ফের বুদ্ধি দিয়ে বাজিমাত করল পারুল! মারাত্মক ফাঁদ পাতলো নায়িকা! সামনে এলো মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা তুর্যর আসল চেহারা!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো 'পরিণীতা' (Parineeta)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই পারুল ও রায়ানের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে পারুল বুঝতে পারে না কিভাবে কাকুকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনবে। আর শ্রীতমা কেন মিথ্যে বয়ান দিলো সেটাও বুঝতে পারে না কেউ। কারণ শ্রীতমা নিজে বলেছিল সে ওই লোকটিকে ঠিক মতন দেখতে পায়নি, তার মাথা তখন কাজ করছিল না। তাহলে কেনো মিথ্যে অভিযোগ দিলো সেটাই প্রশ্ন। তুর্য শ্রীতমার প্রেমিক সুতীর্থকে ধরে নিয়ে আসে। তাকে বন্দী করে রেখে শ্রীতমাকে দিয়ে মিথ্যে বয়ান দেওয়ায়। তাই পরেরদিন পারুল রায়ান যায় শ্রীতমার বাড়িতে।

Bengali serial

শ্রীতমার ঘরে ঢুকে রায়ান এবং পারুল শ্রীতমাকে জেরা করতে থাকে, কেন সে মিথ্যে বলল সেই উত্তর চায়। শ্রীতমাকে দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে সে কিছু লুকাচ্ছে। পারুল শ্রীতমাকে জেরা করতে থাকে, শ্রীতমা মুখ না খুললে পারুল তাকে কষিয়ে এক থাপ্পর মারে। তখন শ্রীতমা কাঁদতে কাঁদতে বলে সে বাধ্য হয়ে এই কাজ করেছে। একটা লোক শ্রীতমাকে ফোন করে ভয় দেখায় । শ্রীতমা যদি মুখ খোলে তাহলে সুতীর্থকে মেরে দেবে।

এসব শুনে তো রায়ান এবং পারুল অবাক হয়ে যায়। শ্রীতমা এতদিন পর্যন্ত এই কথাটা লুকিয়ে ছিল। সব মিলিয়ে পারুল বুঝতে পারে ওই ব্যক্তি আগে থেকে জানতে পেরে সব প্ল্যান মত এগিয়েছে। তার টার্গেট ছিল মনোজিৎ সুতরাং আগে যেহেতু টার্গেট করেছিল রায়ানের ক্ষতি করতে না পেরে এখন মনোজিৎকে টার্গেট করেছে, সুতরাং ওই লোকটির টার্গেট গোটা বসু পরিবার। এই কথাটা ভেবে পারুল এবং রায়ান ভয় পেয়ে যায়। কিভাবে বিপদ থেকে উদ্ধার করবে পরিবারকে সেটাই বুঝতে পারে না।

আরও পড়ুনঃ অসম্ভবকে সম্ভব করলো ফুলকি! ফিরবে বড় রাণীমার হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

অন্যদিকে তুর্য সুতীর্থকে ব্ল্যাকমেইল করে। তারপর শ্রীতমাকে ফোন করে তুর্য বলে শ্রীতমা যেন মুখ না খোলে তাহলে সুতীর্থকে প্রাণে মেরে ফেলবে। এদিকে সেই সুযোগে পারুল তখন ফোনে সমস্ত রেকর্ড করতে থাকে। যাতে কোন রকম প্রমাণ পাওয়া যায়। তারপর ফোনে কথা বলার সময় পিছন থেকে একটা জায়গায় নাম শুনতে পায় পারুল সেই সূত্র ধরেই এগোতে হবে এবারে। আর সেই মতন পুলিশের সাহায্য নিয়ে পারুল বেরিয়ে পড়ে। সুতীর্থর ক্ষতি করার আগেই পুলিশ ঘিরে ফেলে তুর্যকে। এবারে দেখার অপেক্ষা তুর্যর মুখোশ পারুলের সামনে খুলে যায় কি না।

Back to top button