ঘনিয়ে এলো চরম বিপদ! সোজা পুলিশের মুখোমুখি সম্রাট! ভেস্তে গেল সম্রাটের মাস্টারপ্ল্যান! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বিনোদকে নিজের পথ থেকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার জন্য সম্রাট একটি ভয়াবহ ছক কষেছিল। কিন্তু সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে গিয়ে সে ঘটিয়ে ফেলে এক চরম অঘটন। রক্তগরম সিদ্ধান্ত আর তড়িঘড়িতে এক্সিডেন্ট ঘটিয়ে ফেলে সে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে কোনোক্রমে গা-ঢাকা দিয়ে পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও, নিজের আসল বিপদের কথা সে বাড়িতে ফেরার পরই বুঝতে পারে। চরম তাড়াহুড়োয় তার নিজের বহুমূল্য হাতঘড়িটি যে অকুস্থলেই পড়ে রয়ে গেছে, তা আবিষ্কার করতেই সম্রাটের মাথার ওপর যেন আকাশ ভেঙে পড়ে।

নিজের এই মারাত্মক ভুলের কথা চিন্তা করে সম্রাটের মনে জাঁকিয়ে বসে তীব্র ভয় ও আতঙ্ক। কারণ, ততক্ষণে পুলিশ দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছে এবং চিরুনি তল্লাশি শুরু করে দিয়েছে। ঘড়িটি যদি একবার পুলিশের হাতে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে এটিই হবে সবচেয়ে বড় ও অকাট্য প্রমাণ, যা তাকে সরাসরি জেলে পৌঁছে দিতে পারে। কোনভাবেই এই প্রমাণ পুলিশের হাত অবধি পৌঁছাতে দেওয়া যাবে না, এই চিন্তায় মরিয়া হয়ে ওঠে সম্রাট। ঘড়িটি উদ্ধার করতে সে ভেতরে ভেতরে এক নতুন মাস্টারপ্ল্যান আঁকতে শুরু করে।

অন্যদিকে, ঘটনার নেপথ্য জটিলতা যখন চরমে, তখন অন্য এক অপরাধবোধে মনে মনে ভেঙে পড়ছেন শ্রীনিবাস বাবু। নিজের মনের মধ্যে লুকিয়ে রাখা এত বড় সত্যিটা তিনি এখনও কমলার সামনে প্রকাশ করতে পারেননি। কমলার কাছ থেকে বিষয়গুলো আড়াল করার দরুন শ্রীনিবাসের নিজের চোখেই নিজেকে অত্যন্ত অযোগ্য এবং অপরাধী মনে হতে থাকে। মানসিক যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে তিনি ঈশ্বরের মূর্তির সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন এবং চোখের জলে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন।

ঠিক সেই চরম আবেগঘন ও সংবেদনশীল মুহূর্তে নীরবতা ভেঙে কমলার আগমন ঘটে। শ্রীনিবাসের পাশে এসে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ায় কমলা। একদিকে শ্রীনিবাসের মানসিক অস্থিরতা ও অনুশোচনা, আর অন্যদিকে সবটা না জেনেও কমলার তাঁর পাশে এসে দাঁড়ানো এই দুই আবেগপূর্ণ মুহূর্ত গল্পের আগামী পর্যায়কে এক নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের দিকে ইঙ্গিত করে।

আরও পড়ুনঃ হাসপাতালে ভর্তি ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়! ইতিমধ্যেই হয়েছে অস্ত্রোপচার! কি হয়েছে তাঁর? এখন কেমন আছেন অভিনেতা?

এদিকে, ঘড়িটা উদ্ধারের জন্য সম্রাট আর বেশি অপেক্ষা করতে পারে না। পুলিশের হাতে ধরা পড়ার চরম ভয় মাথায় নিয়েই সে নিঃশব্দে ছুটে যায় সেই দুর্ঘটনাস্থলে। চারপাশ ভালো করে পর্যবেক্ষণ করে, অত্যন্ত সাবধানতার সঙ্গে ঘড়িটি মাটি থেকে তুলে নিতে যায় সে। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটে চরম বিপত্তি! সতর্ক থাকা সত্ত্বেও সে সরাসরি পুলিশের চোখেই পড়ে যায়। ফলে ঘড়িটি আর তার সরানো হয় না, এবং নতুন এক বিপদের মুখে এসে দাঁড়ায় সম্রাট।

Back to top button