নতুন চমক, তিতির জানলো সোমরাজের মা হল মীতা চ্যাটার্জি, মা ছেলেকে এক করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে সে, তার উদ্দেশ্য কি সফল হবে?

বর্তমানে টিআরপি অভাবে বহু ধারাবাহিক ইতির খাতায় নাম লিখিয়েছে। আবার কিছু পুরোনো ধারাবাহিকের জায়গায় এসেছে নতুন ধারাবাহিক। যার টিআরপি যত কম, সেই ধারাবাহিক তত কমদিন স্থায়ী, আর তাই এখন ধারাবাহিকগুলো টিআরপির দিকে বিশেষ নজর রাখছে। সেই টিআরপি ধরে রাখতেই কিছু ধারাবাহিকগুলিকে অবাস্তব, আজগুবি গল্পের সাহারা নেটে দেখা যায় অনেক সময়।

আর সেগুলির জন্য একদিকে যেমন খেপে উঠছে দর্শক, অন্যদিকে বিনোদনের জন্য সেগুলো দেখতে পছন্দও করছেন তাঁরা। কিছুদিন আগে অদ্ভুত বিয়ে দেখানোর জন্য বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছিল জি বাংলার মন দিতে চাই ধারাবাহিক। খুব বেশিদিন হয়নি এই ধারাবাহিকের বয়স। শুরু থেকেই বেশ চর্চায় রয়েছে এই মেগা। অল্পদিনের মধ্যেই দর্শকদের মন জিতে নিয়েছে নায়ক নায়িকা।

ধারাবাহিকের গল্প আবর্ঠিত হয়েছে একটি একগুয়ের ছেলে এবং একটি প্রাণোচ্ছল মেয়েকে নিয়ে। সোমরাজ বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন ঋত্বিক। এক কথায় তিনি একজন দাম্ভিক ‘বিজনেস টাইকুন’ তিনি। ৩০০ কোটি টাকার ব‍্যানার্জি টেক্সটাইলের মালিক সোমরাজ। একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে নিজের মূর্তি উন্মোচন করে তিনি দাবি করেন, তার সাফল‍্যের পেছনে সব কৃতিত্ব তার নিজেরই। অন্যদিকে অরুণিমার চরিত্রটি অত‍্যন্ত স্বাধীনচেতা ও আত্মমর্যাদা সম্পন্ন। এই নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ের উপার্জনের উপর পরিবার অনেকটা নির্ভরশীল।

সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের একটি নতুন প্রোমো ভিডিও সম্প্রচারিত হয় যা দেখে অনেক রহস্যের সমাধানের খোঁজ পান দর্শকরা। ভিডিওতে দেখা যায় ফোনে কথা বলতে বলতে ফাইল খুঁজে চলেছে তিতির। ফোনের অপরদিকে থাকা ব্যক্তিটি তিতিরকে ফাইলটি খুঁজতে সহায়তা করছে। ঠিক এমন সময় একটি ফাইল চোখে পড়ে তার, সেটা দেখে তিতির বলে যেটা খুজছিল সেটা সে পেয়ে গিয়েছে।

ফাইলটি খুলতেই বেরিয়ে আসে সোমরাজ এবং তার মায়ের ছবি। এই ছবিটিরই অর্ধেক অংশ অর্থাৎ যেটুকুতে শুধুমাত্র সোমরাজ রয়েছে সেটা আগেই দেখেছিল তিতির। এই নিয়ে প্রশ্ন করলে সেদিন সোমরাজ তাকে কোন জবাব দেয়নি। কিন্তু আজ তিতিরের কাছে সবটা পরিষ্কার। ছবিতে আছে পৃথা এবং সোমরাজ। ছবিটি দেখার পরেই তিতির প্রতিজ্ঞা করে সে মা ছেলেকে এক করবে। এত দিনের ভেঙ্গে যাওয়া সম্পর্ককে কি ভালোবাসা দিয়ে জুড়তে পারবে তিতির?

Back to top button