সম্রাটের গোপন অতীত জানতে ঝিনুকের বিরাট পদক্ষেপ! শুরু হলো আদির বিয়ের প্রস্তুতি! তবে কি আর এক হতে পারবে না আদিত্য-পল্লবী?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, অফিসে বসে সিসিটিভিতে ঝিনুকের কাণ্ডকারখানা দেখে সম্রাটের মনে একদিকে যেমন আনন্দ হচ্ছিল, অন্যদিকে তার রাগও সমানভাবে বেড়ে যায়। সে কোনোভাবেই চায় না যে ঝিনুক তাকে ছাড়া বাড়ির বাইরে এক পা-ও বাড়াক। কিন্তু সম্রাটের এই চরম অমানবিক আচরণ, পাগলামি আর একপ্রকার বন্দিদশা সহ্য করতে করতে ঝিনুক এবার ক্লান্ত। সে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে, এই বন্দি বাড়িতে সে আর এক মুহূর্তও থাকবে না এবং এখান থেকে চিরতরে চলে যাবে।
অন্যদিকে, সুপর্ণা নতুন এক চক্রান্তের জাল বোনে এবং বর্তমান এমএলএ-র মেয়ের সঙ্গে আদির বিয়ের সম্বন্ধ নিয়ে আসে। মন্দিরে পরিকল্পনা করে তাদের দেখাও করিয়ে দেওয়া হয়, যা দেখে আদির মায়ের মেয়েটিকে খুব পছন্দ হয়ে যায়। এরপর বাড়ি ফিরে এসে তিনি আদির বাবার কাছে নিজের পছন্দ করা মেয়ের কথা জানান। মায়ের এই সিদ্ধান্ত ও পুরো বিষয়টি জানতে পেরে আদি বেশ অবাক হয়ে যায়।
মিঠি নতুন স্কুলে ভর্তি হয়েছে শুনে তাকে ঘিরেও শুরু হয় নানা টানাপোড়েন। এই খবর পেয়ে পল্লবীর বড় দিদি তাকে খোঁচা দিয়ে কটু কথা শোনাতে থাকে। মিঠির পড়াশোনার খরচ এবার শ্রীনিবাস বাবু দেবেন নাকি অন্য কেউ চালাবে এই নিয়ে সে একের পর এক কটূক্তি করতে শুরু করে। বড় দিদির এমন কটু কথা শুনে পল্লবী মনে ভীষণ কষ্ট পায়, কারণ ভালো স্কুলে পড়াশোনা করার খরচ সত্যি অনেক বেশি।
আগামী পর্বে ঝিনুককে এক অত্যন্ত দৃঢ় ও শক্ত অবস্থানে দেখা যাবে। সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে যে, এই বাড়ি এবং সম্রাটের জীবনের পেছনে এমন কোনো গভীর গোপন রহস্য রয়েছে, যা এতদিন তার কাছে পরিষ্কার নয়। তাই ঝিনুক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আজ সে যেকোনো মূল্যে এই রহস্যের সমাধান করবেই, আর তারপরই এই বাড়ি থেকে চিরকালের জন্য বেরিয়ে যাবে।
আরও পড়ুনঃ জীতু কমলের নাম করে জালিয়াতি! টাকা, দামি উপহার চাওয়ার অভিযোগ! সোশ্যাল মিডিয়ায় সতর্কতা জারি করলেন অভিনেতা!
একই সময়ে গুহ বাড়িতেও মিঠিকে কেন্দ্র করে শুরু হবে এক নতুন নাটক। মিঠির জন্য কাউকে কোনো টাকা দিতে হবে না বলে পল্লবী সাফ জানিয়ে দেয়, কিন্তু ঠিক তখনই বড় মেয়ে বলে ওঠে যে তার টাকা লাগবে যা শুনে কমলা আর শ্রীনিবাস বাবু চমকে ওঠেন। অপরদিকে, আদিত্যের বাবা যখন কৈলাশকে নিজের পুরোনো বন্ধু বলে উল্লেখ করেন, তখন আদিত্য সেই সম্পর্কের পুরোনো তিক্ততার কথা মনে করিয়ে দেয়। পরিবারের এই চরম চাপের মুখে দাঁড়িয়ে আদিত্য নিজের মনেই প্রশ্ন তোলে তাহলে কি সে আর পল্লবী কোনোদিন এক হতে পারবে না?

