কতই বা বয়স রূপার, সে কিনা আধার কার্ড দেখে বুঝে গেল বাবার ঠিকানা! এবার বাড়াবাড়ি দেখাচ্ছে বলছে দর্শক

আদালতের নির্দেশ মেনে সূর্য এবং দীপা আবারও একসঙ্গে থাকতে শুরু করেছে। কিন্তু, দু’জনের মনেই অনেক চাপা অভিমান রয়েছে। তবে দীপা চায় যাবতীয় দূরত্ব ঘোচাতে। যদিও সূর্য যাবতীয় রাগ ও অভিমান আঁকড়ে রয়েছে। সে কোনওভাবেই সম্পর্ক জোড়া লাগুক তা চায় না। তবে দীপা আগের মতোই তার যত্নআত্তি করতে শুরু করেছে।

আর বর্তমানে সূর্য দীপা সোনা রুপা, চারজনেই রয়েছে একই বাড়িতে। একই বিছানায় ঘুমোচ্ছে তারা একসঙ্গে। দীর্ঘ কিছু মাছ ধরে দর্শকরা যে দৃশ্যগুলি দেখার জন্য তড়পাত ছিল ঠিক সেগুলোই বর্তমানে ঘটছে অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকে। যেন ঠিক আগের পুরোনো আমেজ ফিরে পেয়েছে অনুরাগের ছোঁয়া। তাদের সবাইকে সুখী থাকতে দেখে খুশি দর্শকরাও। এখন সবকিছুর মধ্যে একটি সমস্যাই জোরালো। আর সেটা হল রুপার তার বাবাকে খুঁজে বার করা। আর এইসবের মধ্যে দিয়েই হয়তো সমস্ত সত্যিটা উঠে আসবে সবার সামনে এমনটাই আশা করছেন দর্শকরা।

এতদিন অব্দি দেখানো সবকিছুই বেশ ভালো লাগছিল দর্শকদের। তবে এবার যা দেখানো হলো তাতে বিষয়টা একটু বাড়াবাড়ি মনে হচ্ছে ভক্তদের কাছে। যারা ধারাবাহিকের নিয়মিত দর্শক তারা জানেন মরিয়া হয়ে নিজের বাবাকে খুঁজছে রুপা। শুরু থেকেই দীপা তাকে বলে এসেছে তার বাবা বিদেশে। কিন্তু এদিনের পরবে দেখানো হয়।

দীপার একটি বাক্স থেকে তার আধার কার্ড পেয়েছে রুপা। আর সেখান থেকে দীপার স্বামীর নাম জানতে পেরেছে সে। সূর্যের নাম দেখে এসে এটাও বুঝতে পেরেছে যে এটা তো হিংসেকুটির বাবার নাম। তারপর সে এটাও জানতে পারে যে আধার কার্ডে ঠিকানা লেখা থাকে। আর সেই ঠিকানা দেখে এসে বুঝতে পারে সেটা কলকাতার ঠিকানা।

খুব সাধারনভাবে ভাবতে গেলে একটা বাচ্চার পক্ষে আধার কার্ডে কারুর স্বামীর নাম বা তার বাড়ির ঠিকানা এই সমস্ত খোঁজা বা বুঝতে পারা অসম্ভব। তার কাছে সেই আধার কার্ডে যে একটি ইম্পোর্টেন্ট ডকুমেন্টস সেটা বুঝতে পারাটাই অনেক বড় বিষয়। কিন্তু ধারাবাহিকে একটু বেশি পরিমাণে এই রুপার বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে গিয়ে খানিকটা অবাস্তবিক মোর নিয়েছে অনুরাগের ছোঁয়া।

Back to top button