সম্রাটের চালে নতুন কাঁটা! সবাইকে বোকা বানানোর খেলায় মেতেছে সম্রাট, শ্রীনিবাসকে বোকা বানালেও কমলার চোখে ধরা পড়ল সে! উপকারের আড়ালে কোন সত্যি ধরে ফেলল কমলা?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas )। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পল্লবী অনেক আশা নিয়ে ঝিনুকের সঙ্গে দেখা করতে এলেও শেষ পর্যন্ত তাকে গেট থেকেই ফিরে যেতে হলো। সিকিউরিটি গার্ড তাকে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি এবং ঝিনুককেও একবারের জন্য ডেকে দেয়নি। অথচ সম্রাট এই পুরো ঘটনাটা আড়াল থেকে দাঁড়িয়ে দেখছিল। সে চাইলে একবার সামনে এসে কথা বলতে পারত, কিন্তু নিজের গোপন চাল বজায় রাখতে সে নিজেকে লুকিয়ে রাখল। এর ফলে কমলা যে এত যত্ন করে ঝিনুকের জন্য খাবার পাঠিয়েছিল, সেটাও শেষ পর্যন্ত ঝিনুকের হাতে পৌঁছাল না।

গল্পের একদিকে যেমন আদিত্য আর পল্লবীর সম্পর্ক ধীরে ধীরে নতুন দিকে মোড় নিচ্ছে, ঠিক অন্যদিকে ঝিনুককে নিয়ে সম্রাটের অনুভূতিও দিন দিন আরও গভীর হচ্ছে। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেই পল্লবীর জীবনে নতুন ঝামেলা ও অশান্তি নিয়ে হাজির হয়েছে হরিশ। পাশাপাশি আদিত্যর জীবনের দুটি বড় সত্যিও খুব শিগগিরই সবার সামনে আসতে চলেছে। এখন দেখার বিষয় হলো, সম্রাট কি তার কুচক্রী বুদ্ধি দিয়ে সত্যিই পল্লবী আর ঝিনুকের দেখা হওয়া আটকে দিতে পারবে, নাকি শেষ মুহূর্তে ভাগ্য অন্য কোনো খেলা খেলবে!

আরও পড়ুন: ‘বরের প্রাক্তন স্ত্রী এখনও আসে বাড়িতে!’ ‘লুকিয়ে চুরিয়ে কিছু নয়, যা হবে সামনে!’ ‘আমি না থাকাকালীন আমার বাড়িতে…’ বরের আগের পক্ষের স্ত্রীর অবাধ যাতায়াত! অনিশ্চয়তায় ভোগেন অভিনেত্রী? জানালেন কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়!

পল্লবী বাড়ি ফিরে এসে জানায় যে তাদেরকে ভেতরে ঢুকতে না দিয়ে গেট থেকেই তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই কথা শুনে বাড়ির সবাই চমকে ওঠে এবং কমলার মনে গভীর সন্দেহ হয় যে ঝিনুকের সংসারে নিশ্চয়ই কোনো বড় সমস্যা চলছে। কমলা সিদ্ধান্ত নেয় সে নিজে আগামীকালই ঝিনুকের বাড়িতে যাবে, আর শ্রীনিবাস বাবুও তাতে সম্মতি জানান। রাতে ঘুমাতে গিয়ে দুজনেই এই নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে থাকেন। কমলা যখন শ্রীনিবাস বাবুর চিন্তার কারণ জানতে চায়, তখন শ্রীনিবাস বাবু আসলে তার চাকরি চলে যাওয়ার কথা ভেবে মনে মনে ব্যাকুল হতে থাকেন।

আগামী পর্বে দেখা যাবে, সম্রাট শ্রীনিবাসকে আর্থিকভাবে সাহায্য করে। কৃতজ্ঞতায় শ্রীনিবাস তাকে একটি চেক দিয়ে ধন্যবাদ জানায় এবং বলে, সম্রাট না থাকলে তাদের পরিবারের কী হতো, সেটাই ভাবতে পারছে না। কিন্তু এই পুরো ঘটনায় সম্রাটের মুখে অন্য কথাই শোনা যায়। সে মনে মনে বলে, সবাই যতদিন তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করবে, ততদিন কেউই তার আসল সত্যিটা ধরতে পারবে না।

তবে একটা বিষয় সম্রাট একেবারেই বুঝতে পারেনি। তাদের এই পুরো লেনদেনের ঘটনাটা আড়াল থেকে দেখছিল কমলা। সম্রাট চলে যাওয়ার পরই কমলা শ্রীনিবাসকে প্রশ্ন করে, কেন সে সম্রাটকে চেক তুলে দিল? এখন দেখার বিষয়, কমলার এই সন্দেহ কি ধীরে ধীরে সম্রাটের আসল মুখোশ সবার সামনে খুলে দেবে? নাকি এবারও সে সবাইকে বোকা বানিয়ে নিজের চক্রান্তে সফল হয়ে বেরিয়ে যাবে?

Back to top button