দাদুর মুখে উত্তরবঙ্গের নাম শুনে চ’ম’কে গেল শ্যামলী! ছেলেকে আঁচলে বাঁ’ধতে অ’ন্যা’য়ে’র আশ্রয় নিলো মামণি!

নিজের ঘর দোর কাছের মানুষ ছেড়ে বেশ কিছুদিন আগেই শ্যামলী চলে এসেছে কলকাতায়। আর এখন জোড়া বাড়ি তার পরিবার, এটাই তার ঠিকানা। জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকটি। আর এই জনপ্রিয়তার পিছনে অন্যতম ভূমিকা পালন করছে নায়িকা শ্যামলী। এখানে নায়িকা দুটি চরিত্রে অভিনয় করছে।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, নায়িকা শ্যামলীর ননদ এবং হবু নন্দাই অনেক বড় বিপদের সম্মুখীন হয়েছিল। কোনো দোষ না করেও জেল খাটতে হচ্ছিল তাদের। কিন্তু শ্যামলী নিজের উদ্যোগে, অনেক বড় ঝুঁকি নিয়ে জ্যাকির ঠিকানা জোগাড় করেছে এবং শেষে নিজে অনেক সাহসিকতার সাথে আদালতে গিয়ে প্রমাণ দিয়ে সবাইকে এই বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেছে। যার ফল স্বরূপ এখন সবাই খুব খুশি। শ্যামলীও সবার খুব প্রিয় হয়ে উঠেছে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, জোড়া বাড়িতে আনন্দ উৎসব চলছে। প্রিয়া আর প্রতিম ফিরে আসায় তাদের মায়েরা শ্যামলীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানায়। সত্যিই আজ শ্যামলী না থাকলে তারা হয়তো আর নিজের জীবনটাকে সুন্দরভাবে বাঁচতে পারতো না। শ্যামলীর এত প্রশংসা সহ্য করতে পারে না অপরাজিতা, তার মনে হয় সবকিছু তার হাতে বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে। সব ঠিক হয়ে গিয়েছে এই আনন্দে জোড়া বাড়িতে একটা পারিবারিক পার্টির আয়োজন করা হয়।
শ্যামলী বেশ কিছুক্ষণ ধরে বুঝতে পারছিল সে ওই আনন্দ উৎসবে উপস্থিত রয়েছে বলে অপরাজিতা আনন্দ করতে পারছে না তাই শ্যামলী নিজের ঘরে চুপচাপ চলে আসে। কিন্তু তাকে একা থাকতে দেয়নি ঠাম্মি আর প্রিয়া। শ্যামলীকে না দেখতে পেয়ে তারাও চলে আসে শ্যামলীর কাছে। এরপর সেখানে আসে অনিকেত। সে শ্যামলীকে তার উদ্দেশ্যে রাখা ওই পার্টিতে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করে। শ্যামলী আর না করতে পারে না। আস্তে আস্তে অনেকের তার ওপর ভরসা করছে এটা দেখে ভীষণ ভালো লাগে শ্যামলীর। এই আনন্দ অনুষ্ঠানে সবাই ভীষণ মজা করে। শ্যামলী আর অনিকেতকে কাপল ডান্স করতে বলা হয়।
প্রথম দিকে রাজি না থাকলেও পরে তারা দুজন মিলে খুব সুন্দর ভাবে নাচ পরিবেশন করে। কিন্তু এই সব কিছুতেই সহ্য করতে পারছিল না অপরাজিতা তাই ওই পার্টির মাঝেই সে একটা কাঁচের গ্লাস ভেঙ্গে দেয়। আর সেখানেই ওই পার্টিটা শেষ হয়ে যায়। পরের দিন পরিতোষ বলে কেউ একজন ফোন করায় দাদু খুব খুশি হয়। তাদের থেকে শ্যামলী জানতে পারে ওই লোকটি উত্তরবঙ্গে শ্যামলীর বাড়ির কাছেই থেকে। দাদু বলেন, ওই লোকটি একবার এক বড় দুর্ঘটনায় তাদের গোটা পরিবারকে অনেক সাহায্য করেছিল। অনেকদিন পর নিজের গ্রামের নাম শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে শ্যামলী।

