“আমার কাজের কৈফিয়ত তোমায় দেব না” শালিনীকে মুখের ওপর জানালো রোহিত! ডিভোর্স আটকাতে মরিয়া সে

দুটো ভালোবাসার মানুষকে বিচ্ছেদের পথ বেছে নিতে দেখতে খারাপ লাগাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এর মধ্যে দিয়েই যখন দুটো মানুষের মিল করিয়ে দেওয়া সম্ভব তখন সেই বিচ্ছেদ পর্ব মেনে নিতে সর্বদা রাজি দর্শক মহল। ঠিক এমনই একটি গল্প বর্তমানে সম্প্রচার করছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki)। সম্প্রতি জনপ্রিয়তার শিকড়ে পৌঁছেচে এই ধারাবাহিক। টিআরপিতে প্রথম পাঁচে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিক।

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, ডিভোর্সের জন্য পাগল হয়ে গিয়েছে ফুলকি। সে যেকোনো উপায়ে রোহিতকে ডিভোর্স দিতে চায়। কিন্তু রোহিত সেটা চায় না। কারণ সে মনে মনে ফুলকিকে ভালোবাসে। যত দিন যাচ্ছে সেই ভালোবাসা আরো বেশি করে প্রকাশ পাচ্ছে রোহিতের আচার আচরণের মাধ্য দিয়ে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ফুলকিকে মিষ্টি খাইয়ে দিতে দেখে খুব রেগে যায় পারমিতা ধানু আর তমাল। পারমিতা বলে, ফুলকি আর কোন মিষ্টি খাবেনা। সে বাড়ির তৈরি করা খাবার খাবে। পারমিতার কথার উপর আর কিছু বলতে পারেনা ফুলকি। এরপর প্রশ্ন ওঠে রোহিত ওই ঘরে কিভাবে এলো। তখন ফুলকি বলে মই বেয়ে জানলা দিয়ে। শুনে অবাক হয়ে যায় প্রত্যেকে। রোহিতের এমন পরিবর্তন হয়েছে দেখে বেশ মজা নেয় তার ভাই-বোনেরা। এরপর সেখান থেকে চলে যায় রোহিত আর মনে মনে ভাবতে থাকে আসল কথাগুলোই তার ফুলকিকে বলা হলো না।

রোহিত ঘর থেকে বেরোতেই শালিনী তার পিছু নেয়। শালিনী রোহিতকে একা পেয়ে তাকে বলে, “সবাই মিলে তোমাকে নিয়ে এত ঠাট্টা তামাশা করছে তাও তুমি কেন ফুলকিকে ডিভোর্স দিচ্ছো না রোহিত? তুমি আমাদের দুজনকে নিয়েই খেয়েছ। এইভাবে দুই নৌকায় পা দিয়ে চলা যায় না।” রোহিত তখন চিৎকার করে ওঠে আর বলে, সে ফুলকিকে ডিভোর্স দিতে পারবে না। তাহলে ফুলকিকে আবার আগের বাড়িতে ফিরে যেতে হবে আর অত্যাচারিত হতে হবে। ওর ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যাবে আর সেটা রোহিত কখনোই হতে দেবে না। এতে যদি শালিনীর না পোষায় তাহলে সে চলে যেতে পারে। শালিনী বুঝে যায় রোহিতকে আর ফেরানো সম্ভব নয়।

এদিকে পারমিতা ধানু তমাল প্রত্যেকে জেঠুর সাথে কথা বলতে থাকে। তারা ফুলকি আর রোহিত দুজনকে আলাদা রাখার চেষ্টা করছে কারণ একসাথে থাকলে যদি ঝামেলা বাড়ে আর ডিভোর্সটা হয়ে যায়! রাতে ঘুমোনোর সময় ফুলকির ঘরের বাইরে থেকে সবার নজর এড়িয়ে রোহিত একটা চিঠি ছুড়ে মারে যেখানে লেখা রয়েছে, তার সাথে কিছু কথা রয়েছে রোহিতের। আর সেটা সে আলাদা করে বলতে চায়। রোহিতের কথাগুলো শুনে কি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত পাল্টে নেবে ফুলকি?

Back to top button