স্বয়ম্ভুকে খুন করতে চেয়েছিল উৎসব! বাড়ির সবার সামনে আসল সত্যিটা বলে দিল জগদ্ধাত্রী, এবার কী করবে মেহেন্দি

এই মুহূর্তে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের সব থেকে জনপ্রিয় ধারাবাহিক টি হল জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। শুরুর পর থেকেই দর্শকমহলে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে এই ধারাবাহিক। অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকের পরেই যার নাম আসে সে হল জগদ্ধাত্রী। টিআরপি তালিকায় হামেশাই চ্যানেল টপার হতে দেখা যায় এই ধারাবাহিককে। ধারাবাহিকের আকর্ষণীয় প্লট প্রতিটি জনগণের কাছে একে আরো অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

এই মুহূর্তে ধারাবাহিকের প্লট অনুযায়ী সমাধান হয়েছে স্বয়ম্ভুর মৃত্যু রহস্য। তাকে যে বা যারা মারার চেষ্টা করেছিল তাদের প্রত্যেককে শনাক্তকরণ করেছে জগদ্ধাত্রী। যুদ্ধে জিতে মাথা উঁচু করে বাড়ি ফিরে এসেছে তারা। বাড়ির প্রত্যেকের তাদের দুজনকে পেয়ে ভীষণ খুশি। যদিও প্রত্যেকে বলাটা ভুল হবে মেহেন্দি আর উৎসব কেবলমাত্র নিজের স্বার্থে ভালো সাজছে জগদ্ধাত্রী কাছে।

বাড়ি ফিরতেই বৈদেহি আর রাজনাথ নিজের ছেলে এবং বৌমা হিসেবে স্বয়ম্ভু ও জগদ্ধাত্রীকে আপন করে নিয়েছে। তারা আসতেই তাদের নতুন জামা ও শাড়ি দিয়েছে। এরপর ফ্রেস হয়ে সেগুলো পরে একসঙ্গে খেতে বসেছে তারা। সেখানেই মেহেন্দি বলে ওঠে এই সমস্ত কিছুর আয়োজন সে করেছে। আসা ইস্তক কখনো কান্নাকাটি করে কখনো জড়িয়ে ধরে জগদ্ধাত্রীর মন পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে মেহেন্দি।

খাবার টেবিলে হঠাৎ কান্নাকাটি শুরু করে প্রীতি। তার স্বামী এত বড় অন্যায় করা সত্ত্বেও এখনো অব্দি সে বলে চলেছে তার স্বামীর হয়েই। অন্য দিকে জগদ্ধাত্রী কেন এতদিন স্বয়ম্ভু বেঁচে আছে এই কথাটা লুকিয়ে রেখেছিল সেই প্রসঙ্গে কথা উঠলে জগদ্ধাত্রী বলে, যদি এমনটা না করা হতো তাহলে স্বয়ম্ভু মারা গেছে কিনা সেটা কনফার্ম করতে তার আসল খুনিরা আসতো না।

অন্যদিকে উৎসব বলে সে আর এসব নিতে পারছে না। তখন জগদ্ধাত্রী বলে, “আপনাকে আর পারতে হবে না উৎসব। আপনি কি জানেন স্বয়ম্ভুকে কে মারতে চেষ্টা করেছিল? প্রথমে ছিল বল্টু তারপর জামাল ভাই আর তার মাথায় ছিল দেবুদা। আর তার উপর…” তাকে থামিয়ে দিয়ে বৈদেহি বলে “এসব কথা এখন থাক জগদ্ধাত্রী, খাবার সময় আর এসব কথা নাইবা উঠলো।”

Back to top button