খুলে গেল সম্রাটের মুখোশ! আসল অপরাধীকে চিনিয়ে দিল বিনোদ! হাসপাতালে ঝিনুকের হাতে চ’ড় খেল সম্রাট!

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শ্রীনিবাসের মানসিক অস্থিরতা ও অনুশোচনার মাঝে সবটা না জেনেও কমলা তার পাশে এসে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ায়। একদিকে শ্রীনিবাসের অপরাধবোধ আর অন্যদিকে কমলার এই নিঃশর্ত সমর্থন গল্পকে এক নতুন মোড়ের দিকে নিয়ে যায়। অন্যদিকে, নিজের চুরি করা ঘড়িটি উদ্ধারের জন্য সম্রাট আর অপেক্ষা করতে না পেরে সোজা এক্সিডেন্ট স্পটে পৌঁছে যায়। কিন্তু মাটি থেকে ঘড়িটি তোলার মুহূর্তেই সে পুলিশের সামনে পড়ে যায়। বিপদে পড়ে সম্রাট নিজেকে বাঁচাতে মৃত ব্যক্তিটিকে নিজের খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলে দাবি করে এবং কান্নাকাটির অভিনয় করে আসল সত্য আড়াল করার চেষ্টা করে।
এদিকে বাড়িতে অন্য এক চিত্র দেখা যায়। আনন্দের দিনে সমরকে তার স্ত্রী একটু মিষ্টি আনতে বললে এবং বাবার বাড়ি থেকে টাকা দেওয়ার কথা জানালেও সমর স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তার এসবের সময় নেই। সমরের এমন রুক্ষ আচরণে পাশে থাকা কমলার মন ভারী হয়ে ওঠে। অথচ অন্যদিকে আদিত্ব ও মিঠি পল্লবীর জন্মদিন পালনের জন্য আনন্দের সাথে নানা পরিকল্পনা করতে থাকে। পুরো পরিবারে উদযাপনের আমেজ থাকলেও সমরের এই অসংবেদনশীল ব্যবহার পরিবেশকে বিষণ্ণ করে তোলে।
এসবের মাঝেই সম্রাট নিজের বাড়িতে ঝিনুককে রান্না ও খাবারের বিষয়টি নিয়ে তীব্র বকাঝকা করতে থাকে। সম্রাটের কথায় ঝিনুক নিজেকে ব্যর্থ ভেবে কাঁদতে শুরু করলে সম্রাট ভোল বদলে তাকে সান্ত্বনা দিয়ে ‘স্মার্ট’ বলে অভিহিত করে। কিন্তু সম্রাটের ভেতরের এই দ্বিমুখী আচরণ একদিকে পুলিশের সামনে মিথ্যা অনুশোচনার নাটক আর অন্যদিকে নিজের স্ত্রীর সাথে দুর্ব্যবহার ঝিনুকের মনে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করে।
পরের দিন হাসপাতালে যখন পুলিশ বিনোদের বয়ান নিতে যায়, তখন সেখানে সম্রাট ও ঝিনুক দুজনেই উপস্থিত ছিল। বিনোদ সজ্ঞানে আঙুল তুলে সরাসরি সম্রাটকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে। সম্রাটের এই ভয়ংকর আসল রূপ সামনে আসতেই ঝিনুক নিজের মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে এবং সবার সামনেই তাকে খুনি বলে সজোরে থাপ্পড় মারে। সম্রাট নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বারবার অনুনয়-বিনয় করলেও ঝিনুক তার কোনো কথায় বিশ্বাস করে না।
আরও পড়ুনঃ সন্তানের জন্য ফুটপাথে দুধ গরম করছিলেন মা! তার প্রতি অগ্নিমিত্রা পালের ক্ষুব্ধ আচরণ! ‘এক গরিব, অসহায় মা…’ ‘আপনিও তো মা, খিদের জ্বালা বুঝুন…’ ‘শহরটা সবার, কারো একার…’ তীব্র সমালোচনায় শামিল শামিল শ্রীলেখা মিত্র-ঋদ্ধি সেন!
প্রকৃতপক্ষে, সম্রাটের কালো হাত পৌঁছে গিয়েছিল ঝিনুকের বড়দিদি অঞ্জুর কাছেও। তাকে অপহরণ করে চরম ভয় দেখানো হয়েছিল, কিন্তু অঞ্জু কোনোমতে সেখান থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে এসে শ্রীনিবাস ও কমলার বাপের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সেখানে পৌঁছেই মানসিক চাপে অঞ্জু অজ্ঞান হয়ে পড়লে পরিবারের সবাই তাকে নিয়ে চরম ব্যস্ত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে।

