ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলেই পা’য়ে’র নি’চ থেকে মাটি স’রে গেল পর্ণার! নাতির লো’ভে অয়ন মৌমিতার সাথে হা’ত মে’লা’লো কৃষ্ণা!

সবাইকে সহজ মনে বিশ্বাস করাই জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়ালো। বর্তমানে টিআরপি তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করছে এই ধারাবাহিক। একটি ছিমছাম সাধারন ঘরোয়া কাহিনীকেই অসাধারণ ভঙ্গিতে প্রকাশ করছে ধারাবাহিক কর্তৃপক্ষ। যতদিন যাচ্ছে দর্শকদের কাছে আরো বেশি করে প্রিয় হয়ে উঠছে এই মেগা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন দুদিন আগেই অনেক বড় একটা বিপদে পড়েছিল। আর সেখানেই এক দুর্ঘটনার শিকার হয় সৃজন। তার সাথে প্রতারণা করা হয়। মিথ্যে বলে তার সাথে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয় সুইটির। আর এর পেছনে যার মাথা কাজ করছে সে হলো স্বয়ং সুইটি। কিন্তু তার অভিনয়ে গলে গিয়ে তাকে দত্তবাড়িতে নিয়ে আসে পর্ণা। কেউ এই বিষয়টা পছন্দ করেনি। কিন্তু পর্ণা চেয়েছিল সুইটিকে বিশ্বাস করতে। কিন্তু এইবার সে বুঝতে পারলো ঠিক কত বড় ভুল করেছে সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সুইটি বাথরুমে চলে গেলে রুচিরা পর্ণাকে বলে, “আমি বুঝতে পারছি না তুই কেনো এখনো ওই মেয়েটাকে এখানে রেখেছিস। জেঠু কাকীমনি কেউ চায় না। আমারও মন সায় দিচ্ছে না।” তখন পর্ণা বলে, পরিস্থিতি তাকে বাধ্য করেছে। সেই সময় সুইটি সেখানে চলে আসলে অবাক হয়ে যায় রুচিরা আর পর্ণা। কারণ মাথার সিঁদুরটা সে ভালোভাবে মোছেনি। এরপরে এই নিয়ে পর্ণা সুইটিকে অনেক কথা শোনায়। শুধুমাত্র ওই মুহূর্তের জন্য সে সিঁদুরটা ভালো করে মুছে আসে।

এদিকে দেখা যায়, মৌমিতা আর অয়ন কৃষ্ণাকে বোঝায়, “দেখো, ওই মেয়েটা এত বেশি শিক্ষিত নয়। গ্রামের সহজ সাদা সিদে একটা মেয়ে। ওকে তুমি যা বলবে যেভাবে বলবে সেভাবেই চলবে। পর্ণার মতন এত তর্ক বিতর্কে জড়াবে না। আর তোমার তো নাতি চাই। ওই মেয়েটা তোমার সেই শখ পূরণ করবে। তাই বলছি ওই মেয়েটাকে এখানে রাখার ব্যবস্থা করো আর পর্ণাকে তাড়াও।” এসব শুনে, কৃষ্ণা কিছুই ভেবে উঠতে পারে না। কি করবে আর কি করবে না কিছুই বুঝতে পারে না সে। অন্যদিকে পুঁটি বারবার অংকে ভুল করতে থাকে যেটা দেখে দেখে জিজ্ঞাসা করে তারা কেন মন নেই?

পুঁটি বলে, সে অনেকক্ষণ ধরে তার মাকে একটা কথা বলতে চাইছে কিন্তু সুযোগই করে উঠতে পারছে না। জেঠু তখন তার থেকে সেই কথাটা শুনতে চাইলে এসে ব্যাঘাত ঘটায় বুবাই। পুঁটির আর সেই কথাটা বলা হয় না। পরের দিন সকাল হতেই পর্ণা সৃজনের ঘরের দরজা কেউ ঠক ঠক করে। দরজা খুলতেই পর্ণা দেখে সুইটি চওড়া করে সিঁদুর পরে শাখা পলা পরে চা দিতে এসেছে তাদের। এটা দেখে মাথাটা গরম হয়ে যায় পর্ণার। সে সুইটির এমন কাজের কারণ জিজ্ঞাসা করে? ইতিমধ্যেই উঠে পরের সৃজন আর সেও বিষয়টা দেখে প্রচন্ড বিরক্ত হয়। পর্ণা বুঝতে পারে মেয়েটা সত্যি খুব চালাক ওকে আর এই বাড়িতে রাখা যাবে না।

Back to top button