রাজনাথের কথায় উৎসবকে জেল থেকে বের করলো স্বয়ম্ভু! জানতে পেরে রেগে গেল জগদ্ধাত্রী

মাসের পর মাস নিজের স্থানে অবিচল জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিক। টিআরপিতে ধারাবাহিকের অবস্থান একেবারে শীর্ষে। প্রতিটি পর্বে বাজিমাত করছে ধারাবাহিকের নায়িকা জগদ্ধাত্রী। তাকে দেখতেই প্রতিদিন টেলিভিশনের পর্দায় ভিড় জমাচ্ছে দর্শকমহল। জগদ্ধাত্রীর সাথে প্রতিযোগিতায় ছিটকে গিয়েছে তার প্রতিপক্ষ। আবার এক নতুন প্লট আসতে চলেছে এই মেগায়।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সবার সমস্ত নোংরা খেলা শেষ করে উৎসবকে জেলে ভরতে সক্ষম হয়েছে জগদ্ধাত্রী। বহুদিন ধরে চালাকি করে অপরাধ করে চলেছিল সে। এইবার তার আর কোন নিস্তার নেই। বৈদেহি অবধি হার মেনে নিয়েছে। অন্যদিকে জগদ্ধাত্রী আর কৌশিকী ফিরে আশায় বেশ চাপে পড়ে গিয়েছে দিব্যা সেন। এতদিন ধরে করা সমস্ত প্ল্যান ভেসতে গিয়েছে তার। এর মাঝেই একটি নতুন কেস নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে জগদ্ধাত্রী।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, জগদ্ধাত্রী বাড়িতে ঢোকায় খুশি হয়নি কেউ। বৈদেহি যখন জানতে পারে জগদ্ধাত্রী রান্নাঘরে ঢুকে পঞ্চব্যাঞ্জন রান্না করছে আর এই বাড়িতে ভোজ হচ্ছে কিছুতেই শান্ত থাকতে পারে না সে। মেহেন্দি তাকে বোঝায় এই মুহূর্তে উত্তেজিত হলে চলবে না। তাদের সবাইকে এমন একটা ভান করতে হবে যেন তাদের অনেক বড় ভুল হয়ে গিয়েছে, তারা ক্ষমাপ্রার্থী। কারণ এই মুহূর্তে এই বাড়িতে রয়েছে কৌশিকী মুখার্জী। তাই তাকে রাগিয়ে দিলে সর্বনাশ হবে। এমনিতেই যা ঘটে গিয়েছে তাতে সবকিছুই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আরো বেশি কিছু ঘটলে এবার তাদেরকে পথে বসতে হবে।

এর মাঝে নিজেকে সামলাতে না পেরে জগদ্ধাত্রীদের কাছে চলে যায় বৈদেহি। সে বলে, “তুমি তো এটাই চেয়েছিলে? কেন রয়েছো তুমি এই বাড়িতে? এই বাড়িতে ঢুকে এই বাড়ির ছেলেকেই বের করে দিলে, আর কৌশিকীর মাথাটাও খাচ্ছ। আর এরপর এই বাড়ির সমস্ত সম্পত্তি নিজের নামে করে নেবে তাই তো? এটাই তো চাও তুমি?” জগদ্ধাত্রী তাকে জানিয়ে দেয় এসব বলে কোন লাভ নেই উৎসবের দোষ করেছে সেই দোষ ক্ষমার অযোগ্য তাই শাস্তি তাকে পেতেই হবে।

অন্যদিকে উৎসবের সাথে জেলে দেখা করতে চলে গিয়েছে রাজনাথ। সে উৎসবকে বলে, “কেন করলি তুই এইসব? কিসের অভাব ছিল তোর? কিছু তো কখনো অভাব রাখেনি তাহলে এত বড় অপরাধ কেন করতে গেলি? এখন তো তোকেই কষ্ট পেতে হচ্ছে।” বাবার মন ভোলাতে উৎসব নাটক শুরু করে আর রাজনাথকে বলে তার আর একটা সুযোগ চাই সে নিজেকে বদলে ফেলবে। রাজনাথ উৎসবকে কথা দেয় যেভাবেই হোক তাকে এখান থেকে বের করবে সে আর ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে স্বয়ম্ভু। রাজনাথ তাকে বলে, সে পিতৃ পরিচয় চাই তো তাকে পিতৃ পরিচয় দেওয়া হবে কিন্তু তার বদলে উৎসবকে বের করতে হবে। নিজের বাবার কষ্ট দেখে উৎসবকে বের করার কথা দিয়ে দেয় স্বয়ম্ভু কিন্তু মনে মনে ভেবে উঠতে পারে না ঠিক কিভাবে সেই কাজ করবে সে।

Back to top button