“কৌশিকী মুখার্জী তুমি হেরে গেছো”- সবকিছুর পিছনে রয়েছে দিব্যা সেন! জ্যাসের কথায় ভয় পেয়ে গেল বৈদেহি

দিন দিন আরও বেশি রোমাঞ্চকর হয়ে উঠছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিকের প্লট। এই মেগার নায়িকা জ্যাস এর থেকে অপরাধ লুকিয়ে রাখা একেবারেই অসম্ভব। সে কখনো অপরাধ এবং অপরাধীকে ক্ষমা করেনা। আর তার জন্যই আর পাঁচটা ধারাবাহিকের তুলনায় এই ধারাবাহিকের নায়িকা জগদ্ধাত্রীকে অনেক বেশি পছন্দ করেন দর্শক মহল। যার জলজ্যান্ত প্রমাণ ধারাবাহিকের টিআরপি।
বর্তমানে গল্প অনুযায়ী, উৎসবের সমস্ত কারসাজি ধরা পড়ে গিয়েছে জগদ্ধাত্রী আর স্বয়ম্ভুর কাছে। প্রায় ৯০ শতাংশ রহস্যের সমাধান করে ফেলেছে তারা। এই দিন রাজনাথে থেকে পাওয়া স্বীকারোক্তি উৎসবকে ধরার ক্ষেত্রে আরো একঘাট সাহায্য করেছে তাদের। এখন শুধু একটাই প্রশ্ন, কৌশিকীকে গুলি করেছে কে? এই প্রশ্নের উত্তর বেরিয়ে গেলেই কেস সল্ভ।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, উৎসবের মা অর্থাৎ বৈদেহি মুখার্জী বাড়ির প্রত্যেককে বলে, “একটা বাইরের ছেলে রাজনাথের ওপর এভাবে চড়াও হলো কিভাবে? ও নাকি রাজনাথকে গ্রেফতার করবে। অত ক্ষমতা আছে ওর? একটা রাস্তার ছেলে হয়ে ও এত সাহস পায় কি করে? আর তোমরাই বা কি করছিলে? সিকিউরিটি ডেকে ওকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে পারোনি?” তখন সাংভি এসে তার মাকে বলে, তারা প্রত্যেকে অন্যায় করেছে আর তার শাস্তি তারা অবশ্যই পাবে। সত্যি কথা মুখের ওপর বলায় নিজের মেয়েকেও সহ্য করতে পারে না সে। এরপর সোজা স্বয়ম্ভুকে ফোন করে বৈদেহি।
ফোন করে সে বলে, “যখন দেখলে আর একটা কানা করিও পাবে না তখন নিজের আসল রূপটা বের করে আনলে, তাই তো? কোথাকার ইলেভেনে পুলিশ অফিসার আমাদের ধমকি দিচ্ছে?” তখন স্বয়ম্ভুর হাত থেকে ফোনটা নিয়ে নেয় জগদ্ধাত্রী। এবং কথা বলতে শুরু করে। তার কথা শুনে জগদ্ধাত্রী গলার আওয়াজ বলে মনে হলেও অনেক কায়দা করে বিষয়টাকে ঘুরিয়ে দেয় জ্যাস। সে বলে, “আমি হলাম স্বয়ম্ভুর নতুন বস। আর আপনি আমার কলিগের সাথে এভাবে কথা বলতে পারেন না। বেশি বাড়াবাড়ি করলে আপনার কোম্পানি আমি বন্ধ করে দেব তালা লাগিয়ে দেবো। শুধু কৌশিকী মুখার্জিকে খুঁজে বের করতে দিন তারপর আপনাদের অবস্থা কি হয় শুধু দেখে নেবেন।”
এদিকে দেখা যায় তুষার তীর্থত্তলা পাত্রের সাথে কথা বলছে দিব্যা সেন। সে যা যা ঘটেছে এই সবকিছু তুষারকে খুলে বললে তুষার তাকে বলে, সেই যে আসল কালপ্রিট সেটা কেউ বুঝতেও পারিনি। আর সে তার ছেলের সাথে হওয়া অন্যায়ের বদলা নেবে। তুষার সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দিব্যা সেন বলে, “তুমি কিছুই খেলোনি তুষার, খেলেছি তো আমি। আমি তোমাকে দিয়ে খেলিয়েছি। এবার তুমি ফাঁসবে আর ছেলের সঙ্গে জেলের ভাত খাবে। আমি বসে বসে দুটো কোম্পানির উপর ছড়ি ঘোরাবো।”

