ব্লুজের তৈরী করা জগদ্ধাত্রীর টক্করে নেই কেউ! এই নায়িকার চরিত্র অসামান্য তেজ আর আকর্ষণ নিয়ে জয় করছে দর্শকদের মন

জি বাংলায় (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) সিরিয়ালের ক্রেজ পৌঁছে গিয়েছে আলাদা পর্যায়ে। কিন্তু এই ধারাবাহিকের বৈশিষ্ট্য কী? এই সিরিয়াল যে গল্প নিয়ে শুরু করেছিল, অর্থাৎ নায়িকার অ্যাকশনধর্মী প্লট, তা এখনো পর্যন্ত ধারাবাহিকটিকে টিআরপি তালিকায় ১ থেকে ৫ এর মধ্যে ধরে রাখতে পেরেছে অবিকল। এ তো গেল এক নম্বর পয়েন্ট।

একটা সময় গ্রামে-গঞ্জে মারাপিঠওয়ালা গল্প খুবই চলত। সেই সব গল্পে কিন্তু থাকত মা-বোনেদের কান্না, সংসারের কূটকচালী। ‘জগদ্ধাত্রী’তে নায়িকা অ্যাকশনে। সে-ই হিরো এই গল্পের। লেখক স্নেহাশিস চক্রবর্তীর গল্পে যেমনটা আর কি লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু এই নায়িকার মধ্যে কান্না কম, আপোশ কম, মারামারি বেশি। জগদ্ধাত্রী তাই জ্যাস হয়ে দুষ্টের দমন এবং শিষ্টের পালন করছে। আর তাই মা-কাকিমাদের পাশাপাশি, একটা সময় ‘প্রসেনজিৎ-চিরঞ্জিতের মারামারিওয়ালা’ সিনেমা দেখা বাবা-কাকারাও ‘জগদ্ধাত্রী’ উপভোগ করছেন।

আমাদের সমাজে মানুষের মাথায় নায়িকা সম্পর্কে একটি পাকাপাকি ধারনা তৈরি হয়ে গিয়েছে। ধারাবাহিকের নায়িকা মানে ন্যাকা বোকা চরিত্র, সে কিছুই বোঝে না ,সে নিপাট ভালো মানুষ, ভিলেন একটার পর একটা শয়তানি করে যায় আর সে মুখ বুজে, সহ্য করে যায় কখনো কান্নাকাটি করে, কিন্তু কখনোই ভিলেনের শয়তানি ধরতে পারেনা, উপরন্ত নিজে অপদস্ত হয়- এইরকমই চরিত্র মূলত দেখানো হয় বাংলা ধারাবাহিকের।

তবে এই ধারণা যে একেবারেই ভুল তার প্রমাণ দিয়েছে জগদ্ধাত্রী। জগদ্ধাত্রী আর পাঁচটা ধারাবাহিকের মতো কোনো লক্ষ্মী মেয়ে বা বউ নয়। সে সাক্ষাৎ মা কালীর আর এক রূপ। সে নিজে একজন স্পেশাল ফোর্স পুলিশ অফিসার, যে অন্যায়কে একদম মেনে নিতে পারে না এবং অন্যায়কারীকে উচিত শিক্ষা দেয়। এইসব কারণের জন্যই জগদ্ধাত্রী চরিত্রটি সত্যি সাড়া ফেলেছে দর্শকমহলে।

জগদ্ধাত্রীর বিষয় একাধিক প্রশংসা যুক্ত মন্তব্যে ভরে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। এখন প্রতিটি ধারাবাহিক প্রিয় মানুষের চোখে সেরা নায়িকা হলেন জগদ্ধাত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন নেটিজেন লিখেছেন যে,“ব্লুজের তৈরি করা জগদ্ধাত্রী চরিত্র যেনো ব্লুজের সব চরিত্র কে পেছনে ফেলে দিচ্ছে সিরিয়ালের নায়িকা মানেই ন্যাকামো। কিন্তু জগদ্ধাত্রী চরিত্র টা খুব স্ট্রং”।

Back to top button