কোর্ট পর্যন্ত রুদ্রকে টেনে আনল ফুলকি! শয়’তানকে যোগ্য শাস্তি দিতে ফাঁদ পাতল নায়িকা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে ঈশিতাকে নবাবগঞ্জের থানায় সুরক্ষিত ভাবে নিয়ে আসে অংশু। আর উপর মহলের পারমিশন নিয়ে ঈশিতার জন্য বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা করে। অংশু বাড়িতে গিয়ে সবাইকে সবটি জানায় কিভাবে অতিরিক্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে ঈশিতার জন্য। তার কিছুক্ষণ পরেই অংশুর কাছে ফোন আসে এবং অংশ জানতে পারে ঈশিতার জন্য যেই বিশেষ গার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছিল সেখান থেকে সেই গার্ড সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে রুদ্রর সুরক্ষার জন্য। রুদ্র এসে থানায় বড় বাবুর সঙ্গে কথা বলে নিজের জন্য অতিরিক্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা করে। তখনই লাবণ্য এসে জানায় রুদ্রকে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেওয়া যাবে না।

ফুলকি আজকের পর্ব ৮ জানুয়ারি (Phulki Today Episode 8 January)
ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখানো হবে রুদ্র থানায় শালিনীকে নিয়ে এসেছে আর সেটা দেখতে পেয়ে রোহিত ভীষণই রেগে যায়। রোহিত বিশ্বাসই করতে পারছে না রুদ্র তার সাথে এত বড় বেইমানি করতে পারল কি করে। ফুলকি কোনমতে রোহিতকে শান্ত করে সেখান থেকে নিয়ে আসে। এরপরে বাড়িতে আসার পর ধানু জানায় ঈশিতাকে পরের দিন কোর্টে পেশ করা হবে। তমালের বিরুদ্ধে গুলি করার মামলায় ঈশিতার যাতে কঠিন শাস্তি হয় যাতে রুদ্রও শাস্তি পায় সেটা তাদের নিশ্চিত করতেই হবে।
এদিকে রুদ্রর হাত থেকে তো সবকিছু এ ধীরে ধীরে বেরিয়ে যাচ্ছে। তার প্ল্যান মত কোন কাজই হচ্ছে না। কোনভাবেই সে ঈশিতাকে সরাতে পারছে না নিজের পথ থেকে। অন্য দিকে রুদ্রর লোক এসে জানায় পরের দিন ঈশিতার কেস উঠছে কোর্টে, সেখানে ঈশিতা তো রুদ্রর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণ দেবে। তাই জন্য রুদ্র তার লোকজনদের বলে গা ঢাকা দিয়ে শহর থেকে অন্য কোথাও চলে যেতে। যাতে কেউ তাদের খুঁজে না পায়। রুদ্র তো কিছুতেই বুঝতে পারি না সে কি করে নিজেকে বাঁচাবে কারণ ঈশিতা রুদ্রর সমস্ত কুকীর্তির প্রমাণ।
আরও পড়ুনঃ সাহেব সুস্মিতার জীবনে ছোট্ট সদস্য! বছরের শুরুতেই সব গুঞ্জন সত্যি করে একেবারে চমকে দিলেন এই জুটি!
এরপর পরেরদিন ঈশিতাকে কোর্টে নিয়ে আসা হয়। কোর্ট চত্বরে ঈশিতাকে দেখে তমালের মা নিজের রাগ ধরে রাখতে পারে না। তাই সবার সামনেই যা নয় তাই বলে। এরপর ঈশিতাও মিডিয়ার সামনে চিৎকার করে বলে সব দোষ তার একার নয়, তাকে রুদ্র ফাঁসিয়েছে। রুদ্র হলো আসল অপরাধী। এরপর রুদ্র ও শালিনী এসে উপস্থিত হয়। রুদ্রকে ঘিরে ধরে মিডিয়ার লোকজন। কিন্তু রুদ্র তো কিছুই স্বীকার করে না। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কী হতে চলেছে।

