি এখনো কমলার কাছে সম্পূর্ণ অজানা ও রহস্যময় থেকে যায়।

