গাল ভরা লজ্জা নিয়ে একি বলল স্রোত! চমকে উঠল সার্থক!

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা (Mithijhora)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি নানান কারণে চর্চিত হয়েছে দর্শকদের মাঝে। ধারাবাহিকের কাহিনী আবার কখনও ধারাবাহিকের চরিত্রগুলো নজর কেড়েছে দর্শকদের। তিন বোনের জীবনের ভিন্ন স্বাদের কাহিনী পর্দায় ভীষণ পছন্দ করেছেন সকলে। তবে বর্তমানে তিন দিকে বাঁক নিয়েছে তিন বোনের জীবন। জীবনে এসেছে ভালোবাসার মানুষ। স্রোত এবং সার্থকের ভূমিকায় দর্শকদের নজর কেড়েছেন মৈনাক ঢোল (Moinak Dhol) এবং স্বপ্নীলা চক্রবর্তী (Swapnila Chakraborty)।
একদিকে যেমন শৌর্য্যর পর রাইয়ের জীবনে এসেছে অনির্বাণ, অপরদিকে নীলুর জীবনেও এসেছে শৌর্য্য। আর ছোট বোন স্রোতের জীবনে এসেছে সার্থক। তবে প্রথম থেকেই স্রোতের সঙ্গে বনিবনা ছিল না সার্থকের। স্রোতের বারবার মুখে মুখে তর্ক করা, উত্তর দেওয়া একেবারেই পছন্দ করত না সার্থক। ফলে মাঝে মধ্যেই লেগে যেত ঝামেলা। এমনকি স্রোতকে বহুবার বিনা কারণেই অপমান করেছে সার্থক।

এরপরই সার্থকের বাবার সঙ্গে পরিচয় হয় স্রোতের। স্রোতের মতো প্রাণবন্ত মেয়েকে ভীষণ পছন্দ করে ফেলেন তিনি। সঙ্গে সার্থকের সঙ্গে স্রোতের রসায়ন দেখে এও বুঝতে পারেন যে সার্থকের যোগ্য জীবন সঙ্গিনী হতে পারবে একমাত্র স্রোত। আর তাই স্রোতের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু করেন সার্থকের বাবা। বাবাকে হারিয়ে স্রোতও সার্থকের বাবাকে দিয়ে দেন বাবার স্থান। যদিও স্রোতের সঙ্গে বাবার কথা বলা একেবারেই পছন্দ নয় সার্থকের।
সার্থককে মন দিয়ে ফেলেছে স্রোত
তবে ধীরে ধীরে ঝগড়া করতে করতে কখনও যেন স্রোতের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েন সার্থক। নিজের অজান্তেই স্রোতের জন্য তার মনে তৈরি হয়েছে জায়গা। যদিও সেকথা শিকার করতে নারাজ সে নিজেও। এদিকে একই অবস্থা হয়েছে স্রোতেরও। নিজের অজান্তেই সার্থককে মন দিয়ে ফেলেছে স্রোত। নিজের খাতার পাতায় নিজের অজান্তেই লিখেছে সার্থকের নাম। স্যার ছেড়ে শুধুমাত্র সার্থকে এসে ঠেকেছে স্রোতের অনুভূতি। তবে আগের পর্বে বিয়ের কথা শুনেই নিজেকে আর আটকে রাখতে পারেনি সে।
আরও পড়ুন: সমাজের চোখ খুলে দিল নিম ফুলের মধু! শাস্তি পেল ইন্দ্র কুমার! পর্ণার পাশে দাঁড়ালো স্বয়ং কৃষ্ণা!
সার্থককে কি বলল স্রোত?
ধারাবাহিকের আগের পর্বেই দেখা গেছে সার্থকে অনেক খারাপ খারাপ কথা শুনিয়েছে স্রোত। পাল্টা জবাব দিয়েছে সার্থকও। কিন্তু তারপরই নিজের অনুভূতিগুলো যেন আরও দৃঢ় হয়ে উঠে স্রোতের মনে। নিজের ভুল বুঝতে পারে সে। আর সেই কারণেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা সে অপেক্ষা করতে থাকে সার্থকের জন্য। তারপরই ক্লাসের শেষ সার্থককে দেখতে পেয়েই সার্থকের কাছে ছুটে যায় সে। মনের মধ্যে সাহস সঞ্চয় করে সে সার্থককে জানায় নিজের ব্যবহারের জন্য সে দুঃখিত। যদিও তারপরই সার্থকের সঙ্গে ফের ঝগড়া করতে শুরু করে স্রোত। এমনকি দূরে গিয়ে যখন সে দেখে সার্থক তার ওপর আবার রেগে গেছে সেটা দেখেই হাসতে শুরু করে স্রোত। তবে কি এবার ভালোবাসার বন্ধনে বাধা পড়বে দুজনে? জানা যাবে আসন্ন পর্বে।

