বিদায় বেলায় রামপ্রসাদের কাছে মুখ থুবড়ে পড়ল ‘মিঠাই’, মান বাঁচাতে এবার বন্ধ করতে দাবি নেটপাড়ায়!

আজ থেকে কিছু বছর আগেও টিআরপি নিয়ে তেমন মাথা ঘামাতে না দর্শকরা। যেমনই হোক না কেন গল্প যেটা হওয়ার সেটাই হবে। কিন্তু বর্তমানে টিআরপি এতটাই প্রাধান্য পেয়েছে। যে টিআরপির জন্য মাঝপথে গল্পের স্ক্রিপ্ট চেঞ্জ করতেও অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে পরিচালকরা। আর তার জন্য ধারাবাহিক ছেড়েও দিচ্ছেন অভিনেতা অভিনেত্রী।

সম্প্রতি কিছুটা সেই কারণেই ধারাবাহিক থেকে বেরিয়ে গেলেন রুপা গাঙ্গুলী। যে সিরিয়ালের টিআরপি থাকে সেই সিরিয়াল বছরের পর বছর রাজ করে দর্শকদের মনেও এই ধারণা অবিচল। যে ধারাবাহিক টিআরপি জোগাড় করতে পারে না সেই ধারাবাহিককে শুরুতেই শেষ হয়ে যেতে হয়। এমন একটি উদাহরণ হলো বালিঝর। যারা নিয়মিত ধারাবাহিক দেখেন তারা নিশ্চয়ই জানেন।

কিন্তু এসব টানাপোড়নের মাঝে সিরিয়ালের অথেন্টিসিটি কোথায় একটা হারিয়ে যায়। টিআরপির তাড়নায় গল্পে পরিবর্তন আনার ফলে গল্প আর আগের মতো মজাদার বা যৌক্তিক থাকে না। আর সেটা দর্শকদের ভালো লাগেনা। বর্তমানের রানী মিঠাই ধারাবাহিকের কথা কে না জানেন কিন্তু ধীরে ধীরে তাকে রানীপদ থেকে সরিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে দর্শকরা। তার একমাত্র কারণ হচ্ছে টিআরপি।

দর্শকদের মতে ৩.১ কোন টিআরপি হল? এত বাজে টিআরপিতে ফল করার পরেও কেন চলছে মিঠাই এর এমনটাই দাবি করছেন দর্শকরা? রানীকে রানীর মত শেষ করা উচিত। দর্শকরা কিছুদিন আগেও ভেবেছিলেন টিআরপি ভালো থাকতে থাকতেই শেষ করা হবে মিঠাই। কিন্তু তেমনটা না করে অযৌক্তিক প্রসঙ্গগুলিকে টেনে এনে গল্প বাড়ানোর কোন মানে খুঁজে পাচ্ছেন না দর্শকরা, যার ফলে বিরক্ত হচ্ছেন দর্শক আবার টিআরপিও কমছে ধারাবাহিকের।

এই প্রসঙ্গে নেটিজেনরা বলেন রানীর মতো শেষ হয়েছে ধূলোকণা। শেষ হবার আগের সপ্তাহ স্লট লিড করেছিল এই ধারাবাহিক। ৭.১ টিআরপি নিয়ে সসম্মানে শেষ হয়েছিল ধূলোকণা। আর সেখানে মিঠাইয়ের অবস্থা ৩.১। কিছু কিছু ভক্তরা স্টার জলসা কে ধন্যবাদ জানিয়েছে রানীকে সিংহাসনে বসিয়ে এই রাজত্ব শেষ করানোর জন্য। অর্থাৎ স্লট লিডার অবস্থায় দর্শকদের মনকে নাড়িয়ে দিয়ে ধারাবাহিক শেষ করানোর জন্য খুশি হয়েছিলেন ধূলোকণার ভক্তরা। কিন্তু দিন দিন মিঠাইয়ের যে অবস্থা করছেন নির্মাতারা তাতে মোটেই খুশি নন দর্শকরা।

Back to top button