দিদির রোগের হদিশ পেতেই কেঁপে উঠল স্রোত! কী হয়েছে রাইয়ের?

শুধুমাত্র টাকা থাকলেই যে ভালো থাকা যায় না এবং ভালো রাখা যায় না সেটা নিজের কাজকর্ম আচার ব্যবহারে এবং মন মানসিকতায় বারবার প্রমাণ করে দিচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের তথাকথিত নায়ক অনির্বাণ। যদিও এই মুহূর্তে তাকে নায়ক হিসেবে মানতে নারাজ গোটা বাংলা। তার ব্যবহারে প্রত্যেকদিন একটু একটু করে শেষ হয়ে যাচ্ছে নায়িকা রাই। তবে ভেঙে না পড়ে নিজেকে শক্ত রেখেছে নায়িকা আর এটাই তার মন্দের ভালো।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, এই মুহূর্তে অনির্বাণ এবং তার গোটা পরিবারের চোখের বালি হয়ে উঠেছে ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। কোন অপরাধ না করেও উল্টে একটা বিরাট বড় অসুস্থতা বহন করার পাশাপাশি প্রত্যেকদিন মানসিকভাবে নি’র্যাতনের শিকার হচ্ছে রাই। যে মানুষটা এই কালকেই এত ভালবাসার দাবি জানাচ্ছিল আজ তার চোখে মুখে আবারো ফিরে এসেছে ঘৃণা। অনির্বাণের অবিশ্বাসে ভরা মুখটা সহ্য করতে পারছে না রাই। বাবা-মার প্ররোচনায় দিন দিন জা’নোয়ার হয়ে উঠছে অনির্বাণ।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২৮ আগষ্ট (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 28 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই স্নান করে অফিস যাওয়ার জন্য তৈরি হবে বলে অনির্বাণের ঘরে এসে সে দেখতে পায় তার ব্যাগটা নিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে অনির্বাণ। সেই নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবারো রাইকে অপমান করে বসে ধারাবাহিকের নায়ক। রাই আর সেভাবে কিছু বলতে পারে না কারণ তার বলার কোন রুচি নেই। সে বুঝতে পারে সে এতদিন তার সমস্ত ভালোবাসা অপাত্রে দান করেছে।
রাই অনির্বাণকে বলে, “আমার নিজের উপর রাগ হচ্ছে। আমার নিজের উপর ঘৃণা হচ্ছে এটা ভেবে যে, আমি আবার তোমাকে বিশ্বাস করেছি। আবার তোমার কাছে ফিরে এসেছি, তোমায় আমাকে ছুঁতে দিয়েছি। আমার আরো একটু ভাবনা চিন্তা করা উচিত ছিল।” যা শুনে অনির্বাণ বলে, এইসব নাকি রাইয়ের আগের থেকে বানানো পরিকল্পনা। রাই নাকি অনির্বাণকে নিজের দাস বানিয়ে রাখতে চেয়েছিল। কিছু না বলে তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে অফিসে চলে যায় রাই। কারণ সে বুঝে গেছে এবার যা করার তাকে প্রমাণ করে দেখাতে হবে। মুখে বলে কোন কাজ হবে না।
আরও পড়ুন: মায়ের ওপর অভিমান করে বাড়ি ছাড়ল মিহি! তারপরই ঘটে গেল বিরাট দুর্ঘটনা!
স্রোতের সাথে দেখা করছে রাই
অফিসে গিয়ে রাইয়ের বস রাইয়ের অনেক প্রশংসা করে। তার কাজে ভীষণ সন্তুষ্ট রাইয়ের বস। কাজের প্রতি রাইয়ের একাগ্রতা দেখে সে খুব খুশি। শুধুমাত্র দেখে দেখে শিখে নেওয়ার ভালো গুণ রয়েছে তার মধ্যে। বসের ঘর থেকে বেরিয়ে স্রোতকে ফোন করে রাই। জিজ্ঞাসা করে তাকে কখন আসতে হবে। রাই বলে, লাঞ্চ টাইমে তার অফিসের ক্যান্টিনে স্রোত যেন চলে আসে। সেখানেই তার সাথে সে সমস্ত কথাবার্তা সেরে নেবে। তোর ভীষণ চিন্তায় পড়ে যায়। কারন সে তার দিদিকে ভীষণ ভালোবাসে।

