ফুলকির চাল ধরে ফেলল রুদ্র! রোহিতকে পথে আনতে মোক্ষম অস্ত্র প্রয়োগ করল ফুলকি!

অন্যায় সহ্য করে বসে থাকলে ন্যায় পাওয়া যায় না। ভালো কিছু পেতে গেলে সেই অনুযায়ী কাজ করতে হয়। আর এবার সেটাই করছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) ধারাবাহিকের নায়িকা। নবাগতা অভিনেত্রী দিব্যানি মন্ডল এই ধারাবাহিকের নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছেন। তার অভিনয়ে রীতিমত মুগ্ধ দর্শক মহল। চরিত্রটিও অসাধারণ। সব মিলিয়ে ধারাবাহিকটি এতটাই আকর্ষণীয় যে টিআরপি তালিকা সর্বদা উপরের দিকেই অবস্থান করে এই ধারাবাহিকের নাম।

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, রোহিত অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়ক বর্তমানে একটা বড় দোটানায় পড়েছে। সে কাকে বেছে নেবে সেটাই ঠিক করে উঠতে পারছে না। শালিনী তার প্রাক্তন স্ত্রী যাকে সে ভীষণ ভালোবাসতো এখনো যার জন্য তার মনে একটা জায়গা রয়েই গেছে। আর অন্যদিকে ফুলকি দাস, যে জীবনে আসার পর থেকে রোহিতকে কোন বিপদে একা ছাড়েনি, শালিনী যেভাবে রোহিতকে বিপদে ফেলে চলে গিয়েছিল তেমন কোন কিছুই ফুল্কি করেনি উল্টে নিজের ঘাড়ে সমস্ত দোষ নিয়ে রোহিত কে বারবার বাঁচিয়ে দিয়েছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সারাদিন রোহিতের কথাই ভাবতে থাকে ফুলকি। তার মনে পড়ে যায় ধাবায় বসে রোহিত তাকে ঠিক কি কি বলেছিল। সে জানে রোহিত তাকে ভালোবাসে কিন্তু কোনভাবেই এই দোটানার মধ্যে সে থাকতে চায় না। ছাড়তে পারছে না তাই সে আছে এই বিষয়টাই মেনে নিতে পারছে না ফুলকি। সে ঠিক করে নিয়েছে আর খুব বেশিদিন এই বাড়িতে এই বাড়ির মানুষগুলোর সঙ্গে তার থাকা হবে না।

তার যে কষ্ট হচ্ছে এটা খুব ভালো করেই বুঝতে পারে ধানু। কিন্তু তাও কোনভাবেই ফুলকি সে কথা স্বীকার করতে চায় না। লাবু পারমিতা প্রত্যেকেই ফুলকিকে বোঝানোর চেষ্টা করে কিন্তু সে কোনও কথাই শুনতে চায় না। তার যতই কষ্ট হোক না কেন সে নিজের সিদ্ধান্তের অনড় থাকবে। সে শুধুমাত্র অপেক্ষা করছে কখন লিগ্যাল নোটিসটা আসবে আর সেটা রোহিতের হাতে পৌঁছবে। রোহিত তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে যখনই বেরোতে যাবে ঠিক তখনই শালিনী বলে তারও এক জায়গায় যাওয়ার আছে। এই নিয়ে তাদের মধ্যে যখন কথা হয় অরুনা বেশ রেগে যায়। আর ঠিক তখনই রোহিতের নামে একটা চিঠি আসে।

সেই চিঠিটা দেখেই রোহিতের মাথা গরম হয়ে যায়। কারণ সেটা ছিল ডিভোর্সের নোটিশ। রোহিত ফুলকিকে স্পষ্ট জানাই সে কোনভাবেই তাকে ডিভোর্স দেবে না। তখন ফুলকি বলে, তাহলে রোহিতকে যেকোনো এক দিক বেছে নিতে হবে কারণ দুই নৌকায় পা দিয়ে চলা যায় না। হয় শাকচুন্নি ম্যাডাম নয়তো ফুলকি দাস। এরপর এই বিষয়টা নিয়েই শালিনী রুদ্র আর ঈশিতা আলোচনা করতে থাকে। রুদ্র বুঝতে পারে এবার অনেক বড় একটা দান দিয়েছে ফুলকি। এই দান হয় তাকে ডুবিয়ে দেবে, নয়তো তাকে রেখে বাকিদের ডুবিয়ে দেবে।

Back to top button