সৌমিতৃষার বড় পর্দায় ব্রেক নিয়ে প্রথমবার ক্যামেরার সামনে মুখ খুললেন আদৃত! কী বললেন মিঠাইয়ের সিদ্ধার্থ?

বুধবারই শেষবারের মতো আলো জ্বলবে ‘মিঠাই’-এর সেটে। আজ শেষদিনের মতো শ্যুটিং সারছেন আদৃত-সৌমিতৃষারা। পিঠের যন্ত্রণার জন্য ‘মিঠাই’-এর শ্যুটিং থেকে ছুটি নিয়েছিলেন সৌমিতৃষা, তবে সিরিয়াল শেষ হওয়ার জেরে মঙ্গলবার শ্যুটিং সেটে ফেরেন মিঠাইরানি। শেষবেলায় ইমোশন্যাল ‘মিঠাই’ টিমের প্রত্যেক কলাকুশলী। ভক্তদেরও বেজায় মন খারাপ। একরাশ মন খারাপ নিয়েই এদিন ভারতলক্ষ্মী স্টুডিওয় ভিড় জমিয়েছিল মিঠাই ফ্যানেরা।

এমনিতে গত কয়েক মাস ধরে আদৃত-সৌমিতৃষার অফ-স্ক্রিন সম্পর্ক নিয়ে চর্চার শেষ নেই। কানাঘুষো শোনা যায়, ‘মিঠাই’-এর নায়ক-নায়িকার নাকি ব্যাক্তিগত সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায়। একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে মুখ দেখাদেখি বন্ধ না থাকলেও কথাবার্তা প্রায় হয় না বললেই চলে। আর তাদের সম্পর্কের অবনতির জন্য অনেকেই দায়ী করেন আদৃত-কৌশাম্বির প্রেম সম্পর্ককে। দিন কয়েক আগে আদৃতের জন্মদিনে মিঠাই পরিবারের প্রাক্তন সদস্যরা হাজির থাকলেও দেখা মেলেনি সৌমিতৃষার।

তবে ‘মিঠাই’-এর শেষবেলায় মনোমালিন্যের এই চর্চা যেন অতীত। মঙ্গলবার ‘মিঠাই’-এর শ্যুটিংয়ের ফাঁকে আদৃত-সৌমিতৃষার একটি অফস্ক্রিন ভিডিয়ো এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। ফ্যানেদের ক্যামেরায় লেন্সবন্দি সেই ভিডিয়োয় দেখা গেল মিডিয়াকে সাক্ষাৎকার দিতে ব্যস্ত আদৃত ও উদয়। হন্তদন্ত হয়ে হেঁটে আসছেন সৌমিতৃষা।

পরনে গোলাপি রঙা শাড়ি। পাশে মিঠাই টিমের একজন পরবর্তী সিনের খুঁটিনাটি বোঝাচ্ছেন অভিনেত্রীকে। আদৃতকে দেখামাত্রই একগাল হেসে সৌমিতৃষা বলে ওঠেন, ‘ভালো আছিস?’ আদৃত পালটা জবাবে জানান, ‘আরে… একদম। পাক্কা…’। এরপর সেটের ভিতর সৌমিতৃষা ঢুকে না যাওয়া অবধি সেইদিকেই তাকিয়ে রইলেন আদৃত। যদিও পরবর্তীতে বোঝা যায় মিঠাই কথাটা আদৃতকে বলেইনি। বদলে বলেছিল পাশে দাড়িয়ে থাকা উদয়কে। এই পুরোটাই ছিল দর্শকদের বোঝার ভুল।

তবে এবার দেবের সাথে মিঠাইয়ের প্রথমবার কাজ করা নিয়ে কিছু মন্তব্য করলেন সিদ্ধার্থ। তার কথায় দেব দার হাউস থেকে প্রথম বড়ো ফিল্ম মানে বিশাল ব্যাপার। আমি নিজে দেব দার সাথে একবার কাজ করেছি একটা ছবিতে। মানুষটা একটা ছবির জন্য নিজেকে একেবারে ঢেলে দেন। যা যা প্রয়োজন সব করেন। মানে কোন কিছুতে না নেই। আর সেখান থেকে বড় পর্দায় জীবন শুরু করতে চলেছে মানেতো এর থেকে ভালো আর কিছু হয় না। এক কথায় মিঠাইয়ের এত বড় কাজ পাওয়া নিয়ে খুশি সিদ্ধার্থ।


সৌজন্যেঃ টেলি টক

Back to top button