এবার পাগলে পরিণত হয়ে যাচ্ছে সূর্য! ক্ষেপে গিয়ে শান্তির জল নিজের মাথায় ঢেলে দর্শকদের হাসির খোড়াক অনুরাগের ছোঁয়ার নায়ক

স্টার জলসার একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে অনুরাগের ছোঁয়া। শুরু থেকেই টিআরপিতে বেশ ভালো ফল করে আসছে এই ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকের গল্পটি এতদিন ধরে সূর্য এবং দীপা এই দুই চরিত্রকে নিয়ে আবর্তিত হচ্ছিল। বর্তমানে এই ধারাবাহিকে প্রধান চরিত্র হিসেবে যুক্ত হয়েছে দুই ছোট্ট শিশু সোনা আর রুপা। তাদের অসাধারণ অভিনয় প্রত্যেকদিন নতুনভাবে মুগ্ধ করছে দর্শকদের। প্রতিনিয়ত নিজেদের মা-বাবাকে এক করার চেষ্টা করে যাচ্ছে এই দুই শিশু।

কিন্তু সূর্যর মেজাজ সর্বদাই চরে আছে সপ্তমে। নিজের জেদ রাগ অভিমান কোনভাবেই ছাড়তে পারছে না সে। কিছুতেই সত্যিটা স্বীকার করছে না সূর্য। চোখের সামনে সবটা দেখেও কেমন যেন এড়িয়ে যাচ্ছে সে। সূর্য বাদে সেনগুপ্ত বাড়ির প্রত্যেকেই আসল সত্যিটা আগাগোড়া সবটা বুঝতে পারলেও কোন কিছুই মানতে চাইছে না কেবল সূর্য। দীপার প্রতি তার এই চরম অভিমানে ইন্ধন যোগাচ্ছে মিশকা। মাঝপথে টিআরপি পড়ে যাচ্ছিল এই ধারাবাহিকের কারণ সূর্যের একঘেয়ে জিনিস আর পছন্দ হচ্ছিল না দর্শকদের কিন্তু সোনা রুপার জেরে আবার তরতরিয়ে বাড়ছে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা।

সম্প্রতি সোনা রুপা, জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে সূর্য আর দীপার। কারণ রুপা চায় তার ডাক্তার বাবুকে বাবা বলে ডাকতে আর সোনা চাই তার ফুল মাকে মা বলে ডাকতে। কিন্তু এত সুন্দর একটি প্রয়াসে জল ঢেলে দিচ্ছে সূর্য। দিন দিন সূর্যের পাগলামি বেড়েই চলেছে। প্রথমে পুজোতে বসতে চাইনি সে, রুপার মায়া ভরা কথাকে আর ফিরিয়ে দিতে না পেরে বাধ্য হয়ে দীপার পাশে বসতে হয়েছিল তাকে। পুজো সম্পন্ন হলে একসঙ্গে খেতে বসতেও চাইনি সে। সেখানেও সোনা রুপার জেদের কাছে হার মানতে হয়েছে তাকে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকটা মিনিটে মিনিটে দীপাকে কটু কথা বলে অপমান করে গেছে সূর্য। তার পরেও সবটা মুখ বুজে সহ্য করে গেছে দীপা। কারণ তার মেয়েগুলোর সত্যিই একটা বাবা চাই।

কিন্তু সূর্যের পাগলামি এবার সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গেল। ঠাকুর মশাই পূজোর শান্তির জল সারা ঘরে ছিটিয়ে দিতে বলে। তখন সূর্য শান্তির জলপূর্ণ ঘটিটি নিজের হাতে নেয় জয় তাকে সাহায্য করতে এলেও সে জয়কে বাধা দেয়। সূর্য সেই ঘটিটা নিয়ে বলে তাহলে ছিটিয়ে দিই শান্তির জল? তারপর নিজেই নিজের মাথায় ঢেলে নেয় সেই জল। যা দেখে বাড়ির প্রত্যেকটা মানুষ স্তম্ভিত হয়ে যায়।

সব থেকে বড়ো বিষয় সূর্যের কাছে এখন এটাও ম্যাটার করে না যে তার সামনেকে রয়েছে। নিজের দুটো বাচ্চা বাচ্চা মেয়ের সামনে এমনটা করলে যে তাদের মনে অনেক প্রশ্ন জাগবে সেটার বোধ বুদ্ধি জ্ঞানও হারিয়েছে সূর্য। সোনা যখন তাকে জিজ্ঞাসা করে এটা সে কেন করল সূর্য নির্দ্বিধায় তাকে জবাব দেয় এই বাড়ির সকলে সবাই খুব শান্তিতে রয়েছে, শুধু তোমার বাবা ছাড়া তাই এমনটা করলাম। সূর্যর এই ভারসাম্যহীন কাজকর্ম প্রভাব ফেলছে সোনা রুপার উপরেও, বিশেষ করে কষ্ট পাচ্ছে রুপা। কারণ সে জানে সূর্য তার বাবা। নিজের সমস্ত সীমা পার করে গেছে সূর্য। সূর্যের এই জেদ কি কখনো কমবে? কবে এক হবে সূর্য দীপা?

Back to top button