আরও গভীর হলো দুই বোনের সম্পর্কে ফাটল! নিশার বি’স্ফোরক জবাবে থমকে গেল উজি! একটা ভুল বোঝাবুঝি শেষ করে দিলো সব! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম জনপ্রিয় এবং চর্চিত ধারাবাহিক হলো ‘জোয়ার ভাঁটা’ (Jowar Bhanta)। ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গল্পে খেয়ার আচরণ এখন সবার কাছে এক মস্ত বড় প্রশ্নচিহ্ন। যে মানুষটার কারণে গোটা পরিবারে এত বড় ঝড় বয়ে গেল, পরিস্থিতি এমন অদ্ভুত দিকে ঘুরল যে শেষ পর্যন্ত তার কাছেই গিয়ে সবাইকে ক্ষমা চাইতে হলো! খেয়ার এই রহস্যময় রূপ এবং পরিস্থিতির চাপে পড়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত পুরো ঘটনাটিকে আরও অনেক বেশি জটিল করে তুলেছে। দর্শকরাও এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন খেয়ার আসল উদ্দেশ্য জানার জন্য।

ওদিকে খেয়া হঠাৎ করেই পরিবারের সবার সামনে দাবি করে বসবে যাতে সায়ন্তনকে তাদের কোম্পানিতে জয়েন করিয়ে নেওয়া হয়। এই কথা শুনে বাড়ির সবাই যখন চরম আকাশ থেকে পড়েন, তখন ঈষিকা তড়িঘড়ি ঋষির কাছে ছুটে যায়। সে পরামর্শ দেয় যে এই মুহূর্তে কোনোভাবেই সায়ন্তনকে কোম্পানিতে নেওয়া যাবে না, তার চেয়ে বরং খেয়া আর সায়ন্তনকে হানিমুনে পাঠিয়ে দেওয়া হোক।

ঈষিকার এই হানিমুনের আইডিয়াটাকেই নিজের কাজে লাগাতে চায় উজি। সে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে জানায় যে সায়ন্তন ও খেয়া দূরে থাকার এই ফাঁকা সময়টুকুকে সে পুরোপুরি ব্যবহার করবে। ওরা বাড়ি না থাকার সুযোগে সে সায়ন্তনের বিরুদ্ধে যাবতীয় অকাট্য তথ্য ও প্রমাণ জোগাড় করে ফেলবে, যাতে তাকে চিরতরে ফাঁসানো যায়।

এরই মধ্যে আগামী পর্বে দুই বোনের এক আবেগঘন ও তিক্ত মুহূর্ত দেখা যাবে। গভীর অভিমানে ভেঙে পড়ে নিশা বলে ওঠে, “এই পৃথিবীতে আমার কেউ আপন নয়।” এই কথা শুনে উজিও নিজেকে সামলাতে না পেরে কষ্ট পেয়ে নিশাকে জিজ্ঞেস করে, “আমিও কি তোর আপন নই? আমি তো তোর নিজের বোন।” কিন্তু নিশার অভিমান তাতে একটুও কমে না, সে পাল্টা জবাবে বলে, “আপন হলে কেউ কখনও পেছন থেকে ছুরি মারে না।” এই একটি সংলাপই বুঝিয়ে দিচ্ছে যে দুই বোনের সম্পর্কের ফাটল এখনও কতটা গভীর।

আরও পড়ুনঃ বোনের সাফল্যে দাদার কটাক্ষ! সমরের বাঁকা প্রশ্নের মুখে ঢাল হয়ে দাঁড়াল শ্রীনিবাস! ঝিনুকের প্রশ্নে কোণঠাসা সম্রাট! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব?

সবশেষে, প্রোমোর একেবারে শেষ মুহূর্তে আসে আসল টুইস্ট। নিজের ঘরে ল্যাপটপে কাজ করার সময় হঠাৎ করেই জিৎ বসুর চোখ যায় আলমারির দিকে। তার মনে হয়, ভেতরে যেন কেউ লুকিয়ে আছে এবং সে সঙ্গে সঙ্গেই চিৎকার করে বলে ওঠে, “কে আছে ওখানে?” এই দৃশ্যটি দেখানোর পর থেকেই দর্শকদের মনে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে—সত্যিই কি কেউ আলমারির ভেতর লুকিয়ে আছে, নাকি এর পেছনেও লুকিয়ে রয়েছে অন্য কোনো বড় ষড়যন্ত্র? আপনাদের কী মনে হয়, নিশা আর উজির এই ভুল বোঝাবুঝি কি আদেও কোনোদিন মিটবে? আর জিৎ ঠিক কাকে আলমারির ভেতর দেখতে পেল? কমেন্ট করে আমাদের জানান!

Back to top button