“কোন কিছু করার কথা ঠিক করলে পিছনে যা রয়েছে জ্বালিয়ে দিতে হবে”, আবেগকে দূরে রেখে নিজের কাজে মনোযোগ দিচ্ছেন সব্যসাচী

বাংলা বিনোদন জগতের বিশেষ করে বাংলা ধারাবাহিকে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মুখ হলেন সব্যসাচী চৌধুরী (Sabyasachi Chaudhary)। জুনিয়র আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করা শুরু করেছিলেন ইন্ডাস্ট্রিতে। মহাপীঠ তারাপীঠ ধারাবাহিক এর মধ্যে দিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেছিলেন তিনি। বর্তমানে সবার প্রিয় রামপ্রসাদ (Ramprasad) ধারাবাহিকে প্রধান চরিত্র রামপ্রসাদ হিসেবে স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে তাকে।।
সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমের নেওয়া একটি ছোট্ট সাক্ষাৎকারে অনেক কিছুই জানালেন এই অভিনেতা। এই সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়, এই মুহূর্তে রামপ্রসাদ যে দ্বন্দ্বে ভুগছেন সেই নিয়ে কী মনে হয় সব্যসাচীর? অভিনেতা জানান, “রামপ্রসাদ একদিকে মায়ের আরাধনা করতে চায় কারণ সময় চলে যাচ্ছে এখনো সে মাকে উপলব্ধি করতে পারছে না আর অন্যদিকে পরিবারের প্রতি ও তার একটি দায়িত্বকর্তব্য রয়েছে। এখন এই নিয়ে এই চরম দ্বন্দ্বে পড়েছে রামপ্রসাদ। সে চেষ্টা করছে এই দ্বন্দ্ব থেকে বেরিয়ে নিজের লক্ষ্য খুজে নিতে।”
এখন তো একাধিক খুদে এসে জড়ো হয়েছে শুটিং ফ্লোরে। কেমন কাটছে দিন? অভিনেতা বললেন, “হ্যাঁ, বেশ অনেকগুলো বাচ্চাই রয়েছে আর ওরা বেশ ছোট। সারাদিন এটা ওটা হতেই থাকে। রামপ্রসাদের শুটিং ফ্লোর সব সময় জমজমাট থাকে আবার ছোট হওয়ায় শুটিংয়ে বেশ কিছু সমস্যাও দেখা যায়। সব মিলিয়েই চলছে রামপ্রসাদ।”
রামপ্রসাদ চরিত্রটি দর্শকমহলে বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে আর এখন দর্শকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় তো সব্যসাচী কি ভাবছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেরার কথা? সব্যসাচী বললেন, “এখন অব্দি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের প্রয়োজন মনে করছি না। তবে আমাদের একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে ন্যাড়া ছাদের গল্প বলে যদিও সেটা আমার নামেই রয়েছে। সেই চ্যানেলটির একটি ফেসবুক পেজ ক্রিয়েট করা হয়েছে। ওখানেই সব আপডেট যায়। চ্যানেলে গল্প পরিবেশন হয় যেখানে আমি ভয়েস ওভার দি, এবং কিছু গল্প আমার লেখা।”

সব্যসাচী কি দূরদর্শী? তিনি যখন ঠিক করেছিলেন এই জীবন বেছে নেবেন তখন কী কী সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল? সব্যসাচী বললেন, “আমি যখন ঠিক করি কোন কাজ করবো তখন সেটা করি আর দীর্ঘ সময়ের জন্য করি, আর তা না হলে কোনভাবেই করি না। এই কাজে যখন ঢুকেছিলাম জুনিয়র আর্টিস্ট হিসেবে তখনো ভাবি নি এত দূর অব্দি পৌঁছাব। যদি এতদূর পৌঁছতে না পারতাম আমি যেভাবে ঢুকেছিলাম সেই ভাবেই থেকে যেতাম। আমি মনে করি যখন কোন জিনিস করব বলে ভাবছি বা কেউ যখন মনে করে কিছু করবে তখন পিছনের যা আছে সব কিছু জ্বালিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। আর দূরদর্শিতার কথা বললে না আমি একদমই দূরদর্শী নই।”

