মিঠির নিখোঁজ হওয়ার দায়ে কাঠগড়ায় পল্লবী! মিঠিকে ফিরে পেতে গিয়েই কি এক সুতোয় বাঁধা পড়বে আদিত্য পল্লবী? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় পথচলা শুরু করেছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas )। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, দিনের পর দিন চলা অমানুষিক নির্যাতন আর সহ্য করতে পারছিল না মিঠি। অবশেষে সে এক চরম সিদ্ধান্ত নেয়। সবার চোখের আড়ালে, অত্যন্ত গোপনে সে সেই বন্দিশালা রূপী বাড়িটি থেকে পালিয়ে বেরিয়ে আসে। তার মনের মধ্যে তখন একটাই আশা যে করেই হোক পল্লবীর কাছে গিয়ে পৌঁছানো। মিঠি জানত, একমাত্র পল্লবীর বুকেই সে একটু শান্তিতে আশ্রয় পাবে।
কিন্তু মুক্ত বাতাসে পা রাখতেই মিঠির জীবনে নেমে এলো এক চরম বিপত্তি। সে কিছু বুঝে ওঠার আগেই হঠাৎ একটা চলন্ত গাড়ি তার একদম সামনে চলে আসে। ঠিক যে মুহূর্তে মিঠি রাস্তায় এই ভীষণ বিপদের মুখে পড়েছিল, ঠিক একই সময়ে এক অলৌকিক টানে পল্লবীর মনটাও কুডাক দিয়ে ওঠে। কোনো এক অজানা ভয়ে তার বুক কেঁপে ওঠে, যেন কোনো বড় বিপদের পূর্বাভাস সে দূর থেকেই টের পেয়ে যায়। রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও মনের গভীর টানে পল্লবী বুঝতে পারে যে, তার চেনা কোনো মানুষের জীবনে খুব খারাপ কিছু ঘটে গেছে।
মিঠি যখন রাস্তার মাঝে চলন্ত গাড়ির সামনে এসে পড়ে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েছিল, ঠিক তখনই সেখানে দেবদূতের মতো এসে হাজির হয় আদিত্য। নিজের জীবনের তোয়াক্কা না করে, চরম সাহসিকতার সাথে সে মিঠিকে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচিয়ে নেয়। মারাত্মক ভয় পেয়ে মিঠি তখন শুধু পল্লবীর কাছে যাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে। আদিত্যর কাছে পল্লবীর পরিচয় সম্পূর্ণ অজানা হলেও, মিঠির এই অসহায় অবস্থা দেখে সে তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে।
মিঠির কথামতো আদিত্য নিজের ফোন থেকে পল্লবীকে ফোন করে। ওপাশে পল্লবীর গলা পেয়ে মিঠি কান্নায় ভেঙে পড়ে। মিঠির এই অবস্থা শুনে পল্লবীও অস্থির হয়ে ওঠে। সে তখন না জেনেই আদিত্যকে অনুরোধ করে, মিঠিকে যেন ভালো করে পেট ভরে কিছু খাইয়ে দেওয়া হয়। সেই সাথে পল্লবী জানায় যে সে একটি ঠিকানা পাঠাচ্ছে, আদিত্য যেন মিঠিকে নিয়ে সেখানে চলে আসে। পল্লবীর কথা মতো আদিত্যও দায়িত্ব নিয়ে মিঠিকে খাওয়াতে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ সম্রাট মুখার্জির পর এবার সায়ক চক্রবর্তী? ‘চুরি করে পালাচ্ছে খুকু!’- চুরির দায়ে তাকে হাতেনাতে ধরলেন সায়ক! ‘চোখের আড়ালে কত জিনিস সরে যাচ্ছে…’ কি কি পাওয়া গেল খুকুর ব্যাগ থেকে?
এদিকে পল্লবী যখন মিঠির কাছে পৌঁছানোর জন্য ছটফট করছিল, ঠিক তখনই সেখানে এসে হাজির হয় সুপর্ণা ও সানি। তারা জোর করে পল্লবীকে টানতে টানতে বাড়ি নিয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই বাড়িতে ফিরে মিঠিকে না দেখতে পেয়ে সুপর্ণা রাগে ফেটে পড়ে। মিঠি যে বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে, সে কথা বুঝতে পেরে সুপর্ণা সব দোষ পল্লবীর ঘাড়ে চাপিয়ে দেয় এবং তাকে নির্মমভাবে দোষারোপ করতে শুরু করে। ওদিকে ফের আবারো কাছাকাছি আসে আদিত্য পল্লবী। মিঠিকে খুঁজতে গিয়েই কি এক সুতোয় বাঁধা পড়বে দুজনে?

