মারা যায় নি স্বয়ম্ভু, কিন্তু চরম ক্ষতির মুখে সে! এবার তারই বদলার প্রতিজ্ঞা জগদ্ধাত্রীর আর তা শুরু হল উৎসবকে দিয়ে, রইল আজকের পর্ব

জি বাংলা সম্প্রচারিত জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলেও জগদ্ধাত্রী। এতদিন ধরে ধারাবাহিককে স্বয়ম্ভুর মৃত্যু ছিল একটা রহস্য। তবে আজকের পর্বে প্রমাণ হয়ে যাবে আসল সত্যিটা। এই পর্ব দেখে দর্শকরা আনন্দে মেতে উঠবেন। বর্তমানে ধারাবাহিকে কৌশিকীর চেয়ার দখল করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দিব্যা। তবে এইবার সকলকে মাত দিয়ে আসল অপরাধীকে শাস্তি দেবে জগদ্ধাত্রী।

আজকের পর্বে দেখানো হবে, রাজনাথ সহ গোটা পরিবারকে নিয়ে সমালোচনায় মেতে ওঠে সাংভির শ্বশুরবাড়ি। তবে তারা পূর্বে কি কি কাজকর্ম করেছে সেই সবকিছুই মনে করিয়ে দিয়ে তাদের অপমানের যোগ্য জবাব দেয় কৌশিকী। আর এর পরেই দেখা যাবে দিব্যা সেনের অর্ডারে বাগচী মর্গে যায়। তার মেইন উদ্দেশ্য স্বয়ম্ভুর মৃত্যুকে নিশ্চিত করা।

বাগচী সেখানে গিয়ে স্বয়ম্ভুর লাশ দেখতে চায়। মর্গে থাকা সেই লোকটি ফ্রিজার খুলে তাকে লাশ দেখায়। তখন সে দিব্যা সেনকে ফোন করে কনফার্ম করে। দিব্যা সেন অত্যন্ত চালাক একটি মহিলা। তার সন্দেহ হয় এবং সে বাগচীকে বলে স্বয়ম্ভুর পালস বা হার্টবিট চেক করতে। কিন্তু সেই মুহূর্তে সেখানে চলে আসে সাধু দা। এসে আটকায় তাকে আর বলে বিনা অনুমতিতে মর্গের জিনিসপত্রে হাত দিলে ইল্লিগাল চার্জ আনতে পারি। তখন বাগচী বলে স্বয়ম্ভু আদেও মারা গিয়েছে কিনা সেটাই কনফার্ম করছে সে।

সাধু দা তখন তাকে বলে হসপিটাল থেকে ওর ডেড সার্টিফিকেট ইস্যু হয়ে গিয়েছে। তাই এখন এই দ্বিধা অবান্তর। এরপর সে অর্থাৎ বাগচী সেখান থেকে চলে যায়। তখনই মর্গে প্রবেশ করে জগদ্ধাত্রী। আর স্বয়ম্ভুর লাশটাকে ফ্রিজার থেকে বের করে সেই জায়গায় অন্য একজনের লাশ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। আর তার সাথে স্বয়ম্ভুর পালস চেক করে নেয় জগদ্ধাত্রী। আর এখান থেকেই সবটা পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে দর্শকদের সামনে।

না স্বয়ম্ভু মারা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে পিঠে গুলি লাগার জন্য গুরুতর জখম হয়েছে সে যার ফলে হয়তো কোমায় চলে গিয়েছে গল্পের নায়ক। কিন্তু মারা যায়নি। অন্যদিকে সিসিটিভি দেখে দিব্যা আর মেহেন্দি বুঝে গিয়েছে উৎসবকে নিয়ে গিয়েছে জগদ্ধাত্রী। তারা জগদ্ধাত্রীকে থ্রেট দেওয়ার চেষ্টা করলে জগদ্ধাত্রী বলে আমি জানি সব কিছুর মূলে আছো তুমি দিব্যা সেন কিন্তু তোমার সঙ্গে যারা আছে, সবাইকে আমি বার করে একসঙ্গে শাস্তি দেবো।

Back to top button