রুক্মিণীর মাথায় স্নেহের স্পর্শ দিল গোপাল! এই স্পর্শ বাবার হাতের মতই স্নিগ্ধ! গোপালের নিখাদ ভালোবাসায় মুগ্ধ দর্শক!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
তবে ধারাবাহিকে যে জুটি সবথেকে বেশি মন জয় করেছে দর্শকদের সেটা হলো গোপাল এবং রুক্মিণীর জুটি। এই জুটি দর্শক ভীষণভাবে পছন্দ করেন। ধারাবাহিকে গোপালের চরিত্র অভিনয় করছেন অভিনেতা দ্রোণ মুখার্জি এবং রুক্মিণী চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী অনন্যা দাস। অনেক সময় ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকার জুটির পাশাপাশি ওই ধারাবাহিকের অন্যান্য জুটি গুলিও বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এরকমই গোপাল রুক্মিণীর জুটিকে বেশ পছন্দ করছেন দর্শক। বরং বলা যায় রায়ান পারুলের চেয়ে গোপাল রুক্মিণীর জুটি বেশি পছন্দের দর্শকদের কাছে।
ধারাবাহিকের গতকালের যেমন দেখানো হয়েছে রুক্মিণী সাফল্যে কি সুন্দর খুশি গোপাল। রুক্মিণী গ্রামের মালতীর স্বপ্ন পূরণ করতে তাদের আর্থিক ভাবে সাহায্য করতে তাদের একটা রান্নার চ্যানেল খুলে দিয়েছে। তাতে দর্শক খুবই ভালোবাসা দিচ্ছে সেখানেই উপার্জিত অর্থ রুক্মিণী নিজের কাছে না রেখে সবটাই তাদের সাহায্যের জন্য দিয়ে দিচ্ছে।
আর রুক্মিণীর এই স্বভাব গোপালের মন জয় করে নিয়েছে। তাই ঠিক বাবার মতন স্নেহ ভালবাসা দিয়ে রুক্মিণীর পাশে থেকে তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে গোপাল আর দর্শকদের এই দৃশ্য খুবই মনে ধরেছে। এত সুন্দর দৃশ্য এখন ধারাবাহিকে খুবই কম দেখা যায়। যেখানে বর্তমান সময়ে সবাই একে অপরকে হিংসে করছে একে অপরের ক্ষতি চাইছে সেখানে রুক্মিণী কতটা নিঃস্বার্থ ভাবে সকলের কথা ভাবছে।
আরও পড়ুনঃ মদের নেশায় বুদ সাহেব-সুস্মিতা! মাতলামি করতে করতে ৫০০ পর্ব উদযাপন! ‘এদের শিক্ষা দীক্ষা নেই’- এই বেলেল্লাপনায় ক্ষুব্ধ দর্শক!
এবারে শুধুমাত্র গোপাল রুক্মিণীর মিল দেখার জন্যই অপেক্ষা করে আছেন সবাই। কবে রুক্মিণী গোপালকে মন থেকে তার স্বামীর জায়গা দেবে, তাকে মেনে নেবে সেটাই ভাবছেন দর্শক। তাদের মধ্যেকার এই সুন্দর প্রেম দেখতে দর্শকদেরও বেশ ভালো লাগে।

