অবশেষে উৎসবকে চড় মারলো স্বয়ম্ভু, অন্যদিকে ভালো মানুষের মুখোশ পরে পেনড্রাইভ বদলে জ্যাস স্যানালকে বোকা বানালো দিব্যা!

বর্তমানে বাংলা বিনোদনের প্রথম সারির চ্যানেল জি বাংলার (Zee Bangla) সব চাইতে জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। শুরু হওয়ার পর থেকেই দর্শকদের পছন্দের তালিকায় নিজের নাম লিখিয়েছে এই ধারাবাহিক। আর পাঁচটা ধারাবাহিকের তুলনায় অনেকখানি এগিয়ে এই সিরিয়ালের গল্প।

এদিনের পর্বে দেখা যায়, স্টেডিয়ামে গিয়ে পেনড্রাইভটা খুঁজে পেয়ে গিয়েছে জগদ্ধাত্রী। সেখান থেকে পেনড্রাইভটা নিয়ে চলে আসে অফিসে। এমন সময় ওখানে দেখা যায় দিব্যা সেনকে। জগদ্ধাত্রী যাওয়ার আগের মুহূর্তেই সেখান থেকে আসল পেনড্রাইভটা সরিয়ে ফুল পাতার ছবি ভরে একটা অন্য পেনড্রাইভ সেখানে রেখে দেয় দিব্যা সেন।

আসল পেনড্রাইভটা হাতে নিয়ে দিব্যা সেন ফোন করে তুষার তীর্থ তলাপাত্রকে। দিব্যা বলে যদি জগদ্ধাত্রী এটা জানতে পারে তাহলে খুব সর্বনাশ হয়ে যাবে। যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয়। জগদ্ধাত্রী অফিসে গিয়ে পেনড্রাইভটা খুলতেই বুঝতে পারল এটা নকল। আর তার সাথে তুষার তীর্থর ফোন জগদ্ধাত্রীকে আরো বেশি রাগিয়ে তুলল। খোঁজ নিয়ে জানা গেল সেখানে এসেছিল দিব্যা সেন। জগদ্ধাত্রীর বুঝতে বাকি থাকল না যে ঠিক কি কি হয়েছে।

সঙ্গে সঙ্গে সাধু দাকে নিয়ে দিব্যা সেনের বাড়িতে হাজির হলো জগদ্ধাত্রী। সাথে নিয়ে এলো মৃদুল সেনকে। জগদ্ধাত্রী দিব্যাকে জানায় যে এসে সবটা ধরে ফেলেছে। এরপর মৃদুল সেনকে সেখানেই রেখে তারা চলে যায়, এবং যাওয়ার আগে জগদ্ধাত্রী বলে মৃদুল সেনের দেখা শোনার দায়িত্ব সে দিব্যাকে দিল যদি মৃদুলের কিছু হয় তাহলে তার অনেক বড় মাসুল গুনতে হবে তাকে।

অন্যদিকে স্বয়ম্ভুর ঘরে আসে উৎসব। সে উৎসবকে বলে কেন এই বাড়িতে পড়ে আছে সে? এখনই যেন এই বাড়ি ছেড়ে সে চলে যায়। স্বয়ম্ভু বলে যে সে তার দাদা তাকে যেন দাদা বলে ডাকে উৎসব। তখন উৎসব বলে সবকিছু বাবার দোষ, বাবার সঙ্গে ওই মহিলার সম্পর্ক তৈরি না হলে স্বয়ম্ভু আজ থাকত না। বাবার নামে এমন কথা শুনে উৎসবকে টেনে এক চড় মারে স্বয়ম্ভু। সামনেই দাঁড়িয়েছিল মেহেন্দি। স্বয়ম্ভু বলে “উনি আমাদের বাবা হন আর বাবার সম্পর্কে আমি একটাও খারাপ কথা শুনবো না।” এইবার এই চরের প্রতিশোধ কিভাবে নেবে উৎসব?

Back to top button