‘পিলো পাসিং চলছে, একবার রাধিকা তো একবার গুহ অসুস্থ’ এক্কাদোক্কায় নতুন প্রোমো আসতেই খিল্লি দর্শক মহলে

স্টার জলসার (Star Jalsha) এক্কা দোক্কা (Ekka Dokka) ধারাবাহিক এখন আলোচোনার শীর্ষে, কারণ কয়েকদিন আগেই শোনা গিয়েছিল টিআরপি তালিকায় ভালো নম্বর নেই, আর তাই নাকি রাধিকাকে মেরে ফেলে এই ধারাবাহিক শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু না ধারাবাহিক শেষ হয়নি, বরং এখনো অব্যহত রয়েছে।
এই ধারাবাহিকে কয়েকদিন আগেই দেখা গিয়েছিল, অসুস্থ রাধিকা, তাঁর পেটে টিউমার হয়েছে, কিন্তু সকলেই ভাবে সে প্রেগন্যান্ট। এমতাবস্থায় রাধিকা ছিল মৃত্যুর মুখে। বর্তমানে সে এখন সুস্থ। কিন্তু এর পরেই দেখা যায় অসুস্থ হয়ে পড়েছে ডঃ অনির্বাণ গুহ। আর সে পড়ে যায় মৃত্যুর মুখে। গাড়ির দূর্ঘটনায় অনির্বাণ গুহর খুব খারাপ অবস্থা হয়ে যায়। আর তাই পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে পোখরাজের হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়।
রঞ্জা রাধিকাকে ফোন করে জানায় অনির্বাণের দূর্ঘটনার কথা। কিন্তু রাধিকাকে যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, সে অনির্বাণকে কথা দিয়েছে তার সাথে আর কোনোদিনও যোগাযোগ রাখবে না। এরপরই তাঁর মনে হয় অনির্বাণ তো তাঁর পরিবারের কেউ নয়, তাহলে সে যাবে কেন? কিন্তু অনির্বাণের জন্য রাধিকার চিন্তা হয়। তাই সে নিজেকে সংযত করতে না পেরে পৌঁছে যায় হাসপাতালে। বর্তমানে অনির্বাণ অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছে। কিন্তু এইবার ফের মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছে রাধিকা।
সম্প্রতি এক্কাদোক্কা ধারাবাহিকের একটি প্রোমো ভিডিও রিলিজ হয় যেখানে দেখা যায় গুরুতর অসুস্থ রাধিকা। তার মাথা ফেটে রক্ত বেরোচ্ছে। হসপিটালের বেডে শুয়ে আছে সে আর তার চারপাশে জড়ো হয়েছে একাধিক ডক্টর আর নার্স। সবাই মিলে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করছে তাড়াতাড়ি একটা ব্যবস্থা না নিলে তার প্রাণ সংশয় হতে পারে। কিন্তু রাধিকা বলে ডক্টর অনির্বাণ গুহ তার চিকিৎসা না করলে সে আর কাউকে দিয়ে তার চিকিৎসা করাবে না। অন্যদিকে অনির্বাণ তার চিকিৎসা করতে নারাজ সে বলে দেয় ড: পোখরাজকে খবর দিন। আমি পারবো না।
এই প্রোমো রিলিজ হওয়ার পর থেকেই ট্রোলের মুখে পড়েছে ধারাবাহিক। দর্শকদের দাবি কি হচ্ছেটা কি এখানে? একবার নায়িকা অসুস্থ হচ্ছে, সে সুস্থ হলে আবার নায়ক অসুস্থ হচ্ছে, আবার নায়ক সুস্থ হচ্ছে তো নায়িকা অসুস্থ হচ্ছে। এই ধারাবাহিকে সবসময় নায়ক নায়িকার প্রাণ সংশয় লেগেই রয়েছে। এক দর্শক মন্তব্য করেছেন “পিলো পাসিং চলছে, একবার ও অসুস্থ তো আরেকবার সে অসুস্থ।” আবার কেউ লিখেছে “এরা সারাজীবন হসপিটালেই কাটিয়ে দেবে”। সত্যিই তো, সব ডাক্তার যদি একের পর এক অসুস্থ হতে থাকে তাহলে রোগীদের দেখবে কে? হাসির রোল দর্শক মহলে।


