এক তীরে দুই শিকার! নিশাকে ফাঁসাতে উজির সর্বনাশের জাল বুনলেন দুর্জয় ঘোষাল! কি করতে চলেছে এই মূর্তিমান শয়তান? দূরদর্শন আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) অন্যতম জনপ্রিয় এবং চর্চিত ধারাবাহিক হলো ‘জোয়ার ভাঁটা’ (Jowar Bhanta)। ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, এত কষ্ট আর নিখুঁত পরিকল্পনা করে উজি অবশেষে সায়ন্তনকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছিল। মনে হয়েছিল এবার হয়তো সত্যিই একটা বড় পরিবর্তন আসবে এবং অপরাধী তার উপযুক্ত শাস্তি পাবে। কিন্তু দর্শকদের মন ভেঙে দিয়ে পরের দিনই জামিন পেয়ে যায় সায়ন্তন। একজন সৎ পুলিশ অফিসার হিসেবে উজির জন্য সত্যিই খুব খারাপ লাগে, তার ছোট ছোট সাফল্যগুলো এইভাবেই বারবার প্রভাবশালী অপরাধীদের ক্ষমতার দাপটে ম্লান হয়ে যাচ্ছে।

সায়ন্তন জামিন পেয়েই দমে না গিয়ে উল্টে ডাকপিয়নের মাধ্যমে খেয়ার কাছে একটি চিঠি পাঠায়। আর খেয়া এতটাই সরল ও অবুঝ যে, সেটাকে সায়ন্তনের পাঠানো প্রেমপত্র ভেবে খুশিতে ডগমগ হয়ে সোজা নিজের ঘরে চলে যায়। উজি একজন পুলিশ অফিসার এবং শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে যখন সতর্ক করার জন্য চিঠিটা দেখতে চায়, তখন খেয়া উল্টে উজিকেই রেগে গিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়! এটা দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, সায়ন্তনের প্রতি খেয়ার অন্ধ বিশ্বাস ও মোহ এখনও একটুও কমেনি।

আসলে সায়ন্তন একটা ডাইরিতে লিখে পাঠায় যে, সে নাকি খেয়ার ভালোবাসার পরীক্ষা করার জন্য ব্রেইন টিউমারের নাটক করছিল। আর খেয়া অন্ধের মতো সায়ন্তনের সেই সাজানো কথাটাও বিশ্বাস করে নেয়। সে উল্টে খুশি হয়ে ভাবে যে সায়ন্তন তাকে পাগলের মত এতটাই ভালবাসে যে তার ভালোবাসার পরীক্ষা নিচ্ছিল। এদিকে উজি কোনোভাবেই বুঝতে পারে না যে সে খেয়াকে কিভাবে সত্যিটা বোঝাবে, কারণ ঋষি নিজেই এখন পর্যন্ত তার নিজের বোনকে ঠিকমতো চিনতে পারছে না।

অন্যদিকে আগামী পর্বে এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ মোড় দেখতে পাওয়া যাবে। যেখানে উজি কোনোভাবেই হার মানতে রাজি নয়। সে নিশাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, “দিদি, আমাদেরকে দুর্জয় ঘোষাল ও সায়ন্তনকে আটকাতেই হবে। আমি ওদের দুজনকে কোনোভাবেই ছেড়ে দেবো না।” উজির এই দৃঢ় প্রতিজ্ঞা গল্পে এক নতুন লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ পরিবারের কঠিন সময়ে পল্লবীর বড় সিদ্ধান্ত! ঘুরে দাঁড়ানোর জেদ পল্লবীর মনে! মাকে ভালো রাখতে কি করতে চলেছে সে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

তবে অপরাধী চক্রও বসে নেই, তারা উজিকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার জন্য আরও এক ভয়ঙ্কর নীল নকশা তৈরি করছে। দুর্জয় ঘোষাল সায়ন্তনের সাথে বসে প্ল্যান করতে থাকে যে, তারা এবার উজিকে খুন করে ফেলবে এবং সেই খুনের সমস্ত দায় চাপিয়ে দেবে নিশার উপরে। এতে এক ঢিলে দুই পাখি মরবে উজির চ্যাপ্টারও শেষ হয়ে যাবে আর খুনের দায়ে নিশাও ফাঁসবে, যার ফলে তাদের অপরাধের পথ একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে।

Back to top button