সব অপরাধের আই উইটনেস এবার জ্যাসের কবলে, কৌশিকীর দৌলতে বাবাকে কাছে পেলো কাঁকন!

আসতে আসতে জাল গুটিয়ে আনতে আনছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিকের নায়িকা জ্যাস সান্যাল। আর সেই জানে ইতিমধ্যেই আটকে পড়েছে রাঘব বোয়ালরা। যতদিন যাচ্ছে আরও বেশি রোমাঞ্চে ভরে উঠছে ধারাবাহিকের প্লট। যার ফল স্বরূপ চলতি সপ্তাহ টিআরপিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে এই মেগা।
বর্তমানে গল্প অনুযায়ী, অন্যায় করতে করতে নিজের সীমা অতিক্রম করে গিয়েছে উৎসব মুখার্জী। বাচ্চা বুড়ো এখন কোনো বয়সী তার কাছে কোনো বাধা নয়। যার প্রমাণ ইতিমধ্যেই দেখতে পেয়েছেন দর্শকম মহল। কাঁকন এর মতন একটা শিশুর অনিষ্ট করতে একবারও হাত কাঁপেনি তার। তবে কৌশিকী আর জগদ্ধাত্রী থাকলে সেটা সম্ভব নয়।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায় কাঁকন অনেকদিন ধরে নিজের বাবার কাছে যাওয়ার জন্য ছটফট করছিল। সেটা বুঝতে পারে তার মা কৌশিকী। তাই বাচ্চাটাকে তার বাবার কাছে কিছুক্ষণের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করে দেয় সে। কৌশিকী নিজে তার মেয়েকে গাড়ি করে নিয়ে আসে সমরেশের বাড়ির সামনে। সেখানে ছদ্মবেশে অপেক্ষা করছিল নন্দী। কৌশিকী কাকে বলে, “কাঁকনকে নিয়ে এক ঘন্টার জন্য ওই বাড়িতে যাবে। বলবে হোস্টেল থেকে ওকে নিয়ে আসা হয়েছে। ঠিক এক ঘণ্টা পরে আবার আমার সঙ্গে ও ফিরে যাবে।”
অন্যদিকে সমরেশ আর বিরু কাঁকনকে খোঁজার জন্য পুলিশের কাছেই যাচ্ছিল ঠিক সেই সময় সেখানে এসে হাজির হয় তার মেয়ে। কাঁকনকে দেখে খুব খুশি হয়ে যায় সমরেশ। তাকে পেয়ে প্রথমে রাজনাথকে ফোন করে সে। আর তার করা ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেয় রাজনাথের থেকে। এরপর কাঁকনের সাথে খুব সুন্দর একটা ঘন্টা কাটায় সমরেশ। কাঁকনকে অনেক উপহার দেয় সে। এক ঘন্টা কেটে গেলে, কাঁকনকে আবারো নিয়ে চলে যায় কৌশিকী। এদিকে এই বিষয়টা জানতে পেরে অবাক হয়ে যায় উৎসব। সে তাড়াতাড়ি চলে যায় সমরেশের বাড়িতে। বুঝতে পারেনা এসব কি হচ্ছে।
এদিকে জগদ্ধাত্রী একটি গাড়িকে দাঁড় করায়। ভিতরে থাকা লোকটিকে সে বলে, “তুমি গোপাল তো? গাড়ি চালাও? সব রকমের গাড়ি চালাতে পারো তাইতো?” এসব শুনে গোপাল বলে, “আপনি কি আমায় কাজ দেবেন?” এরপর জগদ্ধাত্রী বলে, “হ্যাঁ দেব আবার দেবোনা দুটোই। সেদিন রিসোর্টে গাড়িটা তো তুমি নিয়ে গিয়েছিলে?” এটা শুনেই চলতে গিয়ে পালাতে যায় গোপাল কিন্তু তাকে আটকে দেয় জগদ্ধাত্রী। তারপর সে বলে, সেদিনকার অনেক বড় অপরাধ নিজের সামনে হতে দেখেছে গোপাল তাই তাকে ছাড়া যাবে না।

