ডাক্তারের সামনেই আদিত্যের পাগলামি! সুযোগ বুঝে পল্লবীর হাতে চু’মু! আদিত্যের কাণ্ড দেখে চটল পল্লবী! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গল্পের শুরুতেই দেখা যায়, রাজু আচমকা সম্রাটের ঘরে ঢুকে তার ওয়ালেট ঘাঁটতে শুরু করে। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনায় সম্রাট মনে মনে চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তবে সে নিজেকে কোনোমতে সান্ত্বনা দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করে যে, রাজু এখন মানসিক দিক থেকে পুরোপুরি সুস্থ নয়, তাই তার ছোটবেলার কোনো কথাই মনে থাকার বা বোঝার কথা নয়। কিন্তু সম্রাটের সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না।
ঠিক তখনই রাজু তার অদ্ভুত ইশারায় সম্রাটকে বুঝিয়ে দেয় যে, সম্রাটের সঙ্গে তার কোনো এক গভীর ও রহস্যময় আত্মিক টান বা কানেকশন রয়েছে। রাজুর এই রহস্যময় ইশারাটি যখন ঝিনুক সম্রাটকে বুঝিয়ে বলে, তখন সম্রাটের মনের ভেতরের ভয় বহুগুণ বেড়ে যায়। নিজের অতীত পাপ ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে সে আর এক মুহূর্তও সেখানে থাকতে চায় না এবং তড়িঘড়ি করে গুহ বাড়ি ছেড়ে পালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
সম্রাট যখন ঝিনুককে নিয়ে তাড়াহুড়ো করে গাড়ি চড়ে চলে যাচ্ছিল, তখনই এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটে। রাজু একটি বাটি হাতে নিয়ে তীব্র বেগে সেই গাড়ির পেছনে ধাওয়া করতে শুরু করে। রাজু কেন এমনটি করল, তা আগামী পর্বেই পরিষ্কার হবে। তবে এই সমস্ত ঘটনার মধ্য দিয়ে সম্রাটের আসল ও ভয়ঙ্কর রূপটি আজ সবার সামনে স্পষ্ট হয়ে গেছে। অতীতে, রাজু যখন ছোট ছিল, তখন এই সম্রাটই তাকে জলে ফেলে দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার নৃশংস চেষ্টা করেছিল।
আজকের পর্বের আরেকটি দৃশ্যে রাজু আর ঝিনুককে একসঙ্গে দেখে সম্রাটের প্রতিক্রিয়া ছিল সত্যিই চোখে পড়ার মতো। দাদা-বোন একে অপরকে জড়িয়ে ধরবে, এটাই তো স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু সম্রাট যেন কোনোভাবেই তাদের এই মিলন মেনে নিতে পারছিল না। তার চোখের অভিব্যক্তি বলছিল, ভেতরে ভেতরে সে প্রচণ্ড অস্থির ও হিংস্র হয়ে উঠেছে। আসলে বিষয়টা শুধু ঈর্ষার নয়; সম্রাট এখন নিশ্চিতভাবে জানে যে এই রাজুই হলো সেই অর্জুন, যাকে সে ছোটবেলায় কুয়োর মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। এতদিন পর সেই অতীত পাপই যেন জীবন্ত হয়ে তার সামনে ফিরে এসেছে।
আরও পড়ুনঃ ঋতুপর্ণাকে ঘিরে ট্রোলিং! মুখ খুললেন রুদ্রনীল ঘোষ! ‘এটা বাংলার সংস্কৃতি নয়…’ ‘মানুষের হাতে যখন অতিরিক্ত…তখনই এ ধরনের কাজে জড়িয়ে পড়েন!’ কি বললেন অভিনেতা?
আগামী পর্বে দেখানো হবে পল্লবী আদিত্যকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবে। আর সেখানেই ডাক্তারের সামনে আদিত্য অদ্ভুত সব পাগলামি শুরু করবে। পল্লবী যখন ডাক্তারের সাথে কথা বলতে ব্যস্ত থাকবে, সেই সুযোগে আদিত্য বারবার পল্লবীর হাত ধরে চুমু খাবে। পল্লবী কড়া চোখে তাকালে সে আবার ভয়ে হাত ছেড়ে দেবে। এই পরিস্থিতি দেখে ডাক্তারবাবু হাসিমুখে প্রশ্ন করবেন, “বউয়ের হাত ধরতে এতো ভয় পাচ্ছেন কেন?” ডাক্তারের মুখে এমন মন্তব্য শুনে পল্লবী ভেতরে ভেতরে আরো রেগে যাবে।

